1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
মাসদাইর বড় কবরস্থান শ্মশান একসাথে, ধর্মীয় সম্প্রীতির উজ্জ্বল উদাহরণ - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ-সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে: স্পিকার লংমার্চ করে অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা বরদাশত করা হবে না: এ্যানি মাগুরার শ্রীপুরে মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধী র‍্যালি অনুষ্ঠিত সৌদির দাম্মাম বিমানবন্দরে হামলায় ঝরল ২ প্রাণ, আহত দুই বাংলাদেশি মাগুরায় যুবদল নেতা শাকের হত্যায় মামলা দায়ের, আটক-২ মাগুরায় নানা আয়োজনে শ্রীপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজের এইচ এস সি ১৯৮৬ ব্যাচের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত রাঙ্গাবালীতে মৎস্যজীবী দলের কমিটি গঠন সভাপতি গনি, সাধারণ সম্পাদক রাকিব ইনসাফ হাউজিং অ্যান্ড ডেভেলপার্সের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এমদাদুল হক মামুন, এমডি আক্তার হোসেন আইন পেশায় প্রবেশের বয়সসীমা নিয়ে কী হচ্ছে? সৌদি আরবের তেল স্থাপনায় হামলা, দুই বিদেশি নাগরিক নিহত

মাসদাইর বড় কবরস্থান শ্মশান একসাথে, ধর্মীয় সম্প্রীতির উজ্জ্বল উদাহরণ

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২০
  • ১০৬৫ বার

মাহমুদুল হাসান হৃদয়, নারায়ণগঞ্জ :
চলছে মুসলিম হিন্দুর এক সাথে উৎসব এবং সমাধি।
কবরস্থান শ্মশান একসাথে ধর্মীয় সম্প্রীতি, সাথে রয়েছে থ্রিস্টান দের সমাধি।
নারায়নগঞ্জ উত্তর মাসদাইর চাষাঢ়া থেকে ঠিক এক কিলোমিটার পশ্চিমে যা বড় গোরস্থান নামে পরিচিত, যে খানে নেই ধর্ম নিয়ে বাড়া বাড়ি নেই কোন হিংসা বিদ্বেষ, যে যার ধর্মের নীতি অনুসারে চলছে সমাধি।

কবর হলো মৃতদেহ মাটিতে পুতেঁ রাখার গর্ত। মৃত মানুষকে কবরে শায়িত করাকে বলা হয় “দাফন করা”। মুসলমান, খ্রিস্টান ও ইহুদীদের মৃতদেহ মাটিতে দাফন করা হয়। অন্যদিকে অধিকাংশ ক্ষেত্রে হিন্দুদের মৃতদেহ আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হয়।

এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন ধরে একইস্থানে শ্মশান, কবরস্থান ও সমাধি হলেও তিন ধর্মের মানুষ সম্প্রীতির বন্ধনে থেকে নিজ নিজ ধর্ম পালন করে আসছেন। এ নিয়ে কখনও কোনো বাক-বিতণ্ডা পর্যন্ত হয়নি।
কবরস্থান আর শসান এর মাঝে ৪’ফুট এর দেয়াল, এক পাশ থেকে আরেক পাশে দেখা যায় কি ভাবে তারা তাদের প্রিয় মানুষ কে সমাধি দিচ্ছে।
পারস্পরিক সহযোগিতায় ধর্মীয় আচার পালন করে আসছেন এখানকার সকল ধর্মের মানুষ। একই স্থানে পাশাপাশি তিন ধর্মের সমাধিস্থল হলেও কখনো কোন মতবিরোধ হয় নি। সব ধর্মের মানুষের মাঝে সৌহার্দের দৃষ্টান্ত হিসেবেই এই সমাধিস্থলটি গড়ে উঠেছে।

পাশাপাশি তিন ধর্মের মুরুব্বীরা বসে সিদ্ধান্ত নিয়ে , যেহেতু চাষাঢ়া থেকে ফতুল্লা, পাগলা হাইওয়ে রোড এর পাশে সমাধির স্থান,সেহেতু তারা ছোট বড় গেট দিয়ে মিনার করে ২০০ গজ পথ ধরে তুলছেন দেঁয়াল।

এলাকাবাসী আরো জানান, এখানে একই জায়গায় ধর্ম-নির্বিশেষে দাফন কিংবা সৎকার হচ্ছে মুসলমান, হিন্দু এবং খ্রিষ্টানদের মরদেহ। সব ধর্মের মানুষের মাঝে সৌহার্দ্যরে দৃষ্টান্ত হিসেবেই এই সমাধিস্থলটি গড়ে উঠেছে। আমরা মনে করি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে এই উত্তর মাসদাইর বড় গোরস্থান।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net