1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
শ্রীপুর তুলা উন্নয়ন গবেষণা ও বীজ বর্ধন খামারে প্রকল্পের ১৪ জন কর্মচারীর ভবিষ্যৎ অন্চিত!মানা হয়নি সর্বোচ্চ আদালতের রায়কে - দৈনিক শ্যামল বাংলা
সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
কুমিল্লায় কুটুমবাড়ি রেস্টুরেন্ট এন্ড বিরিয়ানীর নতুন শাখার যাত্রা চন্দনাইশ থানা পুলিশের অভিযানে ২ আসামী গ্রেফতার মাগুরায় রয়েল ফ্যাশন শো-রুমের উদ্বোধন করলেন জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় এনামুল হক বিজয়   উন্নয়ন ও উদ্ভাবনের অন্যতম চালিকাশক্তি হয়ে উঠছে এআই : চবি উপাচার্য কোম্পানীগঞ্জে সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের বার্ষিক কাউন্সিল অনুষ্ঠিত  আঞ্চলিক গণমাধ্যমের বৈষম্য দূর করার আহ্বান – দৈনিক ‘আমাদের চট্টগ্রাম’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বক্তারা জেসিআই ঢাকা ডাইনামিকের সহ-আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘৩য় সামার স্পিড স্কেটিং ম্যারাথন–২০২৬’ রাজশাহীতে গভীর রাতে মাদক কারবারি ও সাংবাদিকের বৈঠক, ভিডিও ভাইরাল মাগুরায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দ্বি- বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত   মাগুরায় ২ দিনব্যাপী জামায়াতের বাছাইকৃত কর্মীদের শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত 

শ্রীপুর তুলা উন্নয়ন গবেষণা ও বীজ বর্ধন খামারে প্রকল্পের ১৪ জন কর্মচারীর ভবিষ্যৎ অন্চিত!মানা হয়নি সর্বোচ্চ আদালতের রায়কে

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ২৭৩ বার

ফজলে মমিন,শ্রীপুর(গাজীপুর)

গাজীপুর জেলার শ্রীপুর তুলা উন্নয়ন গবেষনা ও বীজ বর্ধন খামারের আওতাধীন “তুলা উন্নয়ন বোর্ডের গবেষণা কর্যক্রম শক্তিশালীকরণ প্রকল্পে” র মাধ্যমে তুলা উন্নয়ন বিষয়ক গবেষণা কার্যক্রমটি পাঁচ বছর মেয়াদী ছিল।তুলা উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন বেশিরভাগ প্রকল্পের কর্মচারীদেরকে প্রকল্পের মেয়াদ শেষে রাজস্ব খাতের অন্তর্ভুক্তি করার বিধান থাকলেও তুলা উন্নয়ন বোর্ডের কতিপয় দুর্নীতি পরায়ন কর্মকর্তার খামখেয়ালীতে “শক্তিশালী প্রকল্পে”কাজ করা দেশের বিভিন্ন তুলা খামারে প্রকল্পের১৪জন কর্মচারীর ভবিষ্যৎ প্রায় অন্চিত হয়ে যাওয়ার উপক্রম।চাকুরী না থাকায় দীর্ঘদিন বানবেতর জীবন যাপন করছে।
একাধিক ভুক্তভোগীদের সাতে কথা বলে জানা যায়,দেশের প্রচলিত আইন অনুসরণ করে তুলা উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন ” গবেষণা কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের”অধীনে ৫বছর চাকুরী করি।তুলা উন্নয়ন বোর্ডের পরিপত্র অনুযায়ী প্রকল্পের কার্যক্রম শেষে প্রকল্পের অধীনে সকলকে রাজস্ব খাতের অন্তভুর্ক্তি করে নেয়া হবে।রাজস্ব খাতে নেয়ার জন্য তুলা উন্নয়ন বোর্ড,খামারবাড়ি যোগাযোগ করলে করে দিব,করা হবে বলে কালক্ষেপন করে আসছিল।কর্তৃপক্ষের আম্বাসে প্রায় তিন বছরে অধিক সময় অপেক্ষা করে চাকুরী রাজস্ব খাতে দিতে ন্যায় বিচারের আশায় গত ২০১৬ সালে হাকোর্টে ৮১৯৬/২০১৬নং মামলা দায়ের করা হয়।মামলাটি দীর্ঘ শুনানীর পর প্রকল্পে কর্মরত সকল কর্মচারীদেরকে রাজস্ব খাতে অন্তভুক্তকরণের জন্য ২০১৮ সালের ১৫ নভেম্বর এক ঐতিহাসিক রায় দেন।মহামান্য হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেন্জ করে তুলা উন্নয়ন বোর্ড,খামারবাড়ি,আপিল বিভাগে সিভিল পিটিশন ফর লিভ টু আপিল (সিপিএল এ) নং-২২২৭/২০১৭ দায়ের করলে আদালত বিগত ২৩আগষ্ট’২০১৭ তারিখে হাইকোর্ট বিভাগের রায় সংশোধন পূর্বক আবেদনকারীগণকে রাজস্ব খাতে স্থানান্তরের নির্দেশ দেন।পুনরায় ওই রায়ের বিরুদ্ধে তুলা উন্নয়ন বোর্ড সিভিল রিভিউ পিটিশন ২২৭/২০১৮ দায়ের করলে আদালত ১৫ নভেম্বর’২০১৮ খারিজ করে দেন।
পরবর্তিতে ভুক্তভোগীরা উচ্চ আদালতের রায়গুলোকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষরা বারবার অমান্য করায় সচিব,জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, সচিব, কৃষি মন্ত্রণালয়, সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয় ও নির্বাহী পরিচালক,তুলা উন্নয়ন বোর্ডকে প্রতিপক্ষ করে কনটেম্পট ৩৫৬/২০১৯ নং মামলা দায়ের করেন।আদালত মামলাটিকে আমলে নিয়ে প্রতিপক্ষদের আগের সকল রায় এবং আদেশ পরবর্তি দু’সপ্তাহের মধ্য বাস্তবায়ন করতে এক নির্দেশ প্রদান করেন।আদালতের ওই নির্দেশে জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয় স্বারক নং৮৫/৪জুন ২০২২ইং এবং কৃষি মন্ত্রনালয়ের আইন ও অধি শাখা,স্বারক নং ১৮৪/২৮ নভেম্বর ২০২২ইং তারিখে পৃথক পত্রে তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালককে দ্রুত রায়টি বাস্তবায়ন করতে বলা হয়।উচ্চ আদালত এবং মন্ত্রনালয়ের রায় ও নির্দেশ কোন ক্ষমতাবলে বা অদৃশ্য কারনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বাস্তবায়ন করছেনা তা ভুক্তভোগীরা বোধগম্য নয়।ভুক্তভোগীদের দাবী দ্রুত সময়ের মধ্যে চাকুরী রাজস্ব খাতে আত্নীকরন করে বৈষম্যহীন রাষ্ট্র ব্যবস্হা প্রবর্তনে ভুমিকা রাখবেন।আর তা না করা হলে পরিবার পরিজন নিয়ে দুঃসহ জীবন যাপন করা ছাড়া ভুক্তভোগীদের বিকল্প কিছু করার নেই।এদিকে সকল ভুক্তভোগীদের সরকারি চাকুরীর বয়সসীমাও শেষ।তাদের সাথে কথা বলতেই কান্নাজড়িত কন্ঠে আক্ষেপ আর হতাশার কথা শুনীয়ে বলেন কর্তৃপক্ষ কার্যক্রর কোন ব্যবস্হা না নিলে তাদের আত্নহত্যা ছাড়া আর কোন পথ খুলা নেই।

তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক (চলতি দায়িত্বে) কৃষিবিদ ড, মো. ফখরে আলম ইবনে তাবিবের সঙ্গে এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে মোবাইলে ফোন দিলে তিনি রিসিভ করে বলেন, মিটিংয়ে আছি পরে কথা বলি। পরে বার বার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেনি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net