1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
পার্বত্য চট্রগ্রামের বেতের তৈরি পাহাড়িদের সংস্কৃতি ফুলবারেং - দৈনিক শ্যামল বাংলা
সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৩৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
মাগুরার শ্রীপুরে কালবের উদ্যোগে মিউচ্যুয়াল এইড সার্ভিসেস ও লাইফ সেভিংসের বেনিফিট প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে নিখোঁজের একদিন পর বাড়ির সামনের পুকুর থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার  মাগুরার শ্রীপুরে কালবের উদ্যোগে মিউচ্যুয়াল এইড সার্ভিসেস ও লাইফ সেভিংসের বেনিফিট প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত নকলায় একাত্তরের মানবতাবিরোধী মিথ্যা মামলায় ৩ বিএনপি নেতার সাজা বাতিল ও মুক্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন  আনোয়ারায় একই চেয়ারে তিন বছরের বেশি মৎস্য কর্মকর্তা, ৭,৭৪৪ মৎস্যজীবীর তালিকা যাচাই ও প্রকাশের দাবি কুমিল্লায় প্রাডো গাড়িতে ৩ লাখ পিস ইয়াবা, আটক ২ বাংলাদেশে ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য অর্জনে সহায়তার আশ্বাস এডিবির গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অন্তহীন পথ চলছে সরকার : মাহদী আমিন নবীনগরে কিশোর গ্যাংয়ের হামলা-ভাঙচুরের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান ভাঙ্গুড়ায় ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে ১ যুবক আটক

পার্বত্য চট্রগ্রামের বেতের তৈরি পাহাড়িদের সংস্কৃতি ফুলবারেং

রাজস্থলী(রাঙ্গামাটি ) প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৮ মে, ২০২২
  • ৪৭৪ বার

ছবিটি দেখলে হয়তো কেউ বলবেন এটা কি ? আজকাল যদি কম বয়সের লোকদের দেখানো হয় বা বলা হয় বলবে জানিনা।জানবেন বা কি করে।আন্দাজে কি বলবে। তাই সবার মনে জানবার ইচ্ছা-জিগাংসা।
এই ঝুড়ি ও ছোট্ট কাপড়টি হচ্ছে,পাহাড়ীদের হারিয়ে যাওয়া, লুকায়িত ও বিলুপ্ত প্রায় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য’র একটি অংশ।চাকমা ভাষায় বলা হয় ফুলবারেং।আর নকঁশা তৈরি কাপড়টি হচ্ছে আলাম।অন্য দিকে তঞ্চঙ্গ্যা ভায়ায় বলা হয় ফুঁ কালং ও আলাম।ভিন্ন সম্প্রদয়ের ভিন্ন রকমের নাম ও ভিন্ন ভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। জানা যাক ফুল বারেং কি-পরম ধৈর্য্য নিঁপুণ বুননে একটি বেতের তৈরি ঝুড়ি।তাই এই ঝুড়ি কে বলা হয় ফুলবারেং।এক একটি ঝুড়ি যেন এক একটি শিল্প কর্ম ও কারুকাজ।মূলতঃ শুভ বিবাহের জন্য ব্যবহার করা হয় ফুলবারেং’টি।বিয়ের দিন-ই একমাত্র বরের পক্ষ থেকে কনের অলংকার, পোশাক পরিচ্ছদ ও যাবতীয় সরঞ্জামাদী নেওয়া কনের বাড়ীতে এ-ই ফুলবারেং দিয়ে।প্রাচীনকাল থেকে শুরু করে বর্তমামেরও এই রীতি প্রচলন রয়েছে।থাকলেও বর্তমানে এ রকম ঝুড়ি তৈরি করা বেত শিল্পী পাওয়া খুবই কঠিন ব্যাপার। বলতে গেলে নাই।এজন্য এখনকার বিবাহ সম্পন্ন করে সাধারণ ফুল বারেং দিয়ে। সে ধনী হোক কিংবা গরীব হোক।

তাই খুবই রেয়ার।একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যে,পেশাগত ঝুড়ি তৈরি করা ঐতিহ্য গত শ্রম শিল্পী বা কারিগর না থাকার কারনে এ-ই ফুলবারেং’টি প্রায় বিলুপ্তির পথে। তহলে এবার জানা যাক আলাম কি-পাহাড়ী মেয়েদের পোশাকে উপরে একটি অংশ থাকে সেটাকে বলা হয় হাদি।এই হাদিতে বিভিন্ন ধরনের নকঁশা বোনা হয়,নকঁশাগুলো এক সাথে সংরক্ষণ করে তৈরি হওয়া কাপড়কে আলাম বলে।পরবর্তীতে বিভিন্ন ধরনের নকঁশা তুলে হাদি বুনানো হয় এবং নকঁশা তুলা হয়।তাই আলমের নকঁশাগুলো কে ফুল বলা হয়।এগুলো আলামে উল্লেখযোগ্য ফুল বা জু বলা হয়।স্থানীয় ভাষায় জু বিভিন্ন ধরনের হতে পারে।যেমন- বেগুন বিচি ফুল, কুয়া চুগ ফুল,জুনিপুগ ফুল,গুমচগলা ফুল,সাবকাঙাল ফুল ইত্যাদি ইত্যাদি।অর্থাৎ এককথায় বলতে গেলে যত রকমের ফুল আছে ঐ ফুলগুলো আলামে তুলা হয়। হাদি বুনানোর সময়ে কোন ফুলের পরে কোন ফুলটা সাজিয়ে দিলে হাদিতা আরো বেশী সুন্দর ও আকর্শনীয় দেখাবে।
তাই হারিয়ে যাওয়া লুকায়িত, বিলুপ্ত প্রায় সংস্কৃতি সংরক্ষণে সবাই রক্ষা করতে এগিয়ে আসুন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net