1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
টানা ৪০ দিন মসজিদে নামাজ আদায়: শিশুদের হাতে পুরস্কার হিসেবে সাইকেল তুলে দিল  - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
৫ই সেপ্টেম্বরের লংমার্চ সফল করতে নোয়াখালী শহর জামায়াতের উদ্যোগে স্বাগত মিছিল  টানা ৪০ দিন মসজিদে নামাজ আদায়: শিশুদের হাতে পুরস্কার হিসেবে সাইকেল তুলে দিল  চন্দনাইশে পুকুরের পানিতে ডুবে আদিবা রহমান মারা যায় মাগুরায় নানা আয়োজনে জন্মাষ্টমী পালন কোম্পানীগঞ্জে শহীদ আমান উল্যাহ ফারুকের ৫৫তম শাহাদাত বার্ষিকীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও দোয়া  কানাডার বিনিয়োগকারীদের জ্বালানি খাতে বিনিয়োগের আহ্বান মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের ৫ সেপ্টেম্বর লংমার্চ: সোনারগাঁয়ে চার স্পট পরিদর্শন প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন ফেনীতে কাভার্ড ভ্যানের পেছনে বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করছেন ট্রাম্প, চলছে ২০২৭ সালের প্রস্তুতি বাড়বে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া ফ্লাইট, সহজ হবে ভিসা

টানা ৪০ দিন মসজিদে নামাজ আদায়: শিশুদের হাতে পুরস্কার হিসেবে সাইকেল তুলে দিল 

নোয়াখালী প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১ বার

কৈশোরের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা একদল শিশু-কিশোরকে মসজিদমুখী করতে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন । টানা ৪০ দিন জামাতে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করায় এলাকার ২০ জন শিশুকে পুরস্কার হিসেবে নতুন বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে।

 

শুক্রবার আসরের নামাজের পর নোয়াখালী পৌরসভার খন্দকার পাড়া জামে মসজিদের প্রাঙ্গণে এক আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে এই পুরস্কার তুলে দেন পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী আলহাজ্ব হারুন অর রশিদ। এ সময় শিশুদের পদচারণায় এবং অভিভাবকদের উপস্থিতিতে পুরো মসজিদ চত্বর এক অন্যরকম প্রাণচাঞ্চল্য রূপ নেয়।

 

মেয়র পদপ্রার্থী আলহাজ্ব হারুন অর রশিদ বলেন, বর্তমান প্রজন্মের শিশুরা যেন আধুনিক প্রযুক্তির অপব্যবহার থেকে দূরে থাকে এবং শৈশব থেকেই ধর্মীয় অনুশাসন, শৃঙ্খলা ও নৈতিক শিক্ষার মধ্যে বড় হয়ে ওঠে সেই ভাবনা থেকেই এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করাছি। টানা ৪০ দিন পাঁচ ওয়াক্ত মিস না করে মসজিদে এসে জামাতে নামাজ পড়ার এই শর্ত ৭০ জন থেকে ২০ জনকে যাচাই-বাছাই শেষে বিজয়ী শিশুদের হাতে এই বাহন তুলে দেওয়া হয়।

 

পুরস্কার হাতে পাওয়া শিশুদের চোখে-মুখে ছিল উচ্ছ্বাসের ঝিলিক। আনন্দিত এক শিশু জানায়, প্রথম কিছুদিন সকালের ফজর ও এশার নামাজে উঠতে একটু কষ্ট হতো। কিন্তু এখন নিয়মিত মসজিদে আসার অভ্যাস হয়ে গেছে। সাইকেল পেয়ে আমার খুব আনন্দ হচ্ছে।

 

স্থানীয়রা এমন মহতী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে তারা বলেন, এ ধরনের ইতিবাচক প্রতিযোগিতামূলক কার্যক্রম সমাজে কিশোরদের নৈতিক চরিত্র গঠনে এবং সৎপথে চলতে গভীর প্রভাব ফেলবে। শুধু পুরস্কার প্রাপ্তরা নয়, বরং তাদের দেখাদেখি এলাকার অন্যান্য শিশু-কিশোররাও আগামীতে মসজিদে নিয়মিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

 

পরে দোয়া ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘটে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি এবং শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net