1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
৭ গ্রামের হাজারো মানুষ ভাঙা ব্রিজ নিয়ে বিপাকে! - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
রামগড়ে পুজা মন্ডপ পরিদর্শন করলেন ওয়াদুদ ভূঁইয়া মাগুরায় ‘আব্দুল মালেক বিশ্বাস মেমোরিয়াল ট্রাস্ট হাসপাতাল’-এর উদ্বোধন”গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত আন্তর্জাতিক বাজারে কমল সোনার দাম নকলায় নজরুল বর্ষের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ‎রাঙ্গাবালীতে ট্রলিং বোট বন্ধের দাবিতে জেলেদের মানববন্ধন মাগুরায় দারিয়াপুর ডিগ্রি কলেজে ‘আনোয়ারা খাতুন’ ছাত্রী নিবাসের উদ্বোধন ফরিদপুরে মাদক কেনার টাকা না পেয়ে মাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, ছেলে আটক সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী আনোয়ারা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এস এম সালাহউদ্দিনের মমতাময়ী মায়ের মৃত্যুতে প্রেস ক্লাবের গভীর শোক রামপুরায় মাদকাসক্ত ভাড়াটিয়াকে বাসা ছাড়তে বলায় বিজ্ঞানী সরোয়ারকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা

৭ গ্রামের হাজারো মানুষ ভাঙা ব্রিজ নিয়ে বিপাকে!

মাহামুদুল হাসান, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৬ জুন, ২০২২
  • ৪৫২ বার

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার রাঙ্গাবালী সদর ইউনিয়নের গন্ডাদুলা ও পশ্চিম নেতা গ্রামের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া রুপাইর খালের ওপর নির্মিত আয়রন ব্রিজটি ভেঙে সম্পূর্ণ পরিত্যক্ত হয়ে যাওয়ার দ্ইু বছর অতিবাহিত হলেও এখনও সংস্কার বা নতুন ব্রিজ নির্মাণ করা হয়নি।

ভাঙা ব্রিজের পাশ দিয়েই উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ডা. জহির উদ্দিন আহম্মেদ এর উদ্যোগে একটি অস্থায়ী কাঠের পুল নির্মান করা হয়েছে।
সাময়িক চলাচলের জন্য নির্মিত ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের পুলটিও এখন মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে চলাচলে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে স্থানীয় লোকজন সহ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। স্থানীয়রা জানান, এই ব্রিজটি দিয়ে প্রতিদিন উপজেলার গন্ডাদুলা, নেতা, উনিশ নম্বর, যুগির হাওলা, পুলগাট, কাছিয়া বুনিয়া ও সামুদাবাদ গ্রামের কয়েক হাজার বাসিন্দা এই ব্রিজ দিয়ে পার হয়ে উপজেলা সদরে যেতে হয়। কিন্তু ব্রিজটি ভেঙে পড়ায় স্থানীয় কয়েক হাজার মানুষের উপজেলা সদরে যাতায়াতের প্রধান সড়কই হয়ে পড়েছে বিচ্ছিন্ন। ফলে প্রতিদিনের ও জরুরি প্রয়োজনে বিকল্প পথে কয়েক কিলোমিটার সড়ক ঘুরে উপজেলা সদরে যেতে হয় তাদের।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রশাসনের সুদৃষ্টির অভাব আর অবহেলার কারণেই এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ব্রিজটি সংস্কার করা যেমন হয়নি, নতুন ব্রিজ নির্মাণেও নেয়া হয়নি কোনো উদ্যোগ।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) উপজেলা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৫-৯৬ সালে রুপাইর খালের ওপর ২৪ মিটার দীর্ঘ এ আয়রন ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়। কয়েক বছর আগে একবার ব্রিজটি সংস্কারও করা হয়েছিল।
স্থানীয় বাসিন্দা নিয়াজ আকন জানান, প্রায় দীর্ঘ দশ বছর চলাচলের অনুপযোগী এই আয়রন ব্রিজটির ভাঙা ঢালাইয়ে কাঠের তক্তা দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে মানুষ পারাপার হইতো। কিন্তু গত দুই বছর আগে একজন মটরসাইকেল আরোহী ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজটি ভেঙে পানিতে পড়ে যায়, তারপর থেকে ব্রিজটি সম্পূর্ণ পরিত্যক্ত।

আরেক বাসিন্দা খাদিজা বেগম জানান, চিকিৎসার প্রয়োজনে উপজেলা সদরে যেতে-আসতে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদের। বিশেষ করে প্রবীণ ও অন্তঃসত্ত¡া নারীদের জন্য খুবই কষ্ট হয়ে পড়েছে।
কৃষিপণ্য নিয়েও বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। এখন উৎপাদিত কৃষিপণ্য উপজেলা সদরে বা অন্য এলাকায় পাঠাতেও দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদের।
উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ডা. জহির উদ্দিন আহম্মেদ বলেন, ব্রিজটি সংস্কার ও নির্মাণের বিষয় নিয়ে সংশ্লিষ্ট দফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে যেতে যেতে আমার জুতার সোল্ড নষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু তারপরও বলার মতো কোনো উদ্যোগ তাঁরা নেয়নি।

উপজেলা প্রকৌশলী মিজানুল কবির কে ফোন করলে এ বিষয়ে কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন তিনি।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাশফাকুর রহমান বলেন, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এলজিইডি’কে অবহিত করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net