1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
পার্বত্য চট্রগ্রামের বেতের তৈরি পাহাড়িদের সংস্কৃতি ফুলবারেং - দৈনিক শ্যামল বাংলা
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
শেরপুর জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করুন : কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশে লাগবে আরও সময়, আসছে ৭ পৃথক এসআরও উন্নয়নের স্বার্থে দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রকারিদের কোন ছাড় দেয়া হবেনা -জেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় এম পি মনোযার হোসেন খান নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে মাদকসংক্রান্ত তথ্য পেতে থানায় অভিযোগ বক্স স্থাপন  ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জোর বিএনপির কর্ণফুলীতে কাভার্ডভ্যান-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৮ আমি নির্বাচিত হলে চসিক সংরক্ষিত মহিলা ওয়ার্ড ১ (১,২,৩) কে একটি আধুনি ওয়ার্ড উপহার দেব- মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী রোকসানা বেগম মাধু গোলাপাহাড় মহাশ্মশান ও মন্দিরে ৪ পদে নতুন নেতৃত্ব, সভাপতি আর.কে. দাশ রুপু, সম্পাদক রুবেল দে

পার্বত্য চট্রগ্রামের বেতের তৈরি পাহাড়িদের সংস্কৃতি ফুলবারেং

রাজস্থলী(রাঙ্গামাটি ) প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৮ মে, ২০২২
  • ৪৯০ বার

ছবিটি দেখলে হয়তো কেউ বলবেন এটা কি ? আজকাল যদি কম বয়সের লোকদের দেখানো হয় বা বলা হয় বলবে জানিনা।জানবেন বা কি করে।আন্দাজে কি বলবে। তাই সবার মনে জানবার ইচ্ছা-জিগাংসা।
এই ঝুড়ি ও ছোট্ট কাপড়টি হচ্ছে,পাহাড়ীদের হারিয়ে যাওয়া, লুকায়িত ও বিলুপ্ত প্রায় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য’র একটি অংশ।চাকমা ভাষায় বলা হয় ফুলবারেং।আর নকঁশা তৈরি কাপড়টি হচ্ছে আলাম।অন্য দিকে তঞ্চঙ্গ্যা ভায়ায় বলা হয় ফুঁ কালং ও আলাম।ভিন্ন সম্প্রদয়ের ভিন্ন রকমের নাম ও ভিন্ন ভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। জানা যাক ফুল বারেং কি-পরম ধৈর্য্য নিঁপুণ বুননে একটি বেতের তৈরি ঝুড়ি।তাই এই ঝুড়ি কে বলা হয় ফুলবারেং।এক একটি ঝুড়ি যেন এক একটি শিল্প কর্ম ও কারুকাজ।মূলতঃ শুভ বিবাহের জন্য ব্যবহার করা হয় ফুলবারেং’টি।বিয়ের দিন-ই একমাত্র বরের পক্ষ থেকে কনের অলংকার, পোশাক পরিচ্ছদ ও যাবতীয় সরঞ্জামাদী নেওয়া কনের বাড়ীতে এ-ই ফুলবারেং দিয়ে।প্রাচীনকাল থেকে শুরু করে বর্তমামেরও এই রীতি প্রচলন রয়েছে।থাকলেও বর্তমানে এ রকম ঝুড়ি তৈরি করা বেত শিল্পী পাওয়া খুবই কঠিন ব্যাপার। বলতে গেলে নাই।এজন্য এখনকার বিবাহ সম্পন্ন করে সাধারণ ফুল বারেং দিয়ে। সে ধনী হোক কিংবা গরীব হোক।

তাই খুবই রেয়ার।একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যে,পেশাগত ঝুড়ি তৈরি করা ঐতিহ্য গত শ্রম শিল্পী বা কারিগর না থাকার কারনে এ-ই ফুলবারেং’টি প্রায় বিলুপ্তির পথে। তহলে এবার জানা যাক আলাম কি-পাহাড়ী মেয়েদের পোশাকে উপরে একটি অংশ থাকে সেটাকে বলা হয় হাদি।এই হাদিতে বিভিন্ন ধরনের নকঁশা বোনা হয়,নকঁশাগুলো এক সাথে সংরক্ষণ করে তৈরি হওয়া কাপড়কে আলাম বলে।পরবর্তীতে বিভিন্ন ধরনের নকঁশা তুলে হাদি বুনানো হয় এবং নকঁশা তুলা হয়।তাই আলমের নকঁশাগুলো কে ফুল বলা হয়।এগুলো আলামে উল্লেখযোগ্য ফুল বা জু বলা হয়।স্থানীয় ভাষায় জু বিভিন্ন ধরনের হতে পারে।যেমন- বেগুন বিচি ফুল, কুয়া চুগ ফুল,জুনিপুগ ফুল,গুমচগলা ফুল,সাবকাঙাল ফুল ইত্যাদি ইত্যাদি।অর্থাৎ এককথায় বলতে গেলে যত রকমের ফুল আছে ঐ ফুলগুলো আলামে তুলা হয়। হাদি বুনানোর সময়ে কোন ফুলের পরে কোন ফুলটা সাজিয়ে দিলে হাদিতা আরো বেশী সুন্দর ও আকর্শনীয় দেখাবে।
তাই হারিয়ে যাওয়া লুকায়িত, বিলুপ্ত প্রায় সংস্কৃতি সংরক্ষণে সবাই রক্ষা করতে এগিয়ে আসুন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net