1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
বদলে গেছে বইমেলার চিরচেনা রূপ - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণে ৭৫১ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন: কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সংবাদ সম্মেলন  চার জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে ওসমানগঞ্জে ফুটবল বিতরণ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের হাটহাজারী উপজেলা সাধারণ সম্পাদক হাসান গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রী পদে এক ব্যক্তির সর্বোচ্চ ২ মেয়াদের পক্ষে সরকার, বিরোধী দলকে আলোচনার আহ্বান মাগুরায় নাশকতা মামলায় নিষিদ্ধ  সাবেক ছাত্রলীগ নেতা! সাগর হোসেন আটক মাগুরায় শ্রীপুর প্রেস ক্লাবের বহুতল ভবনের ছাদ ঢালাই কাজের উদ্বোধন বান্দরবানে এনসিপি নেতা মিজানুর রহমান আখন্দের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা মাগুরার শ্রীপুরে শিক্ষকের নামে মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত  এলজিআরডি মন্ত্রীর সাথে সাইবার ইউজার দলের নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ 

বদলে গেছে বইমেলার চিরচেনা রূপ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্টঃ মোহাম্মদ অলিদ সিদ্দিকী তালুকদার

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৫ এপ্রিল, ২০২১
  • ৩৭৬ বার

মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে বদলে গেছে বইমেলার চিরচেনা রূপ। মূল প্রবেশপথেও এসেছে পরিবর্তন। স্টল ও প্যাভিলিয়নের সারিগুলো রাখা হয়েছে বেশ দূরত্বে, নেই অতিরিক্ত ভীড়। স্বাস্থ্যবিধি মেনে মেলায় প্রবেশ করতে হচ্ছে লেখক, কবি, সাহিত্যিক ও পাঠকদের।

এবারের মেলায় বই প্রকাশ যেমন কম হয়েছে, তেমনি বেচাকেনাও কম বলে জানিয়েছেন প্রকাশকরা। সাড়া না জগানো বইমেলায় লেখক, প্রকাশকদের মাঝে তাই এক ধরনের শূন্যতা দেখা যাচ্ছে। তবে ছুটির দিন হওয়ায় গত শুক্রবার ও শনিবার মেলায় ক্রেতা দর্শনার্থীদের বেশ ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

মেলা ঘুরে শিশুদের দেখা মেলেনি খুব একটা। শিশুতোষ বইও প্রকাশ হয়েছে কম। নতুন বই প্রকাশের সংখ্যাও খুবই কম। শিশুতোষ গ্রন্থকুটিরে এবার শিশুদের জন্য ১৫ থেকে ২০টি নতুন বই এসেছে। প্রকাশনীর বিক্রয় প্রতিনিধি মনিরুজ্জামান শ্যামলবাংলাকে বলেন, অন্য বার ৪০ থেকে ৫০টি বই প্রকাশ করে থাকি। এবার আমাদের প্রকাশনী থেকে মাত্র ১৫ থেকে ২০টি বই প্রকাশ হয়েছে। মেলায় বিক্রিও নেই বললেই চলে। অন্যবারের তুলনায় শিশুদের আনাগোনাও কম। তাছাড়া এবার মেলায় শিশুপ্রহরের আয়োজনও ছিল।

করোনার কারণে এবার বেশিরভাগ মানুষই মেলায় আসতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। এমনকি কবি-লেখকদের আনাগোনাও ছিল কম। কথা হয় কবি সোয়েব মাহমুদের সঙ্গে। শ্যামলবাংলাকে তিনি বলেন, ‘ফেব্রুয়ারিতে যে বইমেলা সেটা মার্চে করলে মাঠ খালি থাকে। এ বিষয়টা সম্পর্কে আমাদের প্রকাশকেরা অবগত থাকলেও সেটার টেস্ট জানতেন না, এবারের বইমেলা তাই শুধু হাহাকারের প্রতিধ্বনি।’

কবি আরাফাত রহমান শ্যামলবাংলাকে বলেন, ‘বইমেলাতে এসে কোনোভাবেই মনে হচ্ছে না এটা বইমেলা! মনে হচ্ছে এটা বিকাশমেলা। কারণ, করপোরেট ব্রান্ড বিকাশের বিজ্ঞাপনে বই-এর বিজ্ঞাপন হারিয়েছে।’

এবারের মেলা সম্পর্কে জানতে চাইলে লেখক মাহতাব হোসেন শ্যামলবাংলাকে বলেন, ‘মেলায় এবার একটি স্টল থেকে অন্য স্টলের মধ্যে বেশ দূরত্ব রাখা হয়েছে। চাইলে সচেতনভাবে সাস্থ্যবিধি মেনে বই কেনার সুযোগ রয়েছে। তবে বেচাকেনা একেবারেই কম। তাই সরকারিভাবে প্রকাশকদের স্বার্থ দেখা উচিত। সরকারি গ্রন্থাগার ও স্কুল কলেজে সরকারিভাবে বই কেনা উচিত। তাহলে লেখকেদের সঙ্গে সঙ্গে প্রকাশকরাও উপকৃত হবেন।’

এদিকে লেখক, কবি, সাহিত্যিক ও প্রকাশকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কোনো কোনো প্যাভিলিয়নে দিনে চার থেকে পাঁচটি বই বিক্রি হচ্ছে। আবার কোনো কোনো লেখক ও প্রকাশক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। সঙ্গত কারণেও তারা আর মেলায় আসছেন না। এদিকে ৩১ মার্চের পরে মেলা বন্ধ হয়ে যাওয়ার গুঞ্জন ছিল।

জানতে চাইলে নওরোজ কিতাবিস্তানের প্রকাশক ও স্বত্বাধিকারী মঞ্জুর খান চৌধুরী চন্দন শ্যামলবাংলাকে বলেন, ‘মেলা বন্ধ করার পক্ষে আমরা নই। অনেক টাকা লগ্নি করেছি। করোনার কারণে স্টল বা প্যাভিলিয়নের অর্ধেক ভাড়া দিয়েছি এবার। বেচাকেনা একেবারেই খারাপ। ক্রেতাদের সাড়া নেই। এই টাইমে মেলাটা করা উচিত হয়নি। বাঙালি এখনো আবেগে ভাসে। মার্চ মাসে মেলা করা উচিত হয়নি। মেলা মানেই এখনো ফেব্রুয়ারিকে বুঝানো হয়। এবার তেমন কোনো নতুন বই প্রকাশ করিনি। পাঁচ থেকে সাতটি প্রকাশ করেছি মাত্র, যেখানে অন্যবার ১৫ থেকে ২০টি বই প্রকাশ করে থাকি।’

জানতে চাইলে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী শ্যামলবাংলাকে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত মেলা বন্ধ হয়ে যাওয়ার কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এরমধ্যে লকডাউনের মধ্যে মেলার সময় আরও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে বাকিটা নির্ভর করছে মেলায় আগত পাঠক দর্শক শ্রোতাদের স্বাস্থ্য বিধির পরিস্থিতির ওপর।’

এদিকে, মেলার ১৩তম দিনে ১১২টি নতুন বই এসেছে। এখন বিকেল ২টায় মেলা শুরু হয়ে চলে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত। রোববার ( ৪ এপ্রিল ) লেখক বলছি অনুষ্ঠানে নিজেদের বই নিয়ে আলোচনা করেন সৌমিত্র শেখর, আসিফ এবং লুৎফর হাসান।

দেশের সুনামধন্য প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান দি ইউনিভার্সেল একাডেমি মহাপরিচালক এস এম ভূঁইয়া শিহাব বলেন এই করোনা সংক্রমণ এর মধ্যে আমাদেরকে বইমেলার সময় বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য বাংলা একাডেমিকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন সাধারণত প্রতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বইমেলা শুরু হয়ে চলে পুরো মাস। এবার করোনার কারণে অনিশ্চয়তায় পড়ে বইমেলা। করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে এ বছর একুশে বইমেলা ভার্চুয়াল বা অনলাইনে করার কথা উঠেছিল।

শিহাব বলেন- পরে অনিশ্চয়তা কাটিয়ে গত ১৮ মার্চ উদ্বোধন করা হয় ৩৭তম অমর একুশে বইমেলার। গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত বইমেলা চলবে।

শ্যামলবাংলা/ইএইচটি/এমআই

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net