ঢাকা   ০৪:৩০:১৫ এএম, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
উপজেলা সহকারী ভূমি কর্মকর্তার অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ  ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় আমজাদ এন্টারপ্রাইজের কেমিক্যালের ড্রাম ব্যবসা, দূষণের ঝুঁকিতে কর্ণফুলী নদী, আতঙ্কে নোমান কলেজ রোডের বাসিন্দারা মাগুরায় নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত টঙ্গীর রাজনগরে জমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, মাফিজুরের গ্রেপ্তার দাবি ভুক্তভোগীদের নকলায় জাতীয় যুব দিবসে র‌্যালি, আলোচনা সভা ও ঋণ বিতরণ সাউন্ড গ্রেনেডে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ, মিরপুরে যান চলাচল স্বাভাবিক এইচএসসিতে অকৃতকার্যদের এক মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী মাগুরার শ্রীপুরে মাদ্রাসার ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ রাঙ্গাবালীতে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু,পরিবারের দাবি হত্যা 

হিজড়াদের অতিষ্ঠ লাকসামবাসী নাজেহাল করছে পথচারীদের

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৬ মার্চ, ২০২১
  • ৩৫৫ বার
  • ৫ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

এম, এ মান্নান কুমিল্লা বিশেষ প্রতিনিধি ঃ
হিজড়ারা টাকা তোলা নতুন কিছু নয়। আগে মানুষ যা দিত, তা নিয়েই খুশি থাকত হিজড়ারা। কিন্তু ইদানীং তাদের আচরণ বদলে গেছে। রাস্তাঘাট, বাসাবাড়ি, দোকানপাট যেখানে-সেখানে টাকার জন্য মানুষকে নাজেহাল করছে তারা।এছাড়া গায়ে হলুদ, জন্মদিন, আকিকাসহ সামাজিক নানা আচার অনুষ্ঠানে হঠাৎ এরা হাজির হয়ে চাঁদাবাজি করছেন।হিজড়াদের কেউ কেউ অভিযোগ করছে, উপজেলায় অনেক ‘নকল’ হিজড়া আছে, যাদের মূল উদ্দেশ্য মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বিনা পরিশ্রমে অর্থ উপার্জন করা। তাদের সঙ্গে তর্ক করলে যাত্রীদের আরও বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হয়।
গতকাল মঙ্গলবার দেখা যায়, হিজড়াদের একটি দল দৌলতগুন্জ বাজারে নোয়াখালী রেল গেট মোড়ের চতুর্দিকে সিগন্যাল পড়লেই দৌড়ে এসে যানবাহনে থাকা যাত্রীদের কাছে টাকা দাবি করছে, না দিলে যাত্রীদের অশ্লীল ভাষায় গালাগাল দিচ্ছে। পথে চলাচলকারী একটি বাসে উঠে পড়ে কয়েজন হিজড়া। প্রত্যেক যাত্রীর কাছে গিয়ে টাকা চাইতে থাকে। কেউ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলেই গায়ে হাত দিচ্ছিল, আজেবাজে কথা বলছিল। তারা বাস থেকে নেমে যেতেই একাধিক যাত্রী বললেন, হিজড়াদের টাকা আদায় এখন রীতিমতো উৎপাতে পরিণত হয়েছে। হিজড়াদের পুনর্বাসনের জন্য সরকারের এখনই ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। লাকসামে ভাসমান হিজড়াদের তৎপরতা ব্যাপক হারে বেড়েছে। ভিক্ষুকদের চাহিদার পরিমাণ না থাকলেও যারা হিজড়া তারা দলবেঁধে কিংবা দুই-তিনজনে গ্রুপ করে শহরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গিয়ে হাজির হচ্ছে। উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, লাকসাম উপজেলায় হিজড়াদের সংখ্যা প্রায় ১৪ জন। যাদের বেশিরভাগই উপজেলার বাইরের বলে জানা যায়। কাপড় ব্যবসায়ী সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন জানান, করোনার কারণে এমনিতেই ব্যবসা বাণিজ্য খারাপ যাচ্ছে সেখানে হিজড়াদের দাবিকৃত চাঁদা দিতে হচ্ছে। এক্ষেত্রে বেচা-বিক্রি হোক বা না হোক, ক্যাশে টাকা থাকুক বা না থাকুক, হিজড়াদের দাবিকৃত চাঁদা থেকে নিস্তার নেই। সমাজ সেবক এডভোকেট রফিকুল ইসলাম হিরা জানান,হিজড়াদের বেঁচে থাকার অধিকার আছে। আর বেঁচে থাকতে হলে খাদ্য, বস্ত্র, চিকিৎসার প্রয়োজন আছে। তবে তাদের মনগড়া দাবি বেদনাদায়ক। মাসুম বার্দাসের মালিক ইব্রাহিম মিয়া বলেন, অত্যন্ত আপত্তিকরভাবে তারা হাটে-ঘাটে, বাসা-বাড়িতে চাঁদা তুলে থাকে। সরকার এবং বিভিন্ন এনজিও হিজড়াদের নিয়ে কাজ করছে। তারপরও কেন তারা সাপ্তাহিক, মাসিক চাঁদা ওঠাচ্ছে বুঝতে পারছি না। উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। হিজড়াদের উৎপাতে লাকসামবাসী অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি