1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
অবিস্মরণীয় ৭ নভেম্বর : ঘরে ফেরার দিন - দৈনিক শ্যামল বাংলা
মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ১০:১৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
মাগুরার শ্রীপুরে কালবের উদ্যোগে মিউচ্যুয়াল এইড সার্ভিসেস ও লাইফ সেভিংসের বেনিফিট প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে নিখোঁজের একদিন পর বাড়ির সামনের পুকুর থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার  মাগুরার শ্রীপুরে কালবের উদ্যোগে মিউচ্যুয়াল এইড সার্ভিসেস ও লাইফ সেভিংসের বেনিফিট প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত নকলায় একাত্তরের মানবতাবিরোধী মিথ্যা মামলায় ৩ বিএনপি নেতার সাজা বাতিল ও মুক্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন  আনোয়ারায় একই চেয়ারে তিন বছরের বেশি মৎস্য কর্মকর্তা, ৭,৭৪৪ মৎস্যজীবীর তালিকা যাচাই ও প্রকাশের দাবি কুমিল্লায় প্রাডো গাড়িতে ৩ লাখ পিস ইয়াবা, আটক ২ বাংলাদেশে ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য অর্জনে সহায়তার আশ্বাস এডিবির গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অন্তহীন পথ চলছে সরকার : মাহদী আমিন নবীনগরে কিশোর গ্যাংয়ের হামলা-ভাঙচুরের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান ভাঙ্গুড়ায় ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে ১ যুবক আটক

অবিস্মরণীয় ৭ নভেম্বর : ঘরে ফেরার দিন

কবি আবদুল হাই শিকদার|

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২০
  • ৩২৮ বার

ইতিহাসে মাত্র দুবার ঘটেছিল ঘটনাটি । ১৭৫৭ এর পলাশী বিপর্যয়ের ঠিক ১০০ বছর পর ১৮৫৭ সালে ঘটেছিল প্রথমটি , কার্ল মার্কসের ভাষায় উপমহাদেশের প্রথম সর্বাত্মক স্বাধীনতার যুদ্ধ । সাদা চামড়ার ইতিহাসবিদ ও তাদের কলকাতার রাজাকাররা একে সিপাহী বিদ্রোহ বলে অবজ্ঞা করতে থেকেছেন সদা সচেষ্ট ।

দ্বিতীয় ঘটনাটি ঘটে প্রথমটির ১১৮ বছর পর , ৭ নভেম্বর ১৯৭৫ এ ।বাংলাদেশের সত্যিকারের ঘরে ফেরার দিন । জাতীয় সংহতি ও বিপ্লবের নিশানকে নি:শঙ্ক করতে ঘটেছিল সিপাহী জনতার অভ্যুত্থান ।

দু ক্ষেত্রেই জনতা ও সিপাহী শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াই করেছে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ।প্রথম পক্ষের দুশমন সাম্রাজ্যবাদ ও ঔপনিবেশবাদ । দ্বিতীয় পক্ষের শত্রু আধিপত্যবাদ ও তাদের দেশীয় সেবাদাসরা ।একটির আঁতুরঘর ব্যারাকপুর , অন্যটির জন্মগৃহ ঢাকা ।উভয় পক্ষই নেতা নির্বাচন করতে চেয়েছেন এমন কাউকে , যিনি সর্বজনমান্য , দেশপ্রেমিক এবং অঙ্গীকারে সমৃদ্ধ ।

সামন্ততান্ত্রিক সীমাবদ্ধতার কারণে ১৮৫৭ সালের সৈনিকরা পারেননি জনতার ব্যাপক অংশগ্রহন নিশ্চিত করতে । কিন্তু ৭ নভেম্বরের সৈনিকগণ জনজোয়ারে হয়েছেন মহিমান্বিত ।ভেদাভেদহীন লক্ষ্যে তারা এগিয়ে গেছেন ।
অন্য দিকে নেতৃত্বের বিভ্রান্তির কারণে বার বার থমকে গেছে ১৮৫৭-র মহাবিপ্লব ।

১৮৫৭-র নেতা বখত খান , আজিমউল্লাহ খান , তাতিয়া টোপী , আহমদ শাহ , নানা সাহেব , রানী লক্ষ্নী বাঈ , বেগম হযরত মহল , ফিরোজ শাহ যেই হোন না কেন , সত্যিকারের নেতা ছিলেন সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফর ।
৭ নভেম্বরের মূল চালিকা শক্তি জনতা ও সৈনিক ।নায়ক ছিলেন মাত্র একজন , জিয়াউর রহমান , স্বাধীনতার ঘোষক ও বীরযোদ্ধা এবং তারুণ্যে উদ্বেল ।

ঔপনিবেশিক শাসক ও তাদের এদেশীয় তাবেদারদের হাতে পরাজিত হন ১৮৫৭ সালের মহান স্বাধীনতার সংগ্রামীরা । তাঁদের প্রাণ দিতে হয় রণাঙ্গনে কিংবা ফাঁসির দড়িতে । কিন্তু সেই চেতনায় গাহন করা ৭ নভেম্বরের অবয়বে কোথাও গ্লানির চিহ্ন নেই ।
আজ গভীর শ্রদ্ধা ও মমতার সাথে স্মরণ করছি এই দুই রূপকথার কারিগরদের ।
আর সালাম পেশ করছি , সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফর ও শহীদ জিয়াউর রহমানের প্রতি ।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net