1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
মাসদাইর বড় কবরস্থান শ্মশান একসাথে, ধর্মীয় সম্প্রীতির উজ্জ্বল উদাহরণ - দৈনিক শ্যামল বাংলা
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
সাতকানিয়ায় মুসলিম এইডের ত্রাণ বিতরণ আত্মগোপনে থাকার পর ডিবির হাতে গ্রেপ্তার সাবেক মেয়র রাসেল ও বশির আহমেদ নাজিরহাট পৌরসভার প্রকল্প পরিদর্শনে স্থানীয় সরকার বিভাগ চট্টগ্রামের পরিচালক ঈদগাঁওয়ে পরিবেশ রক্ষায় থানা পুলিশের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত গ্রীনপয়েন্ট স্কুল এন্ড কলেজ এর আয়োজনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি -২০২৬ অনুষ্ঠিত রাস্তায় পড়ে থাকা অসুস্থ বাবাকে অবশেষে চিকিৎসায় নিলেন প্রবাসী ছেলে বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত: স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত কুমিল্লায় জমজম ট্রাভেলস্ বিডি’র প্রি-হজ্ব সেমিনার অনুষ্ঠিত মাগুরার শ্রীপুরে শিশু রাজিয়া খাতুন ধ’র্ষণ ও হ’ত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা  মাগুরায় জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

মাসদাইর বড় কবরস্থান শ্মশান একসাথে, ধর্মীয় সম্প্রীতির উজ্জ্বল উদাহরণ

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২০
  • ১০০৬ বার

মাহমুদুল হাসান হৃদয়, নারায়ণগঞ্জ :
চলছে মুসলিম হিন্দুর এক সাথে উৎসব এবং সমাধি।
কবরস্থান শ্মশান একসাথে ধর্মীয় সম্প্রীতি, সাথে রয়েছে থ্রিস্টান দের সমাধি।
নারায়নগঞ্জ উত্তর মাসদাইর চাষাঢ়া থেকে ঠিক এক কিলোমিটার পশ্চিমে যা বড় গোরস্থান নামে পরিচিত, যে খানে নেই ধর্ম নিয়ে বাড়া বাড়ি নেই কোন হিংসা বিদ্বেষ, যে যার ধর্মের নীতি অনুসারে চলছে সমাধি।

কবর হলো মৃতদেহ মাটিতে পুতেঁ রাখার গর্ত। মৃত মানুষকে কবরে শায়িত করাকে বলা হয় “দাফন করা”। মুসলমান, খ্রিস্টান ও ইহুদীদের মৃতদেহ মাটিতে দাফন করা হয়। অন্যদিকে অধিকাংশ ক্ষেত্রে হিন্দুদের মৃতদেহ আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হয়।

এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন ধরে একইস্থানে শ্মশান, কবরস্থান ও সমাধি হলেও তিন ধর্মের মানুষ সম্প্রীতির বন্ধনে থেকে নিজ নিজ ধর্ম পালন করে আসছেন। এ নিয়ে কখনও কোনো বাক-বিতণ্ডা পর্যন্ত হয়নি।
কবরস্থান আর শসান এর মাঝে ৪’ফুট এর দেয়াল, এক পাশ থেকে আরেক পাশে দেখা যায় কি ভাবে তারা তাদের প্রিয় মানুষ কে সমাধি দিচ্ছে।
পারস্পরিক সহযোগিতায় ধর্মীয় আচার পালন করে আসছেন এখানকার সকল ধর্মের মানুষ। একই স্থানে পাশাপাশি তিন ধর্মের সমাধিস্থল হলেও কখনো কোন মতবিরোধ হয় নি। সব ধর্মের মানুষের মাঝে সৌহার্দের দৃষ্টান্ত হিসেবেই এই সমাধিস্থলটি গড়ে উঠেছে।

পাশাপাশি তিন ধর্মের মুরুব্বীরা বসে সিদ্ধান্ত নিয়ে , যেহেতু চাষাঢ়া থেকে ফতুল্লা, পাগলা হাইওয়ে রোড এর পাশে সমাধির স্থান,সেহেতু তারা ছোট বড় গেট দিয়ে মিনার করে ২০০ গজ পথ ধরে তুলছেন দেঁয়াল।

এলাকাবাসী আরো জানান, এখানে একই জায়গায় ধর্ম-নির্বিশেষে দাফন কিংবা সৎকার হচ্ছে মুসলমান, হিন্দু এবং খ্রিষ্টানদের মরদেহ। সব ধর্মের মানুষের মাঝে সৌহার্দ্যরে দৃষ্টান্ত হিসেবেই এই সমাধিস্থলটি গড়ে উঠেছে। আমরা মনে করি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে এই উত্তর মাসদাইর বড় গোরস্থান।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net