1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
আশুলিয়ায় শিশু হত্যা'র ১২ দিন পারহলেও বিচারহীনতায় ভুগছেন তার পরিবার - দৈনিক শ্যামল বাংলা
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : মীর হেলাল চন্দনাইশে কারিতাস বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ১,২৮০ বন্যার্ত পরিবার পেল নগদ সহায়তা, হাইজিন কিট ও ত্রাণ” চন্দনাইশের বরমায় ৩ হাজার ৫০০ বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে আবদুর রহিম চৌধুরী ফাউন্ডেশনের ত্রাণ বিতরণ জুলাই-আগস্টের শহীদদের স্মরণে ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল আল-মুঈন ত্রাণ তহবিল কর্তৃক বন্যাদুর্গতদের নগদ অর্থ বিতরণ কিশোরগঞ্জে ৭ম শ্রেণীর স্কুলছাত্রী অপহরণ, সপ্তাহ পরেও হয়নি উদ্ধার মাগুরায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা  শুরু শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২২ কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক উধাও, থানায় অভিযোগ সোনারগাঁয়ে কুপিয়ে হত্যা: বিএনপি নেতাসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ চকবাজার থানা কমিটি কর্তৃক সাইবার ইউজার দলের ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে গুজব/তথ্য সন্ত্রাস প্রতিরোধে সচেতনতামূলক আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

আশুলিয়ায় শিশু হত্যা’র ১২ দিন পারহলেও বিচারহীনতায় ভুগছেন তার পরিবার

বিশেষ প্রতিবেদকঃ

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১ মে, ২০২১
  • ২৫৫ বার

সাভার উপজেলার আশুলিয়া নরসিংহপুরে শিশু হত্যার ঘটনা ঘটেছে।

প্রতক্ষদর্শী সুত্রে জানাযায়, ভুঁয়া নার্স নাজমা ও ঔষোধ বিক্রেতা আজিজুলের বিরুদ্ধে নবজাতক শিশুকে গ্যাসের চুলায় তাপ দিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। আর এই নবজাতক শিশু হত্যার ঘটনাটি টাকার বিনিময় ওপুলিশ প্রশাসনের ভয় দেখিয়ে ধামাচাপা দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী মহল।

ঘটনার দিন গত ১৯এপ্রিল বুধবার সকালে প্রসুতি মা জাহানারা বেগমের মাতৃত্বকালীন প্রসব ব্যাথা উঠলে প্রসুতির স্বামী কামরুল ইসলাম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য সকল প্রস্তুতি নেন। ঠিক সে সময় স্থানীয় ঔষধ বিক্রেতা ফার্মাসিস্ট নামধারী আজিজুল কাজী বিষয়টি জানতে পারে এবং প্রসুতি জাহানারা বেগমের ভাড়া বাসায় গিয়ে হাসপাতালে না নেওয়ার জন্য পরামর্শ দেন।

এবং বিভিন্ন ভাবে ফুসলিয়ে ভালো নার্স দিয়ে খুব অল্প টাকায় বাসায় ডেলিভারি করিয়ে দিবে বলে আশ্বাস দেন। এতে শিশুটির পরিবার রাজি না হওয়ায় আজিজুল কাজী বলেন,হাসপাতালে নিয়ে গেলে কাটাছেড়া ও জীবন নষ্ট করে ফেলবে। আজিজুল কাজীর এ রকম কথা শুনে ভয়পেয়ে তার চাওয়া চুক্তি মত ৬ হাজার টাকায় একপর্যায়ে বাসায় বাচ্চা প্রসব করাতে রাজি হন তারা। এরপর ঔষধ বিক্রেতার ভুলভাল ঔষধে এবং ভুঁয়া নার্স নাজমা মর্ধ্যযুগীয় কায়দায় বাচ্চা প্রসব করালে,বাচ্চা ও বাচ্চার মায়ের অবস্থা আশংকা জনক হয়ে দারায়।

এল পর্যায়ে বাচ্চার শ্বাস প্রশ্বাস এবং কোন কান্নাকাটির সাড়া শব্দ না পাওয়ায় নার্সনামধারী নাজমা বাচ্চাটির দুই পা উপরে ঝুলিয়ে গ্যাসের চুলায় আগুন জালিয়ে ২০ থেকে ৩০ মিনিট মাথায় তাপ দেন। এতে নবজাতক শিশুটির মাথায় রক্ত জমাট বেধে গেলে আরো গুরুতর অবস্থা আকার ধারণ করে। এ অবস্হা দেখে তাৎক্ষনিক ভাড়া বাড়ির মালিক আমেনা বেগম ও স্থানীয় লোকজন দুইজনকে নারী ও শিশু সাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে গেলে সেখানকার কর্তবরত চিকিৎসকগণ বলেন তাদের অবস্থা খুব আশংকা জনক এবং বাচ্চাটিকে বাচানো সম্ভব নয় বলেও ঘোষণা দিয়ে চিকিৎসা সেবা দেন।

এবং পরদিন দুপুরে নবজাতক শিশুটির মৃত্যু হয়।শিশুটির মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পরলে তুমুল আলোচনা সমালোচনা ও উশৃংখল পরিবেশ সৃষ্টি হয়। ঘটনাটি যেন বেশি ছড়িয়ে না পরে এমনকি প্রশাসন অব্দি না পৌঁছায়। তাই দ্রুত দাফন কাফন করার জন্য ঘটনার সাথে জরিত ব্যাক্তিরা উল্টো কোন প্রকার অভিযোগ ছাড়াই টাকার বিনিময়ে পুলিশ এনে ভয়ভীতি দেখায় এবং ইয়ারপুর ইউনিয়ন ৫ নং ওয়ার্ড এর মেম্বার বকুল হোসেন সরকারসহ সাবেক মেম্বার আকাশ পালোয়ান, সাবেক মেম্বার মনতাজ মন্তা,স্থানীয় ব্যাক্তি হায়দার আলী,মুক্তা আরো কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যাক্তির পরামর্শ ও দলিয় প্রভাবে তাড়াহুড়ো করে দাফন করতে বাধ্য হয় নবজাতক শিশুটির পরিবার।

শুধু তাই নয় মৃত নবজাতক শিশুর বাবা ও দাদার কাছে সাদা কাগজ ও স্টাম্পে জালিয়াতি করে সই সাক্ষর ও নিয়েছেন বলে জানা যায়।

মৃত নবজাতক শিশুটির বাবা বলেন আমার স্ত্রী হাসপাতালে ভর্তি থাকা অবস্থায় খুনি ঔষধ বিক্রেতা আজিজুল কাজী তার বড় ভাই হানিফ কাজী ও পল্টন থানার এস আই আব্দুল্লাহ সহ আরো একজন পুলিশের লোক আমার স্ত্রীর হাসপাতালের সমস্ত বিল পরিষোধ করার কথা বলে আমাদের কাছে সাক্ষর নেয়।

পরে জানতে পারি সেটা ছিল আমার মৃত সন্তানের না দাবির একটি চুক্তি পত্র। এখনো পযন্ত এব্যাপারে থানায় কোন অভিযোগ হয়েছে কিনা জিগ্গাসা করলে মৃত শিশুটির বাবা মা জানান তাঁরা খুব খারাপ লোক আমরা তাদের ভয়ে থানায় যায়নি তাছাড়া এখানকার ইউপি সদস্য বকুল হোসেন সরকার বিষয়টি মিমাংসা করে দিবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।

কিন্তু এখনো পযন্ত কোন মিমাংসা করে দেননি তারা।বরং উল্টো আমাদের পুলিশের ভয় দেখাচ্ছে আজিজুল কাজী ও তার ভাই হানিফ কাজী।সমস্ত ঘটনার বিষয়াদি নিয়ে ৫ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য বকুল সরকারের সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমি বিষয়টি শুনেছি কিন্তু কোন মিমাংসা করে দেওয়ার কথা বলিনি।
ঘটনার সত্যতা জানতে অভিযুক্ত ভুঁয়া নার্স এর যোগাযোগ করতে চাইলে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। আর একজন অভিযুক্ত আজিজুল কাজী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন সমস্ত কিছু আমার বড় ভাই হানিফ কাজী দেখভাল করতেছেন যা করবেন আমার বড় ভাই করবেন।

নবজাতক শিশুটির মৃত্যুর বিষয়ে আশুলিয়া থানায় যোগাযোগ করলে তারা বলেন এখন পযন্ত এমন কোন অভিযোগ পায়নি অভিযোগ পেলে অবশ্যই যথাযথ ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। তথ্য সংগ্রহ কালে উপস্থিত স্থানীয় লোকজন বলেন আজিজুল কাজী এর আগেও এরকম একাধিক ঘটনা ঘটিয়েছে কিন্তু তার বড় ভাই হানিফ কাজীর কিছু প্রভাবশালী ব্যাক্তির সাথে উঠা বসা থাকায় কেউ অভিযোগ করার সাহস পাইনা।এদের বিরুদ্ধে খুব দ্রুত জরালো পদক্ষেপ নেওয়া উচিৎ।আর তা না হলে আরো অনেক প্রসুতি মাকে সন্তান হারা হতে হবে।

এদিকে এলাকা বাসী ও হাসপাতাল সুত্রে জানাযায় গর্ভবতী নারী জাহানারা বেগমের গর্ভপাত ঘটানোর সময় তার অতিরিক্ত রক্তখরণ ও এগারোটা সেলাই পরায় তার শারীরিক অসুস্থতার জন্য দীর্ঘদিন চিকিৎসকের আওতাধীন থাকা দরকার হলেও অর্থের অভাবে চিকিৎসার অভাবে মৃত্যুর কোলে ঢলে পরতে পারে।

এ বিষয়ে এলাকাবাসী সহ ভুক্তভোগীর পরিবার সকলের কাছে এর উপযুক্ত বিচার দাবি করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net