ইরানের তেলবাহী তিনটি ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) আঞ্চলিক জলসীমায় মার্কিন নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পর এ হামলা চালানো হয়।
ইরানের তেলবাহী তিনটি ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) আঞ্চলিক জলসীমায় মার্কিন নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পর এ হামলা চালানো হয়।
সেন্টকম জানায়, আঞ্চলিক জলসীমায় টহলরত ওই দুই মার্কিন যুদ্ধজাহাজের দিকে আইআরজিসি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পর ইরানের তেলবাহী জাহাজগুলোতে হামলা চালানো হয়।
মার্কিন হামলায় ওমান উপসাগর ও ইরানের খারগ দ্বীপের কাছে থাকা ইরানের তেলবাহী ট্যাংকারগুলো আক্রান্ত হয়। মার্কিন সামরিক বাহিনী বলেছে, তারা দুটি অপরিশোধিত তেলবাহী ট্যাংকার অচল করে দিয়েছে এবং তৃতীয়টি ধ্বংস করেছে।
সেন্টকমের কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার বলেন, ‘আইআরজিসির জন্য বার্তাটি স্পষ্ট হওয়া উচিত। আপনারা যদি আমাদের দুটি জাহাজে হামলা করেন, তাহলে আপনাদের তিনটি জাহাজ ধ্বংস করে আমরা আরও বড় অর্থনৈতিক ক্ষতি করব।’
তিনি আরও বলেন, ‘মার্কিন বাহিনীকে রক্ষা করতে আমরা দ্বিধা করব না। প্রয়োজন হলে ইরানের ছোট ও অরক্ষিত তেল পরিবহনকারী নৌবহর ধ্বংস করব।’
ট্যাংকারগুলোতে চালানো হামলায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে আর কোনো তথ্য দেয়নি সেন্টকম।
এই হামলার কয়েক ঘণ্টা আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘পিকঅ্যাক্স’ পর্বতে শিগগিরই হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র।
ছয় মাস ধরে চলা এ যুদ্ধে এ পর্যন্ত ১৮ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানির দাম বেড়েছে। তবে ট্রাম্প এই সংঘাতকে ‘ছোটখাটো বিষয়’ বলে মন্তব্য করেছেন।
যুদ্ধের এই পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান-দুই দেশই একে অপরকে সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে চাপে রাখার চেষ্টা করছে। যুদ্ধ বন্ধে দুই দেশের মধ্যে যে আলোচনা চলছিল, তা এরই মধ্যে ভেস্তে গেছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা শুরু করে। প্রায় এক মাস দুই দেশের মধ্যে সরাসরি পাল্টাপাল্টি হামলা বন্ধ থাকার পর সম্প্রতি আবারও তা শুরু হয়েছে।