1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
আলোচিত মিতু হত্যাকান্ডের আসামী মুছার সিকদারের স্ত্রীর নিরাপত্তা চেয়ে থানায় জিডি - দৈনিক শ্যামল বাংলা
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
ডিআইজি-অতিরিক্ত ডিআইজিসহ পুলিশের ২৪ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি ঢাবিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাতারে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণ কাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কুমিল্লায় নিত্যপণ্যের বাজারে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৬ প্রতিষ্ঠানকে ২৪ হাজার টাকা জরিমানা এনসিটি এবং সিসিটি ১৫ বছর মেয়াদে বিদেশী অপারেটরকে পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার প্রতিবাদে স্কপ চট্টগ্রামের মানববন্ধন হাজী আব্দুল মালেক ভূঁইয়ার মৃত্যুবার্ষিকীতে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে জেলা পুলিশের আয়োজনে আসন্ন দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  জনগণকে দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী বিবাহ নিবন্ধন যুক্ত হবে এনআইডি ও পাসপোর্টে: আইনমন্ত্রী বিয়ে নিবন্ধন হবে অনলাইনে, সহজেই জানা যাবে আগের বিয়ের তথ্য: আইনমন্ত্রী

আলোচিত মিতু হত্যাকান্ডের আসামী মুছার সিকদারের স্ত্রীর নিরাপত্তা চেয়ে থানায় জিডি

আশিক এলাহী,রাঙ্গুনিয়া,চট্টগ্রাম

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১ জুন, ২০২১
  • ৩১৩ বার

নিজের নিরাপত্তা চেয়ে সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার আসামী কামরুল ইসলাম সিকদার ওরফে মুছা সিকদারের স্ত্রী পান্না আক্তার চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। মঙ্গলবার (১ জুন) দুপুরে তিনি বাদী হয়ে সাধারণ ডায়েরি করেন। রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব মিলকী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সাধারণ ডায়েরীতে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালের ৫ জুন চট্টগ্রাম নগরীতে প্রকাশ্য মাহমুদা খানম মিতুকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করার পর বিভিন্ন মুঠোফোন নম্বর থেকে কল করে পান্না আক্তারকে হুমকি দেওয়া হয়। নম্বরগুলো সংরক্ষণ করা হয়নি। গতকাল আদালতে জবানবন্দী দেওয়ার কারণে ক্ষতি করার আশংকা প্রকাশ করেন তিনি। সে জন্য সাধারণ ডায়েরী করেছেন।

সাধারণ ডায়েরীতে আরও বলা হয়েছে, পান্না আক্তার সাক্ষী হিসেবে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দিয়েছেন। তিনি জবানবন্দীতে মুছার জড়িত থাকার কথা উল্লেখ করেন। ২০১৬ সালে মিতু হত্যাকান্ডের পর আসামী মুছা সিকদার আত্মসমর্পণ করার চিন্তা করেছিলেন। কিন্তু আত্মসমর্পণ করার আগে পুলিশের গোয়েন্দা সংস্থার পরিচয় দিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যান। এখনো তার কোনো খবর মিলেনি। মিতুর স্বামী বাবুল আক্তারের সোর্স হিসেবেও পরিচিত ছিলেন মুছা সিকদার।

চট্টগ্রাম নগরীর নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলে দিতে খুন হয় মাহমুদা খানম মিতু। তখন স্বামী বাবুল আক্তার ঢাকায় কর্মরত ছিলেন। বাবুল আক্তার চট্টগ্রামে ফিরে নগরীর পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামী করে একটি হত্যা মামলা করেন।

এক পর্যায়ে বাদী বাবুল আক্তারের বিরুদ্বেই হত্যায় জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়। বাবুল আক্তার বাদী থেকে হয়ে যায় মামলা আসামী। তিনি বর্তমান ফেনী কারাগারে রয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net