1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
বনের গাছ গিলে খাচ্ছে ফার্নিচার দোকানে,বনাঞ্চল ধ্বংসের পথে - দৈনিক শ্যামল বাংলা
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
নৈতিক চিত্তের মানুষ তৈরি করতে হলে শিক্ষার্থীদের আদব শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে হবে : এস এম আকাশ অতিরিক্ত মূল্যে সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রি : ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা কুষ্টিয়ায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়িতে হামলা-ভাঙচুর মা‌টিরাঙ্গায় চতুর্থ শ্রেনির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ হাটহাজারী এনসিপির সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত ডিআইজি-অতিরিক্ত ডিআইজিসহ পুলিশের ২৪ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি ঢাবিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাতারে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণ কাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কুমিল্লায় নিত্যপণ্যের বাজারে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৬ প্রতিষ্ঠানকে ২৪ হাজার টাকা জরিমানা এনসিটি এবং সিসিটি ১৫ বছর মেয়াদে বিদেশী অপারেটরকে পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার প্রতিবাদে স্কপ চট্টগ্রামের মানববন্ধন

বনের গাছ গিলে খাচ্ছে ফার্নিচার দোকানে,বনাঞ্চল ধ্বংসের পথে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২০
  • ৩৪১ বার

কক্সবাজার সদরের পিএমখালী সহ একাধিক জায়গায় ব্যাঙের ছাতার মত গজে উঠেছে লাইসেন্স বিহীন ফার্নিচারের দোকান, তৈরী হচ্ছে হরেক রকমের আসবাবপত্র, যারফলে সাবাড় হচ্ছে বনাঞ্চল। কক্সবাজার সদরের পিএমখালী ইউনিয়নের চেরাংঘাটা,সুইজগেইট ও খরুলিয়া বাজার সহ প্রতিটি গ্রামের মোড়ে মোড়ে গড়ে তুলেছে ফার্নিচারের দোকান। সেই দোকানে প্রতিদিন ব্যবহারিত হচ্ছে শতশত ফুট সেগুন, আকাশমনি সহ দেশী-বিদেশী জাতের হরেক রকমের গাছ।

পরিবেশবাদীদের শ্লোগান ‘গাছ লাগান পরিবেশ বাচাঁন’ কিন্তু বনখোকোরা প্রশাসন কে ফাঁকি দিয়ে প্রকাশ্যে বা গোপনে কিংবা বনবিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে বনের গাছ কেটেঁ স্বল্প মুল্যে ফার্নিচার দোকান মালিকদের বিক্রি করে বন সাবাড় করেই যাচ্ছে। পরিবেশবাদীরা আরো জানান, কার্বনডাই অক্সাইড ছাড়া কখনো জীবের প্রাণ বাচাঁনো সম্ভব নয় তাই গাছপালা কাটাঁ জন জীবনে চরম বিপর্যয়। আর এইসব ফার্নিচার দোকানগুলোতে বেশীর ভাগই বনের গাছ।

এইসব এলাকায় নিয়োজিত বনবিভাগের লোকজন দেখে ও না দেখার বাহানায় থাকে কিন্তু বনবিভাগের লোকজনকে সরকারী বেতনভাতা দিয়ে রেখেছে বনবিভাগের গাছপালা রক্ষার জন্য। সেই সরকারী ভাবে অর্পিত দায়িত্ব কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীগন বনাঞ্চল উজাড় করার পাশাপাশি পরিবেশ ধ্বংসকারীদের সাথে গোপন আতাঁত আছে বলে মন্তব্য করছেন এলাকার সচেতন মহল, না হয় কি করে প্রকাশ্যে দিন-দুপুরে ট্রাক, জিপ, টেলা, ট্রলিতে করে নিয়মিত বিভিন্ন প্রজাতের গাছ স-মিল থেকে ছিরাই করে ফার্নিচারের দোকানে নিয়ে যায়।

এলাকার সচেতন মহল জানান, বনবিভাগের অসাধূ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজসে (ন্ব-স্ব বিটের দায়িত্ব প্রাপ্তরা) মোটা অংকের টাকা খেয়ে ডিপো, এসিএফ, র‌্যাঞ্জ কর্মকর্তা সহ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অজান্তে কাঠচোর চক্রের সদস্যদের কাঠ পাচার, পাহাড় কাটাঁ সহ নানান অপকর্ম করার সুযোগ দিয়ে থাকে সেই সুযোগে প্রকাশ্যে কাঠচোর চক্রের সদস্যরা প্রধান সড়ক ভেয়ে বাগান থেকে গাছ কেটেঁ গাড়ী যোগে পাচার করে থাকে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net