1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
পড়ন্ত শিল্পের উন্নয়নে বাংলাদেশের সংস্কৃতি - দৈনিক শ্যামল বাংলা
সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
একদিন আগেই হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর : নারায়ণগঞ্জ ভূমি অফিসের অনিয়মে ক্ষুব্ধ ভূমি প্রতিমন্ত্রী নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার রামপুরে সৌদি প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি, আটক ৩  নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ডিবি পরিচয়ে ব্যাংক কর্মকর্তাকে গাড়িতে তুলে ১২ লাখ টাকা ছিনতাই  সোনারগাঁয়ে চৈতী কম্পোজিট কে পৌনে ১ কোটি টাকা জরিমানা জাতীয় নবম বেতন স্কেল ২০২৬ অনুমোদন, দুই বছরে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন ছাত্রদলের পদবঞ্চিত ও পদপ্রাপ্তদের সংঘর্ষ, আহত ২ শেরপুরে ৫০ লাখ টাকার চেক মামলায় ইদ্রিস কোম্পানির সাবিক ডিএমডির ১ বছরের কারাদন্ড বাসসের নেতৃত্বে কাদের গনি চৌধুরী, সিএমইউজের অভিনন্দন চোরাচালান, মাদক ও সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বিজিবির প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান বাড়ৈখালিতে এতিম শিশুদের ওপর নির্যাতন: মিষ্টি জামালের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

পড়ন্ত শিল্পের উন্নয়নে বাংলাদেশের সংস্কৃতি

দিদারুল আলম মজুমদার |

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২০
  • ৩০৮ বার

২০১১ সালে মালয়শিয়ায় গিয়েছিলাম ব্যবসায়ের উদ্দেশ্যে। বেশ কয়েকটি মিটিংও হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ। বিনিয়োগের সন্ধান থাকলে প্রধানমন্ত্রী তার অন্য সব মিটিং বাদ দিয়ে উক্ত মিটিংকেই প্রাধান্য দিয়ে থাকেন।
পড়ন্ত যে কোন শিল্পের পাশে দাঁড়িয়ে লাভজনক করে তোলার জন্য ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেয়া আছে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে। আছে গাড়ী বাড়ী সব আইটেমে দীর্ঘমেয়াদী কিস্তিতে বিনিয়োগ সুবিধা।
কিন্তু আমাদের দেশে সম্পূর্ণ তার ব্যতিক্রম। পড়ন্ত অবস্থায় সরকার ব্যাংক বীমা বা ব্যক্তি উদ্দোক্তাগণ কেউ পাশে দাঁড়ান না বলেই চুড়ান্ত শেষ হয়ে যায় প্রতিষ্ঠানটি।
দুইটি প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানের তুলনামূলক কেইস স্টাডি:-
একটি তার সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়মিত কালেকশন অব্যাহত রেখে এক প্রজেক্ট না হলে অন্য প্রজেক্ট চালু রেখে ব্যবসা করতে করতে একটি সুবিধাজনক অবস্থানে এসে গেছে। এতে সংশ্লিষ্টগণের মধ্যে খুবই সন্তোষজনক পরিবেশ বিরাজ করছে যে,এই মন্দাভাবের মাঝেও আমাদের প্রতিষ্ঠান তার কাজ চালু রেখেছে।

আরেকটি প্রতিষ্ঠানের সদস্যগণ মন্দাভাব দেখে যাবতীয় কিস্তি বন্ধ করে দিয়ে জমি বিক্রির মাধ্যমে প্রকল্পের কাজ সম্পাদনের জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহন করে। এতে জমির উন্নয়নও করা যায়নি, আবার বিক্রিও করা যায়নি।
তবে আনূসংগিক খরচ চলমান থাকার দরুন প্রতিষ্ঠানটির দায় বৃদ্ধি পেয়েছে।

যে দুটি প্রতিষ্ঠানের তুলনামূলক আলোচনা করেছি, তম্মধ্যে প্রথমটির ইতিহাস বিরল। দ্বিতীয়টির অভিজ্ঞতা আমাদের দেশে গড়েই পাওয়া যায়।
তাই সংশ্লিষ্টদেরকেই বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে ভালো মন্দ সিদ্ধান্ত নিতে হবে। উত্তরণের জন্য সমন্বিতভাবে পুঁজি বিনিয়োগ করে না পারলেও ভাগে ভাগে গ্রুপ করে প্রকল্প সফল করে তোলার বিকল্প নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net