1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
মাগুরায় নানা আয়োজনে শ্রীপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজের এইচ এস সি ১৯৮৬ ব্যাচের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
মাগুরার শ্রীপুরে দূর্গাপুজায় মদপানে অসুস্থ হয়ে দুই যুবকের মৃত্যু মাগুরায় সাকের হত্যার বিচারের দাবিতে জেলা মটর শ্রমিক ইউনিয়নের সংবাদ সম্মেলন বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান আমজাদ, মহাসচিব তারেক ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতের নির্দেশ আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ-সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে: স্পিকার লংমার্চ করে অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা বরদাশত করা হবে না: এ্যানি মাগুরার শ্রীপুরে মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধী র‍্যালি অনুষ্ঠিত সৌদির দাম্মাম বিমানবন্দরে হামলায় ঝরল ২ প্রাণ, আহত দুই বাংলাদেশি মাগুরায় যুবদল নেতা শাকের হত্যায় মামলা দায়ের, আটক-২ মাগুরায় নানা আয়োজনে শ্রীপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজের এইচ এস সি ১৯৮৬ ব্যাচের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

মাগুরায় নানা আয়োজনে শ্রীপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজের এইচ এস সি ১৯৮৬ ব্যাচের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

মোঃ সাইফুল্লাহ, মাগুরা প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৩ বার

মাগুরায় নানা আয়োজনে ২১ অক্টোবর বুধবার দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী শ্রীপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজ এইচ এস সি ১৯৮৬ ব্যাচের পুর্নমিলনী অনুষ্ঠান কলেজে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

স্মৃতির আঙিনায় ফিরে এলো কৈশোরের সেই সোনালী দিনগুলো। চুলে পাক ধরেছে, কপালে চিন্তার ভাঁজ, অনেকের চশমার পাওয়ারও বেড়েছে—তবুও দেখা হতেই জড়িয়ে ধরা, একে অপরকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে ফেলা আর শৈশবের ডাকনামে ডেকে ওঠার আকুলতা যেন নিমেষেই মুছে দিল জীবনের চার দশকের ব্যস্ততা। মাগুরার ঐতিহ্যবাহী শ্রীপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি ১৯৮৬ ব্যাচের পুনর্মিলনী উৎসব কলেজ মিলনায়তনে অত্যন্ত আনন্দঘন ও আবেগপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। দীর্ঘ ৪০ বছর পর সহপাঠীরা একে অপরকে কাছে পেয়ে হারিয়ে যান স্মৃতির অতল গহ্বরে।

র্্যালী, স্মৃতিচারণ, আলোচনা সভা, মতবিনিময়, বর্তমান অধ্যক্ষের কক্ষে স্মৃতিচারণ মূলক মতবিনিময় ও মিষ্টিমুখসহ নানা আয়োজন।

 

অনুষ্ঠানের শুরুতে বহু বছর পর দেখা হওয়া বন্ধুদের মাঝে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। অনেকেই একে অপরকে দেখে চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি। দীর্ঘ ৪০ বছর পর পুরোনো বন্ধুদের ফিরে পেয়ে সবার মাঝেই ছিল এক অন্যরকম উদ্দীপনা। মিলনমেলার মূল আনুষ্ঠানিকতায় ছিল ফেলে আসা দিনগুলোর স্মৃতিচারণ, বর্তমান জীবনের গল্প এবং হারিয়ে যাওয়া বন্ধুদের স্মরণ।

 

অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে সবাই মেতে ওঠেন আড্ডায়। সেই ক্লাসরুম, কলেজের বারান্দা, আর আড্ডার সেই চেনা মাঠ যেন মুহূর্তেই প্রাণ ফিরে পায়। বন্ধুরা মিলে পুরোনো দিনের নানা খুনসুটি, শিক্ষকদের শাসন আর প্রথম কলেজ জীবনের নানা রোমাঞ্চকর ঘটনা নতুন করে ভাগ করে নেন।

 

পুনর্মিলনী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় ১৯৮৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা বলেন, “জীবনের তাগিদে আমরা কে কোথায় হারিয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু এই ক্যাম্পাস আমাদের হৃদয়ে সবসময় জড়িয়ে ছিল। আজ ৪০ বছর পর এখানে এসে মনে হচ্ছে আমরা আবার সেই তরুণ বয়সে ফিরে গেছি।” তারা কলেজের সার্বিক উন্নয়ন ও শিক্ষা পরিবেশের প্রশংসা করেন এবং এই ধারা বজায় রাখতে বর্তমান শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।

 

স্মৃতিচারণের মধ্যেই শুরু নাস্তা” শেষে শুরু হয় আনন্দ উৎসব। দুপুরের প্রীতিভোজ শেষে র‍্যালি অনুষ্ঠান আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। দিনশেষে এক বুক স্মৃতি আর আগামীতে আবারও মিলিত হওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে শেষ হয় এই ঐতিহাসিক মিলনমেলা। এই পুনর্মিলনী কেবল পুরোনো বন্ধুদের আড্ডাই ছিল না, বরং এটি ছিল চার দশকের এক পরম ভালোবাসার সেতুবন্ধন! মনে হচ্ছিল যেন সবাই একই পরিবারের, একই বৃত্তের সন্তান!

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net