ঢাকা   ০৪:৫১:৩৫ এএম, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
আনোয়ারায যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশ চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় ইরা ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের উদ্বোধন লাকসাম যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল  মাগুরার শ্রীপুরে বরিশাট ঈদগাহের বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন  জাপান সফর শেষে দেশে  ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী চার দিনের সফর শেষে টোকিও ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী কুমিল্লায় বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা সমিতির ৫৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত মাগুরার বিনোদপুরে ১০ম বার্ষিক তাফসীরুল কুরআন মাহফিল ও ইছালে সওয়াব অনুষ্ঠিত মাগুরায় হত্যা মামলায় সাবেক ওসি বিপ্লব কুমার নাথ ও এসআই ইসমাইল কারাগারে

মধ্যস্বত্ব থেকে হোয়াইট কালার ডাকাত

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৪
  • ৩২৭ বার
  • ৬ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

নেহাল আহমেদ।

মধ্যস্বত্ব চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত-উত্তরকালে সৃষ্ট জমিদারি ও রায়তি স্বত্বের মধ্যস্থিত এক অভিনব স্বত্ব।সব রকমের মধ্যস্বত্বের উদ্ভব ঘটেছে কোনও না কোনো স্থানীয় ঐতিহ্যকে কেন্দ্র করে এবং এগুলির কোনটিরই কোনো আইনগত বৈধতা ছিল না।

সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতাকে স্বীকার করে ১৮৮৫ সালের বঙ্গীয় প্রজাস্বত্বের মাধ্যমে সব রকমের মধ্যস্বত্বকে বৈধতা প্রদান করা হয়। মধ্যস্বত্বাধিকারীরা একটি বৃহৎ শক্তিশালী গোষ্ঠী হিসেবে আবির্ভূত হয় উনিশ শতকের শেষ নাগাদ।এখন মধ্যস্বত্ব ধরণ এবং ধারন পাল্টে গেছে। এখন কৃষক কষ্টকরে চাষবাস করে উপার্জন করে ২০ পয়সা মধ্যস্বত্ব ভোগীরা উপার্জন করে ৮০ পয়সা। যেমন কৃষকের কাছে আলু ২ টাকা কেজি দরে কিনে এনে বিক্রি করে ১০ টাকায়।

এরপরে রয়েছে মজুদদার শ্রেনী।ক্রেতা ও বিক্রেতার মাঝে পণ্য ও মূল্যে যৌক্তিক বিনিময় আদান প্রদান হওয়া কাম্য হওয়া সত্ত্বেও যখন বিক্রেতা অতি মুনাফার লোভে চড়ামূল্যে বিক্রয় করার জন্য পণ্য সামগ্রী কুক্ষিগত করে, তখন একে বলে মজুদদারি। এর ফলে পণ্যের মূল্য বেড়ে সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার চলে যায় এবং জনজীবন বিপর্যন্ত হয়ে পড়ে।এরা হচ্ছে হোয়াইট কালার ডাকাত। সবাই জানে চিনে তবু এরা সমাজে সম্মানিত হিসাবে চলাচল করে।

উদাহরণ হিসাবে দেখা যায় কৃষকের হাতে যখন পিয়াজ থাকে তখন এর দাম থাকে ৩০ – টাকা কেজি যখন মজুদদারের হাতে থাকে তখন দাম হয় ১০০-২০০ টাকা।
সিন্টিকেট
ব্যবসায় সিন্ডিকেট হলো বেশ কয়েকটি ব্যবসায়িক সত্তা নিয়ে গঠিত একটি গ্রুপ, কোম্পানি বা কর্পোরেশন, যা বাজারে সাধারণ স্বার্থ ভাগ করে নেয়। তবে সত্তাগুলো সাধারণত পরস্পরের সরাসরি প্রতিযোগী হয় না। বড় সংস্থা বা কর্পোরেশনগুলো বাজারে তাদের অবস্থান শক্তিশালী করার জন্য সিন্ডিকেট গঠন করে।

ব্যবসাখাতে সিন্ডিকেটের ধারণা বোঝাতে মূলত সাম্প্রতিক কয়েকটি উদাহরণ দেয়া যেতে পারে। কদিন আগেও বাজারে কাগজ সংকট দেখা দিয়েছিল। খোঁজ নিয়ে জানা যায় যেসব বড় বড় কোম্পানি কাগজ আমদানি করে তারা অধিক পরিমাণে কাগজ কিনে বিক্রি না করে গুদামজাত করে রেখেছে। এতে করে বাজারে কাগজের একটি কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছিল। সরবরাহ ব্যবস্থা এক রকমের ঠিক থাকার পরও সংকট দেখিয়ে কোম্পানিগুলো বেশি দামে প্রকাশনীর কাছে কাগজ বিক্রি করে। এই যে বড় বড় কোম্পানিগুলো একজোট হয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে কাগজের দাম বাড়িয়ে দিল, তাদের এই জোটটিই হচ্ছে একটি সিন্ডিকেট।
আমদানী।
আমাদের দেশে যে গুলো কম উৎপন্ন হয় অথবা পাওয়া যায়না যেমন গুড়োদুধ, তেল ডিজেল বিভিন্ন যত্নাংশ অংশ এগুলো বাইরে থেকে আনতে হয়। বাইরে থেকে আনার জন্য নিদিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠান কে অনুমতি দেয়া হয়। অনেক সময় দেখা যায় সরকারের আস্থাভাজন অথবা সরকার কে খুশি করে কিছু অসাধু প্রতিষ্ঠান এই সুযোগ নিয়ে পন্য আমদানি করে থাকে। অবস্থা বুঝে তাদের ইচ্ছে মতো দামে দেশে বিক্রি করে থাকে।
বাজার নিয়ন্ত্রন করতে পারলে সাধারণ মানুষের দুর্দশা বাড়তেই থাকবে। উৎপাদিত পণ্যের সঠিক মুল্য কৃষক না পেলে উৎপাদনে উৎসাহ হারাবে। কৃষক বাচঁলেই দেশের মানুষ বাঁচবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি