1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
ইনকাম ট্যাক্সের ফাঁদে সঞ্চয়পত্রের মালিকরা - দৈনিক শ্যামল বাংলা
রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিনে হাটহাজারী বিএনপির দোয়া মাহফিল রোটারি ক্লাব অব কুমিল্লা মিড টাউনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি জশনে জুলুসে ঈদে-মিলাদুন্নবী চন্দনাইশে পবিত্র রবিউল আউয়ালকে স্বাগত জানিয়ে র‌্যালি মাগুরার শ্রীপুরে বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত  চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় জামায়াতের কর্মী শিক্ষা শিবির দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজের আহ্বান: এমপি শাহজাহান চৌধুরী  মাগুরায় বিভিন্ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী  মাগুরায় নির্বাচনী গণসংযোগ ও মসজিদের উন্নয়ন প্রকল্পের রড হস্থান্তর  কবি কাজী কাদের নওয়াজের বাড়ি প্রাঙ্গণে সবুজ আন্দোলনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে ৫০০ শয্যার নতুন ভবন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী চন্দনাইশ থানা পুলিশের অভিযানে সিআর পরোয়ানা ভুক্ত ১ আসামী গ্রেফতার

ইনকাম ট্যাক্সের ফাঁদে সঞ্চয়পত্রের মালিকরা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২০
  • ৩৫০ বার

সুমন দত্ত।।

বাঙাল কে হাইকোর্ট দেখানো। প্রচলিত এই প্রবাদ ঘুরিয়ে বললে সঞ্চয়পত্রের মালিকদের এনবিআর ( জাতীয় রাজস্ব বোর্ড) তথা ইনকাম ট্যাক্স অফিস দেখানো। প্রথমে প্রচার করা হলো জনগণের কষ্ট লাঘবে সঞ্চয়পত্রের মুনাফা চলে যাবে এর মালিকের ব্যাংক হিসাবে। এখন ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে ঘোষণা এলো প্রত্যেক টিন নম্বরধারী সঞ্চয়পত্রের মালিকদের আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে। মোদ্দা কথা এখন সঞ্চয়পত্র কিনলে ইনকাম ট্যাক্স অফিসের দরজায় কড়া নাড়তে হবে। আর এই সুযোগে সরকারি অফিসের লোকরা নানা অজুহাত দেখিয়ে নিজেদের পকেট ভারি করবে। যা দেখার কেউ থাকবে না। এভাবে সরকার সঞ্চয়পত্রের মালিকদের আয়করের ফাঁদে ফেলে হয়রানির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। যা আগে কখনও ছিল না।

বর্তমান নিয়মে যারা সঞ্চয়পত্র কিনছেন, তারা ব্যাংকের হিসাব নম্বর ও টিন নম্বর দিচ্ছেন। এতে এনবিআরের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো খুব সহজেই জেনে যাচ্ছে কার হিসাবে কত টাকা আছে এবং কে কত টাকার সঞ্চয়পত্র কিনছে। সেই হিসেবে তারা কর কেটে নিচ্ছে। এতে সঞ্চয়পত্রের মালিকদের প্রশ্ন করারও প্রয়োজন পড়ছে না। সিস্টেম ডেভেলাপ করার কারণে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে তা হয়ে যাচ্ছে।

এই যদি হয় বাস্তবতা, তাহলে আয়কর রিটার্ন জমা দেয়ার বাধ্যবাধকতা কেন? সরকার যে নিয়ম করেছে তাতে এ বিষয়টা হাস্যকর ঠেকছে। বিষয়টা এমন আমি জানি তার নাম ‘ক’ তিনি ৩০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র কিনেছেন, এখন তাকে এই একই কথা আয়কর অফিসে গিয়ে বলতে হবে আমার নাম ‘ক’, আমার ৩০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র আছে। অথবা এ কথাটা বলতে ব্যক্তিকে প্রতি বছর আয়কর দিবসে লাইনে দাড়াতে হবে, নচেৎ আয়কর অফিসারের সামনে গিয়ে নানা ফালতু প্রশ্নের জবাব দিতে হবে।

এভাবে সঞ্চয়পত্র থেকে সুবিধাভোগীদের এক হয়রানির মধ্যে ঠেলে দিচ্ছে সরকার। যা একটি গণতান্ত্রিক দেশের জনবান্ধব নীতি হতে পারে না।

সংসদে বাজেট পেশের সময় অর্থমন্ত্রী যদি বলতেন যাদের টিন দিয়ে সঞ্চয়পত্র কেনা। তাদের যদি সঞ্চয়পত্রের বাইরে কোনো স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি না থাকে তবে তাদের আয়কর রিটার্ন জমা দেয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। করযোগ্য আয় থাকলেই আয়কর রিটার্ন দিতে হবে। তাহলে বিষয়টা হতো গঠনমূলক ও ন্যায় সংগত আচরণ। কিন্তু সরকার তা করছে না। আশা করি সরকার এ বিষয়গুলো ভেবে দেখবে।

এটা সত্য, কর ফাকি দেয়ার প্রবণতা এদেশের নাগরিকদের মধ্যে দেখা যায়। তাই দেশের সচেতন নাগরিক হিসেবে আমরাও চাই সরকার কর আদায়ে বিশেষ উদ্যোগ নিক। তাই বলে যার কোনো স্থায়ী আয় নেই তাকে ইনকাম ট্যাক্স অফিস দেখানো ঠিক না। আইন এমনভাবে করতে হবে যা দেশের মানুষের আর্থ সামাজিক অবস্থার সঙ্গে খাপ খায়। সরকার নিজের খেয়াল খুশিমতো আইন করলে তা বাস্তবায়ন হবে না। এদেশে প্রকাশ্যে সিগারেট খাওয়ার বিরুদ্ধেও আইন আছে। মুরগির মাথা নিচে ঝুলিয়ে আনা নেয়া করা যাবে না, এমন আইনও আছে। সেগুলো কি মানা হচ্ছে? রাস্তায় বের হলেই এসব ঠুনকো আইনের লঙ্ঘন দেখা যায়।

তাই অবিলম্বে প্রত্যেক টিনধারী সঞ্চয়পত্রের মালিকদের আয়কর রিটার্ন জমা দেয়ার নিয়ম থেকে অব্যহতি দেয়া হোক। বর্তমানে যে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, তা পুনর্বিবেচনা করা হোক। এতে যারা শুধুই সঞ্চয়পত্রের সুবিধাভোগী তারা উপকৃত হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net