1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
শেখ হাসিনা ভারতে "র"-এর তত্ত্বাবধানে আছেন?  - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৭:০৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
হাটহাজারী অঞ্চল ঐতিহ্যগতভাবেই শান্ত; আমাদেরকে তা ধরে রাখতে হবে’ প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল এমপি প্রতিবন্ধী ৩ ব্যক্তির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী ৩১ মাসের বকেয়া বেতন ও ব্যক্তিগত বিনিয়োগ ফেরত চান সহকারী বার্তা সম্পাদক ভাঙ্গুড়ায় মন্ডলমোড়-নৌবাড়ীয়া চৌরাস্তা সড়কের বেহাল দশা, দুর্ভোগে লাখো মানুষ গণসংযোগে শাহজালাল: অন্যায়কারীকে ক্ষমতায় বসানোর সিঁড়ি না হওয়ার আহ্বান দেনমোহর পরিশোধের শর্তে খোলা তালাকের আপোষনামা, চুক্তি অমান্যের অভিযোগ চলতি বছরে চবিতে ২৫ হাজার বৃক্ষরোপণ করা হবে : উপাচার্য প্রফেসর ড. আল ফোরকান পোকাযুক্ত আটা দিয়ে খাবার তৈরি, ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা মাগুরায় থিয়েটার ইউনিটের উদ্যোগে গাছের চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন  সমুদ্রবন্দরে ৩ ও নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

শেখ হাসিনা ভারতে “র”-এর তত্ত্বাবধানে আছেন? 

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৪
  • ৩৭২ বার

।। অধ্যাপক এমএ বার্ণিকের পর্যবেক্ষণ।।

শেখ হাসিনা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পরও ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ” RAW” -এর তত্ত্বাবধানে ছিলেন, আবার ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরও “RAW” -এর তত্ত্বাবধানে আছেন। ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশে এক সামরিক অভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনা, তার স্বামী ড. ওয়াজেদ মিয়া, বোন শেখ রেহানাসহ যে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন,সে বিষয়টি ড. ওয়াজেদ মিয়ার লেখা “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে ঘিরে কিছু ঘটনা ও বাংলাদেশ” শীর্ষক গ্রন্থ পাঠ করেলেই বোঝা যায়। তারা ১৯৮১ সাল পর্যন্ত ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ” RAW” তত্ত্বাবধানে ছিলেন। RAW ড. ওয়াজেদ মিয়াকে ভারতে একটা চাকরিও দিয়েছিলো।
অন্যূন ৬ বছরে লালন-পালন করে, RAW, শেখ হাসিনাকে ৩৩ বছর বয়সে আওয়ামী লীগের সভাপতির আসনে বসিয়ে বাংলাদেশে পাঠায়। গোয়েন্দা সংস্থাটির সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এসব কাজ করে। ৪৩ বছর পর শেখ হাসিনার ৭৬ বছরে বয়সে একই গোয়েন্দা সংস্থার গেস্ট হাউজে তার পালিয়ে থাকতে হচ্ছে।
বস্ত্তত, ভারত কর্তৃক বাংলাদেশকে তিলে তিলে চুষে খাওয়ার জন্য প্রশিক্ষিত এজেন্ট হিসেবে RAW শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় বসিয়েছিলো। পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায় যে,
শেখ হাসিনা RAW তথা ভারতের পার্পাস সার্ভ করেই রাষ্ট্রের ক্ষমতায় ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের প্রতিটি ক্ষেত্রে ও ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের অধিকার খর্ব করে ভারতকে সর্বোচ্চ সুবিধা দিতে একপায়ে দাঁড়িয়ে যেতেন। এমন কি, বাংলাদেশের স্বাধীন মতটি পর্যন্ত ভারতের সামনে তুলে ধরা হতো না। ভারতের এমন বিশ্বস্ত চর বাংলাদেশে আর দ্বিতীয়টা নেই। তাই ভারত সব সাময়ই শেখ হাসিনার পাশে ছিলো।
২০২৪ সালে বাংলাদেশে যখন শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ছাত্রজনতার গণ-অভ্যুত্থানের ঘটনা শুরু হয়, তখন, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা হারানোর প্রাক্কালে, RAW, আগের মতোই শেখ হাসিনার দায়িত্বভার গ্রহণে এগিয়ে আসে। বিশেষ ব্যবস্থায় শেখ হাসিনাকে অক্ষত অবস্থায় নয়াদিল্লিতে পৌঁছে দেয়।
এখন শেখ হাসিনাকে রাজনীতিতে পুনর্বাসনের লক্ষ্যেই, ” RAW” বাংলাদেশে তার এজেন্টদের লেলিয়ে দিচ্ছে এবং একটার পর একটা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এমন কি, বাংলাদেশের আভ্যন্তরীণ এসব ঘটনা ঘটে যাওয়ার পরপরই ভারতের আগ্রাসী প্রতিক্রিয়া প্রকাশ পেতে দেখা যায়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে সাম্প্রদায়িক উসকানির পেছনে ভারতের প্রকাশ্য সমর্থন শেখ হাসিনাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পুনর্বাসনের ইঙ্গিত বহন করে। ফলে বার বার বাংলাদেশের জনগণ ভারতের এহেন আচরণের বিরুদ্ধে বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠছ।
প্রকৃতপক্ষে, RAW- এর প্ররোচনায় ভারত সরকার ব্যক্তি শেখ হাসিনার জন্য বাংলাদেশের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ধরে রাখতে পারবে কিনা, সে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net