1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
শরণখোলা উপজেলা উপ-নির্বাচন নৌকা’র গণসংযোগ, ধানের শীষ, লাঙ্গলের নীরবতা - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
মাগুরায় ট্রাকের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত  ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতে হবে: হাইকোর্ট প্রবাসী আয়ে স্বস্তির ধারা, ছয় মাসে বেড়েছে ১৩.১ শতাংশ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ইরানের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার কর্মসূচি বাস্তবায়নে লাকসামে নারী সমাবেশ ও সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত জালিয়াতির অভিযোগ: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের পদত্যাগ চন্দনাইশে ডেঙ্গু জ্বরে সাকিব আহমদের অকালমৃত্যু ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে অনুশীলনে গোলাবর্ষণের সময় আকস্মিক দুর্ঘটনায় কবিরহাটের আবুবক্কর সিদ্দিক নিহত  কোনো স্লিপার বাসের রেজিস্ট্রেশন দেয়নি বিআরটিএ: হাইকোর্টে প্রতিবেদন পলিথিনের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার বন্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

শরণখোলা উপজেলা উপ-নির্বাচন নৌকা’র গণসংযোগ, ধানের শীষ, লাঙ্গলের নীরবতা

মেহেদী হাসান, শরণখোলা (বাগেরহাট)

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২০
  • ৫৪৫ বার

আর মাত্র তিন দিন পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাগেরহাটের শরণখোলার উপজেলা পরিষদের উপ-নির্বাচন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শেষ মূহুর্তের প্রচারণায় নৌকার প্রার্থী। অন্যদিকে ধানের শীষ ও লাঙ্গলের প্রার্থীরা রয়েছেন নীরব। সরকারী দল আওয়ামী লীগের প্রার্থী রায়হান উদ্দীন আকন (শান্ত) প্রতিদিন নিয়ম করে গণসংযোগ করছেন। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মানুষের দ্বারে দ্বারে ভোট প্রার্থনা করছেন। করছেন গণসংযোগ, মিছিল মিটিং আর সমাবেশ। অন্যদিকে বিএনপি’র খান মতিয়ার রহমান ও জাতীয় পার্টীর অ্যাডভোকেট শহিদুল ইসলামকে মাঠে দেখা যাচ্ছে না। খান মতিয়ার রহমান একদিন মাত্র রায়েন্দা বাজারে লিফলেট বিতরণ করলেও আর কোন তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়নি।

অন্যদিকে শহিদুল ইসলামের প্রকাশ্য কোন তৎপরতা চোখে পড়েনি। আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা এই ‘নীরবতাকে’ ‘হারার আগে হেরে যাওয়া’ বলে অভিহিত করেছেন। আওয়ামী লীগ নেতা ওয়াদুদ আকন খুলনা গেজেটকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন দেখে আর শান্ত’র পরিবারের রাজনৈতিক ঐতিহ্য’র কারণে মানুষ অন্য কাউকে ভোট দিবে না। অন্য প্রার্থীরা এটা বুঝতে পেরে মাঠ ছেড়ে দিয়েছে।’ কয়েকজন বিএনপি কর্মী হতাশা প্রকাশ করে বলেন এখন তো মিছিল মিটিং করা যাচ্ছে, সুযোগ ছিল দলকে গুছানোর। জনগণ ভোট দিতে পারলে আমরাই জিততাম। কিন্তু প্রার্থী আমাদের হতাশ করেছে। এ বিষয়ে অনেক চেষ্টা করেও খান মতিয়ার রহমান ও শহিদুল ইসলামের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net