ঢাকা   ০৯:৪৭:৩০ এএম, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
জাপান সফর শেষে দেশে  ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী চার দিনের সফর শেষে টোকিও ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী কুমিল্লায় বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা সমিতির ৫৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত মাগুরার বিনোদপুরে ১০ম বার্ষিক তাফসীরুল কুরআন মাহফিল ও ইছালে সওয়াব অনুষ্ঠিত মাগুরায় হত্যা মামলায় সাবেক ওসি বিপ্লব কুমার নাথ ও এসআই ইসমাইল কারাগারে খাদ্যের উন্নত মান ও স্বাদে আস্থার নাম ‘সাদিয়া’স কিচেন’ প্রদৃপ্ত প্রকল্পের, ৯০ জেলের মাঝে সুরক্ষা উপকরণ বিতরণ নাঙ্গলকোটের মক্রবপুরে বিএনপি’র দুই পক্ষের বিরোধ প্রকাশ্যে; যুবদলের মিছিলে হামলা,আহত-৯ এনসিপির শিল্প, বাণিজ্য, অর্থ ও পরিকল্পনা উপ-কমিটির সদস্য মনোনীত হলেন চৌদ্দগ্রামের কাজী ফখরুল ইসলাম আহ্ছানিয়া মিশনের উদ্যোগে রংধনু ইউসিএলসিতে বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ–২০২৬ উদযাপন

পার্বত্য চট্রগ্রামের বেতের তৈরি পাহাড়িদের সংস্কৃতি ফুলবারেং

রাজস্থলী(রাঙ্গামাটি ) প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৮ মে, ২০২২
  • ৫৩০ বার
  • ৪ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

ছবিটি দেখলে হয়তো কেউ বলবেন এটা কি ? আজকাল যদি কম বয়সের লোকদের দেখানো হয় বা বলা হয় বলবে জানিনা।জানবেন বা কি করে।আন্দাজে কি বলবে। তাই সবার মনে জানবার ইচ্ছা-জিগাংসা।
এই ঝুড়ি ও ছোট্ট কাপড়টি হচ্ছে,পাহাড়ীদের হারিয়ে যাওয়া, লুকায়িত ও বিলুপ্ত প্রায় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য’র একটি অংশ।চাকমা ভাষায় বলা হয় ফুলবারেং।আর নকঁশা তৈরি কাপড়টি হচ্ছে আলাম।অন্য দিকে তঞ্চঙ্গ্যা ভায়ায় বলা হয় ফুঁ কালং ও আলাম।ভিন্ন সম্প্রদয়ের ভিন্ন রকমের নাম ও ভিন্ন ভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। জানা যাক ফুল বারেং কি-পরম ধৈর্য্য নিঁপুণ বুননে একটি বেতের তৈরি ঝুড়ি।তাই এই ঝুড়ি কে বলা হয় ফুলবারেং।এক একটি ঝুড়ি যেন এক একটি শিল্প কর্ম ও কারুকাজ।মূলতঃ শুভ বিবাহের জন্য ব্যবহার করা হয় ফুলবারেং’টি।বিয়ের দিন-ই একমাত্র বরের পক্ষ থেকে কনের অলংকার, পোশাক পরিচ্ছদ ও যাবতীয় সরঞ্জামাদী নেওয়া কনের বাড়ীতে এ-ই ফুলবারেং দিয়ে।প্রাচীনকাল থেকে শুরু করে বর্তমামেরও এই রীতি প্রচলন রয়েছে।থাকলেও বর্তমানে এ রকম ঝুড়ি তৈরি করা বেত শিল্পী পাওয়া খুবই কঠিন ব্যাপার। বলতে গেলে নাই।এজন্য এখনকার বিবাহ সম্পন্ন করে সাধারণ ফুল বারেং দিয়ে। সে ধনী হোক কিংবা গরীব হোক।

তাই খুবই রেয়ার।একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যে,পেশাগত ঝুড়ি তৈরি করা ঐতিহ্য গত শ্রম শিল্পী বা কারিগর না থাকার কারনে এ-ই ফুলবারেং’টি প্রায় বিলুপ্তির পথে। তহলে এবার জানা যাক আলাম কি-পাহাড়ী মেয়েদের পোশাকে উপরে একটি অংশ থাকে সেটাকে বলা হয় হাদি।এই হাদিতে বিভিন্ন ধরনের নকঁশা বোনা হয়,নকঁশাগুলো এক সাথে সংরক্ষণ করে তৈরি হওয়া কাপড়কে আলাম বলে।পরবর্তীতে বিভিন্ন ধরনের নকঁশা তুলে হাদি বুনানো হয় এবং নকঁশা তুলা হয়।তাই আলমের নকঁশাগুলো কে ফুল বলা হয়।এগুলো আলামে উল্লেখযোগ্য ফুল বা জু বলা হয়।স্থানীয় ভাষায় জু বিভিন্ন ধরনের হতে পারে।যেমন- বেগুন বিচি ফুল, কুয়া চুগ ফুল,জুনিপুগ ফুল,গুমচগলা ফুল,সাবকাঙাল ফুল ইত্যাদি ইত্যাদি।অর্থাৎ এককথায় বলতে গেলে যত রকমের ফুল আছে ঐ ফুলগুলো আলামে তুলা হয়। হাদি বুনানোর সময়ে কোন ফুলের পরে কোন ফুলটা সাজিয়ে দিলে হাদিতা আরো বেশী সুন্দর ও আকর্শনীয় দেখাবে।
তাই হারিয়ে যাওয়া লুকায়িত, বিলুপ্ত প্রায় সংস্কৃতি সংরক্ষণে সবাই রক্ষা করতে এগিয়ে আসুন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি