1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
গান শুনে আর সিনেমা দেখেই বেশি সময় কাটছে, বলেন নায়িকা আর্শি - দৈনিক শ্যামল বাংলা
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
সরকারের নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অধিক মূল্যের সার বিক্রি করায় ডিলারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়-কে ১০টি নতুন বাস উপহার দিচ্ছে জসিম উদ্দিন ফাউন্ডেশন নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভা ছাত্রদলের নবগঠিত  কমিটি নিয়ে অভিযোগ,পুনর্গঠনের দাবি দাবিতে মিছিল  মেয়েদের জন্য সর্বজনীন উপবৃত্তি পুনর্বহালের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর হাইকোর্টের রায়ে নুসরাতের মায়ের সন্তোষ, পরিবারের নিরাপত্তা দাবি ফেনী পরশুরামে মাদক দিয়ে রাকিব নামে এক যুবকে পাসানোর চেষ্টা ভারতের হাসপাতালে আগুন, প্রাণ গেল ৩ নবজাতকের মার্কিন নিষেধাজ্ঞার অপেক্ষায় বিশ্ববাজারে কমলো জ্বালানি তেলের দাম ইমরান খানের চিকিৎসার দাবিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে গাভাস্কার-কপিলদের চিঠি নোয়াখালীর সেনবাগে গরুর ঘাস কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু 

গান শুনে আর সিনেমা দেখেই বেশি সময় কাটছে, বলেন নায়িকা আর্শি

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২০
  • ৪৯৬ বার

ইমরুল শাহেদ : ইস্যুভিত্তিক চলচ্চিত্রের নির্মাতা অহিদুজ্জামান ডায়মÐের রোহিঙ্গা ছবির প্রধান চরিত্র আর্শি হোসেন করোনাভাইরাসের কারণে শুরু হওয়া ছুটির পুরোটাই নিজের বাড়িতে কাটাচ্ছেন। তিনি বলেছেন, কোনো জরুরি কাজেও তিনি বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন না। তাদের প্রয়োজনীয় কাঁচাবাজার থেকে অপরিহার্য সকল পণ্যই আত্ময়-স্বজনদের মাধ্যমে বাজার থেকে আনিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে তিনি যুক্ত নন। যাহোক, এই পরিস্থিতিতে তার প্রতিদিন কিভাবে কাটছে। আর্শি জানান, ঘুম থেকে উঠে আগে তিনি নাস্তা সারেন। তারপর তিনি নিজের প্রয়োজনীয় ব্যায়াম সেরে নেন। এছাড়া বই পড়া, ইন্টারনেট ঘাটা এখন অনেকের মতো তারও প্রায় অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। তবে তিনি প্রচুর গান শোনেন এবং দেশ-বিদেশের ছবি দেখেন। এর মধ্যেই টেলিভিশনে করোনা নিয়ে আইইডিসিআরের ব্রিফিং শোনেন এবং সেটা নিয়মিতই। এছাড়া তিনি উল্লেখ করেন, সংসারের কিছু কাজকর্মও করেন। এর মধ্যে বাসন-পেয়ালা মাজাও রয়েছে। তিনি বলেন, আগে পরিবারের সকলে বসে কথা বলার সময় পেতেন না। এখন সময় পেয়ে পরিবারের সঙ্গেও অনেক আড্ডা হয়। মনে মনে একের সঙ্গে অপরের একটা দূরত্ব থাকলেও এখন সেটা কেটে যাচ্ছে। সন্ধ্যার দিকে বাড়ির বারান্দায় গিয়ে বসেন কিছু সময়ের জন্য। তিনি রসিকতা করে বলেন, ‘আমি বারান্দায় গিয়ে বসলেই উল্টো দিকের বাসার একটি ছেলে এসে তাদের বারান্দায় দাঁড়ায়। আমি লক্ষ্য করলাম আমি কখন বারান্দায় যাব, সেজন্য ছেলেটি অপেক্ষা করতে থাকে। এখন আমি বারান্দায় যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছি। ছেলেটি মাঝেমধ্যে বারান্দায় আসে। উকিঝুকি দেয় আমি বারান্দায় গেলাম কিনা। ব্যাপারটা বেশ উপভোগ্য।’ লক্ষ্য করার বিষয় হলো, আর্শি যেভাবে বাড়িতে সময় কাটাচ্ছেন এমনি অনেকেই বাড়ির একান্ত নিভৃতে নিজেদের সময় পার করছেন। এভাবেই বদলে যেতে শুরু করেছে আমাদের সামাজিক আচরণ।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net