1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
৫৮০ বছর পর দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ শুক্রবার - দৈনিক শ্যামল বাংলা
সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
খাগড়াছড়িতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের খাদ্য সহায়তা দিলেন পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল ভাঙ্গুড়ায় মোবাইল কোর্টে ৬৫টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ ও ধ্বংস চট্টগ্রাম জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা : বন্যা পরবর্তী পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় গুরুত্বারোপ আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার, কারিগরি শিক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব: এমপি জসিম উদ্দিন বিদ্যুতের খুটি থেকে কৃষিজমিতে ছিঁড়ে পড়ে তার : ফটিকছড়িতে দুই কৃষকের মৃত্যু ফেনীতে ডিবির অভিযানে ১৫ জুয়াড়ি গ্রেফতার, আদালতে সোপর্দ চাটমোহরে বিশেষ অভিযানে ছাত্রলীগ সভাপতি ও আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেফতার ঈদগাঁওয়ে চিকিৎসা সংকট, কাঙ্ক্ষিত সেবা বঞ্চিত জনগন, জোড়াতালি দিয়ে চলছে উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশি খাদ্যপণ্যের সম্ভাবনা বাড়ছেঃ ইউনিডেক্সের এম্বেসেডর কক্সবাজারে ৬১ জন অসহায়,দরিদ্রের মাঝে বিশেষ অনুদানের চেক বিতরণ করলেন এমপি লুৎফুর রহমান কাজল

৫৮০ বছর পর দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ শুক্রবার

এম এ জব্বার।
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২১
  • ৮৮৮ বার

আগামীকাল শুক্রবারের চন্দ্রকে (ব্লাড মুন ) হিসেবে দেখতে হবে। দীর্ঘ সময় ধরে খন্ডিত গ্রাসে। এতটা সময় ধরে দেখা যায়নি গত ছয় শতাব্দীতে এবং দেখা যাবে না চলতি শতাব্দীতে।
সময়ের নিরিখে বিরলতম চন্দ্রগ্রহণ হবে শুক্রবার। পূর্ণিমার দিনে খণ্ডগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ। দেখা যাবে টানা তিন ঘণ্টা ২৮ মিনিট ২৩ সেকেন্ড। চাঁদের রং হবে প্রায় রক্তের মতো লাল। তাই তার নাম ‘ব্লাড মুন’ বা ‘বিভার মুন’।
এই শতাব্দীতে আর এতটা সময় ধরে খণ্ডগ্রাসের ব্লাড মুন দেখা সম্ভব হবে না।

এটাই এ বছরের দ্বিতীয় ও সর্বশেষ চন্দ্রগ্রহণ। প্রথমটি হয়েছিল গত ২৬ মে। এ বছরে সূর্যগ্রহণও হওয়ার কথা দু’টি। একটি হয়ে গিয়েছে গত জানুয়ারিতে। দ্বিতীয়টি হবে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে।
আমেরিকার গবেষণাপ্রতিষ্ঠান “নাসা ” জানিয়েছে ৫৮০ বছরের মধ্যে দীর্ঘতম খণ্ডগ্রাস চন্দ্রগ্রহণটি দেখা যাবে চিন, জাপান, উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া,তাইওয়ান,হংকং, মঙ্গোলিয়া,ম্যাকাও-সহ গোটা পূর্ব এশিয়ায়। অস্ট্রেলিয়া, উত্তর ইউরোপে। উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকায়। প্রশান্ত মহাসাগর ও লাগোয়া দেশগুলিতেও। খণ্ডগ্রাস চূডা়ন্ত মুহূর্তে পৌঁছবে বাংলাদেশ সময় শুক্রবার দুপুর ২টা ০২ মিনিটে। এই শতাব্দীতে এতটা বা এর চেয়ে বেশি সময় ধরে খণ্ডগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ আর হবে না। তবে বাংলাদেশ থেকে এই গ্রহণ দেখা যাবে না।

পূর্ণিমার চাঁদের আকারের চেয়ে কিছুটা ছোট হবে শুক্রবারের চাঁদ। পৃথিবীর ছায়ায় সেই চাঁদের ৯৭.৪ শতাংশই ঢাকা পড়ে যাবে। ফলে আক্ষরিক অর্থে খণ্ডগ্রাস হলেও চন্দ্রগ্রহণ অনেকটা যেন পূর্ণগ্রাসই।
এবারের পূর্ণিমার চাঁদের রং অবশ্য পুরোপুরি লাল হবে না। পৃথিবীর ছায়া ঢাকতে পারবে না বলে চাঁদের মাত্র ৩ শতাংশ আলোকিত হবে সূর্যালোকে।
প্রদক্ষিণের পথে পূর্ণিমার চাঁদ পৃথিবীর ছায়ার মধ্যে পুরোপুরি ঢুকে গেলেই হয় পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ।

প্রতি মাসেই অমাবস্যার চাঁদ পৃথিবী আর সূর্যের মধ্যে থাকে। ফলে চাঁদের এক পিঠে যখন সূর্যের আলো পড়ে তখন পৃথিবীর দিকে থাকা চাঁদের অন্য পিঠে সেই আলো পৌঁছয় না। তাই পৃথিবী থেকে দেখা যায় না অমাবস্যার চাঁদ। প্রদক্ষিণ করে সেই চাঁদ পৃথিবীর অন্য দিকে গেলে তা পূর্ণিমার চাঁদ হয়ে ওঠে। পৃথিবীর সেই দিকে তখন সূর্যের আলো পৌঁছয় না।
চাঁদ সূর্যকে পুরোপুরি ঢেকে দিতে পারলে হয় পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ। না পারলে হয় আংশিক সূর্যগ্রহণ বা সূর্যের বলয়গ্রাস। কিন্তু চাঁদ তার কক্ষপথে একটু ঝুঁকে থাকে বলে অমাবস্যার চাঁদ সব সময়েই সূর্যের মুখ পুরোপুরি বা আংশিক ভাবে ঢেকে দিতে পারে না। তাই অমাবস্যায় সাধারণত আমরা চাঁদ দেখতে পাই না।

তথ্যসূত্র ইন্টারনেট।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net