1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
ঈদগাঁওতে মন্দিরের নামে বানিজ্যিক ভবন, সনাতন সম্প্রদায়ের নেতারা ক্ষুদ্ধ! - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:২৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
নোয়াখালীতে আবাসিক হোটেলে অভিযান,অসামাজিক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে ১২ জন গ্রেফতার  চন্দনাইশ থানা পুলিশের অভিযানে হত্যা মামলা সহ ৩ আসামী গ্রেফতার মসজিদে তালা মারার হুমকি নিউজ করায় সাংবাদিকের ওপর হামলা  মাগুরায় সড়ক দুর্ঘটনায় ২ মোটরসাইকেল  আরোহী নিহত, আহত- ১ নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ঘুম থেকে উঠে শিশুর নিথর দেহ, হত্যার অভিযোগ বাবা-মায়ের পরস্পরের বিরুদ্ধে  বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মাগুরায় বৃক্ষরোপণ অভিযান, বৃক্ষ ও ফল মেলার উদ্বো রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে রোগ প্রতিরোধই সরকারের মূল লক্ষ্য : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট আজ

ঈদগাঁওতে মন্দিরের নামে বানিজ্যিক ভবন, সনাতন সম্প্রদায়ের নেতারা ক্ষুদ্ধ!

কক্সবাজার প্রতিনিধি।
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৯ জুন, ২০২১
  • ৪১৮ বার

কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁও কেন্দ্রীয় কালি মন্দির সংস্কারের নামে বরাদ্দ এনে বানিজ্যিক ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।

এ নিয়ে সনাতন সম্প্রদায়ের লোকজনের মাঝে চাপাক্ষোভ বিরাজ করছে।

অপরদিকে ভবন নির্মানেও নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করছে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

যদিওবা মন্দির কমিটির নেতারা জানিয়েছেন এটি শিবমন্দিরের জন্য ভবন করা হচ্ছে। সনাতন সম্প্রদায়ের সচেতন মহল দাবী করছে এটি শিবমন্দির নাকি বানিজ্যিক ভবন তা এখনো স্পষ্ট নয়।

তারা জানিয়েছেন পুরাতন কালি মন্দির সংস্কারের জন্য বরাদ্দ হলেও পূজা উদযাপন কমিটির নেতারা সরকারের সাথে প্রতারণার করেছে।

ঐতিহ্যবাহী কালি মন্দির সংস্কার না করে শিবমন্দির নির্মাণ করা অযৌক্তিক৷ এমন সময়ে শত বছরের পুরাতন মন্দিরটি সৌন্দর্য রক্ষা করতে বরাদ্দের আবেদন করা হয়।

পুরাতন কমিটির অধিকাংশ নেতাকর্মী ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।

খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে, ধর্ম মন্ত্রনালয়ের অধিনে সারাদেশে মসজিদ, মন্দির, গীর্জা সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হয়। হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্টের সহযোগিতায় ঈদগাঁও কেন্দ্রীয় কালি মন্দির সংস্কারের জন্য ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেন ট্রাস্টি । সংস্কারের কাজটি পান সুমন শর্মা নামের জনৈক ঠিকাদার।

বরাদ্দ হওয়ার পর মন্দির কমিটির নেতারা ট্রাস্টির তদন্ত টিমকে ভুল বুঝিয়ে কৌশলে শতবছরের ঐতিহ্যবাহী কালি মন্দিরটি সংস্কার না করে শিবমন্দির নির্মাণের নামে নিজেদের জন্য বানিজ্যিক ভবন নির্মাণ করে আসছে।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ঠিকাদার সুমন শর্মাও স্বীকার করেন এটি কালি মন্দির সংস্কারের জন্য বরাদ্দ হয়েছে। তিনি লটারীর মাধ্যমে কালি মন্দির সংস্কারের কাজটি পেয়েছে। কালি মন্দির সংস্কার না করে অন্য একটি ভবন নির্মাণ করছেন কেন জানতে চাইলে এ ঠিকাদার বলেন, এসব বিষয়ে জানতে কালি মন্দির কমিটির নেতাদের সাথে যোগাযোগ করেন।

ভবন নির্মাণে নিম্ন মানের সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে কেন জানতে চাইলে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ দিতে বলেন।

পূজা উদযাপন কমিটির সাবেক এক নেতা জানান, তাদের দায়িত্বকালীন সময়ে হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্টের আর্থিক সহযোগিতা চেয়ে একটি আবেদন করা হয় পুরাতন মন্দিরটি সংস্কারের জন্য।

দীর্ঘদিন পর সেটি অনুমোদন হয় ১০ লাখ টাকায়। এর সাথে যোগ হয় স্থানীয় সরকার ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীনের নিজস্ব তহবিল থেকে ৫ লাখ টাকা।

সর্বমোট ১৫ লক্ষা টাকা জমা থাকলেও অধিক ব্যয় অনুমান করে পুরাতন মন্দিরটি সংস্কারের সিদ্ধান্ত নেয়নি।

ফলে মন্দিরের সাথে সংশ্লিষ্ট পূজা উদযাপন কমিটির নেতা, পূজারী, ভক্তদের মাঝে চাপাক্ষোভ বিরাজ করছে।

তারা বলছে মন্দিরের নামে বরাদ্দ এনে নতুন ভবন না করে অন্য একটি ভবন নির্মাণ কার স্বার্থে করা হচ্ছে তা তাদের বোধগম্য নয়। সামনে কোন ধরণের নকশাযুক্ত সাইনবোর্ড,ফলক না থাকায় ভাবিয়ে তুলেছে সচেতন সনাতনী সম্প্রাদায়ের লোকজনের মাঝে।

তাদের মতে এটি শিবমন্দির হচ্ছে নাকি ব্যক্তি বিশেষের সুবিধার্থে বানিজ্যিক ভবন হচ্ছে তা খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কেন্দ্রীয় কালি মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক অশোক আচর্য্য জানান ,ঈদগাঁওর সনাতন সম্প্রদায় দুই মেরুতে অবস্থান করছে, বর্তমান কমিটি ভাল দিক গুলো এক পক্ষ মেনে নিতে পারছে না। ভবনটির জন্য যখন বরাদ্দ হয় তখন কাজটি ঝুলে থাকছিল। ফলে বরাদ্দের অর্থ গুলো গচ্চা যাচ্ছিল তাই ভবনটি করে শিবমন্দির হিসেবে ব্যবহার করা হবে বলে জানান এ নেতা৷

তিনি অধিকতর জানতে সভাপতি উত্তম রায় পুলকের সাথে যোগাযোগ করতে বলেন।

উত্তম রায় পুলকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ট্রাস্টি বোর্ডের সাথে যোগাযোগ করতে বলেন। হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাষ্টি বাবুল শর্মার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে পাওয়া গেলে গুরুত্ব সহকারে ছাপানো হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net