রাজনৈতিক মতাদর্শ ও ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ঊর্ধ্বে থেকে পেশাগত দক্ষতা ও সততা বিবেচনা করে নৌ এবং বিমান বাহিনীর কর্মকর্তাদের পদোন্নতি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর প্রধানমন্ত্রী বিমান বাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল স্থাপনা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এয়ার কমান্ড অপারেশন সেন্টারে ডিজিটাল লার্জ ডিসপ্লের সাহায্যে যুদ্ধবিমান দিয়ে শত্রুবিমান ইন্টারসেপশন এবং লাইভ ফিডের মাধ্যমে অপারেশনাল কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
পরে প্রধানমন্ত্রী এ্যারোস্পেস রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট কমপ্লেক্সে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি বিভিন্ন ড্রোন (কামিকাজে ড্রোন, ইন্টারসেপ্টর ড্রোন, ভিটিওএল) ও অন্যান্য গবেষণা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। নিজস্ব সক্ষমতায় এমন আধুনিক প্রযুক্তি উদ্ভাবনকে তিনি প্রযুক্তিগত আত্মনির্ভরতা অর্জনের ক্ষেত্রে বড় অগ্রগতি বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।
নির্বাচনী পর্ষদের অনুষ্ঠান শুরুর আগে প্রধানমন্ত্রী নৌবাহিনী প্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমকে ‘অ্যাডমিরাল’ র্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন এবং তাকে অভিনন্দন জানান। এসময় নৌবাহিনী প্রধান প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে নৌবাহিনীকে আরও আধুনিক ও সময়োপযোগী করতে দিকনির্দেশনা চান।