1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
রামগড়ে শান্তিবাহিনীর গণহত্যার ৩৫ বছর, ক্ষতিপূরণের দাবী ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
কুমিল্লায় ধানক্ষেত থেকে নিখোঁজ কিশোরীর লাশ উদ্ধার, পাশে পরিত্যক্ত সিএনজি লালমাইয়ে ধানক্ষেতের পাশ থেকে স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার শ্রীনগরে মাদ্রাসায় শিক্ষককে অব্যাহতির ঘটনায় অপপ্রচারের অভিযো জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের প্রধান আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হলেন মাগুরার অ্যাড. কাজী আব্দুর রশিদ বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকর আর নেই যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি: প্রতিযোগীদের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ নোয়াখালীর বসুরহাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জামায়াতে ইসলামীর লিফলেট বিতরণ রামগড় ৪৩ বিজিবির জব্দকৃত প্রায় ৩ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস ভিক্টোরিয়ার শিক্ষার্থীদের জন্য পূবালী ব্যাংকের বাস উপহার কিশোরগঞ্জে সংবাদপত্র হকারদের পাশে জেলা প্রশাসক, উচ্ছ্বসিত হকাররা

রামগড়ে শান্তিবাহিনীর গণহত্যার ৩৫ বছর, ক্ষতিপূরণের দাবী ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের

রামগড় (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি:
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৩ জুলাই, ২০২১
  • ৩৯৪ বার

খাগড়াছড়ি জেলার রামগড় উপজেলার পাতাছড়া ইউনিয়নের ডাকবাংলা পাড়ায় তৎকালীন পাহাড়ের সন্ত্রাসী সংগঠন শান্তিবাহিনীর দ্বারা গণহত্যা সংঘটিত হয়। গণহত্যার ৩৫ বছর অতিবাহিত হলেও নিহত পরিবারগুলো আজও নিজ ভিটায় ফিরতে পারেনি, পায়নি ক্ষতিপূরণ। গণহত্যার এইদিনে সরকারের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবী করেছেন নিহতদের পরিবার ও স্থানীয়রা।

১৯৮৬ সালের ১৩ জুলাই সন্ত্রাসীদের ঘটানো গণহত্যায় নিহতদের গণকবর সংরক্ষণের পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির পূর্ববর্তী সময়ে তিন পার্বত্য জেলায় সংগঠিত বিভিন্ন গণহত্যার নথিপত্রে রামগড়ের পাতাছড়া গণহত্যার ঘটনা প্রকাশ করতে এবং বাস্তুভিটাহীন পরিবার গুলোকে নিজ ভূমিতে ফেরত পাঠানো, প্রয়োজনীয় ক্ষতিপূরণসহ পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় গণহত্যার প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহতদের স্বজনরা।

পাতাছড়ার বাসিন্দা ও তৎকালীন আনসার সদস্য মোঃ মমতাজ মিয়া সেদিনের বর্বরোচিত ঘটনা সম্পর্কে বলেন, পাহাড়ের তৎকালীন শান্তিবাহিনীর একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসীর এলোপাতাড়ি গুলি ও অগ্নিসংযোগে সেদিন নিহত হয়েছিল ৫ শিশুসহ ৭ জন। কয়েকদিন পর ঘটনাস্থলের খুব কাছ থেকে আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার করেছিল স্থানীয়রা। একই বছরের ১৩ আগস্ট আরও এক নিরহ গ্রামবাসীকে গুম করে নিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। প্রথম দিনের ঘটনায় নিহতদের গণকবরে ঠাঁই হলেও পরবর্তীতে নিহতদের কপালে তাও জুটেনি। নিরিহ গ্রামবাসীর ওপর পরপর এমন হামলায় ভয়ে পালিয়ে অন্যত্র চলে গিয়েছিল ২ শতাধিক পরিবার। কয়েক বছর পর নিজেদের বাস্তুভিটায় ফেরার চেষ্টা করলেও তৎকালীন পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রশাসন ফিরতে দেয়নি তাদের। সব মিলিয়ে ৩৫ বছরেও ফেরা হয়নি নিজ বসত ভূমিতে।

স্বজন হারা নজরুল ইসলাম বলেন, সেদিনের ঘটনায় ১৪টি গুলিবিদ্ধ হয়ে আমার মায়ের মৃত্যু হয়। সন্ত্রাসীরা আমাদের বাড়ীঘর জ¦ালিয়ে দেয়। আজও আমরা নিজ ভিটায় ফিরতে পারেনাই। প্রয়োজনীয় ক্ষতিপূরণসহ পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করার জন্য সরকারের কাছে দাবী জানাচ্ছি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net