1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
গান শুনে আর সিনেমা দেখেই বেশি সময় কাটছে, বলেন নায়িকা আর্শি - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
কোম্পানীগঞ্জে মাদক, কিশোর গ্যাং ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে চরকাঁকড়া ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল বেবিচকের ছাড়পত্রের জন্য ৪টি গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং প্রতিষ্ঠানকে মনোনীত করেছে জাপানি কনসোর্টিয়াম কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার এক নোয়াখালীর সেনবাগে কৃষি জমিতে ইঁদুর মারার বৈদ্যুতিক ফাঁদে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কৃষকের মৃত্যু  যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের অভিযোগ, জ্যোতির মৃত্যু আসছে মডেল খাল কর্মসূচি: বহুমুখী জীবিকা ও কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আজ মাঠে নামছে বাংলাদেশ প্রতিটি ইউনিয়নে খেলার মাঠ গড়ে তোলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল ও ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোতে ডিপি ওয়ার্ল্ডের বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী নবীনগরে আশেকান মঞ্জিলে ৩৯তম উরস মোবারক অনুষ্ঠিত

গান শুনে আর সিনেমা দেখেই বেশি সময় কাটছে, বলেন নায়িকা আর্শি

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২০
  • ৫২২ বার

ইমরুল শাহেদ : ইস্যুভিত্তিক চলচ্চিত্রের নির্মাতা অহিদুজ্জামান ডায়মÐের রোহিঙ্গা ছবির প্রধান চরিত্র আর্শি হোসেন করোনাভাইরাসের কারণে শুরু হওয়া ছুটির পুরোটাই নিজের বাড়িতে কাটাচ্ছেন। তিনি বলেছেন, কোনো জরুরি কাজেও তিনি বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন না। তাদের প্রয়োজনীয় কাঁচাবাজার থেকে অপরিহার্য সকল পণ্যই আত্ময়-স্বজনদের মাধ্যমে বাজার থেকে আনিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে তিনি যুক্ত নন। যাহোক, এই পরিস্থিতিতে তার প্রতিদিন কিভাবে কাটছে। আর্শি জানান, ঘুম থেকে উঠে আগে তিনি নাস্তা সারেন। তারপর তিনি নিজের প্রয়োজনীয় ব্যায়াম সেরে নেন। এছাড়া বই পড়া, ইন্টারনেট ঘাটা এখন অনেকের মতো তারও প্রায় অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। তবে তিনি প্রচুর গান শোনেন এবং দেশ-বিদেশের ছবি দেখেন। এর মধ্যেই টেলিভিশনে করোনা নিয়ে আইইডিসিআরের ব্রিফিং শোনেন এবং সেটা নিয়মিতই। এছাড়া তিনি উল্লেখ করেন, সংসারের কিছু কাজকর্মও করেন। এর মধ্যে বাসন-পেয়ালা মাজাও রয়েছে। তিনি বলেন, আগে পরিবারের সকলে বসে কথা বলার সময় পেতেন না। এখন সময় পেয়ে পরিবারের সঙ্গেও অনেক আড্ডা হয়। মনে মনে একের সঙ্গে অপরের একটা দূরত্ব থাকলেও এখন সেটা কেটে যাচ্ছে। সন্ধ্যার দিকে বাড়ির বারান্দায় গিয়ে বসেন কিছু সময়ের জন্য। তিনি রসিকতা করে বলেন, ‘আমি বারান্দায় গিয়ে বসলেই উল্টো দিকের বাসার একটি ছেলে এসে তাদের বারান্দায় দাঁড়ায়। আমি লক্ষ্য করলাম আমি কখন বারান্দায় যাব, সেজন্য ছেলেটি অপেক্ষা করতে থাকে। এখন আমি বারান্দায় যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছি। ছেলেটি মাঝেমধ্যে বারান্দায় আসে। উকিঝুকি দেয় আমি বারান্দায় গেলাম কিনা। ব্যাপারটা বেশ উপভোগ্য।’ লক্ষ্য করার বিষয় হলো, আর্শি যেভাবে বাড়িতে সময় কাটাচ্ছেন এমনি অনেকেই বাড়ির একান্ত নিভৃতে নিজেদের সময় পার করছেন। এভাবেই বদলে যেতে শুরু করেছে আমাদের সামাজিক আচরণ।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net