1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
মহান সৃষ্টিকর্তা মানবজাতিকে সমূহ বিপদ ও কষ্ট থেকে রক্ষা করু-মীর আমির হোসেন আমু - দৈনিক শ্যামল বাংলা
সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
আনোয়ারায় একই চেয়ারে তিন বছরের বেশি মৎস্য কর্মকর্তা, ৭,৭৪৪ মৎস্যজীবীর তালিকা যাচাই ও প্রকাশের দাবি কুমিল্লায় প্রাডো গাড়িতে ৩ লাখ পিস ইয়াবা, আটক ২ বাংলাদেশে ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য অর্জনে সহায়তার আশ্বাস এডিবির গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অন্তহীন পথ চলছে সরকার : মাহদী আমিন নবীনগরে কিশোর গ্যাংয়ের হামলা-ভাঙচুরের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান ভাঙ্গুড়ায় ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে ১ যুবক আটক মাগুরার শ্রীপুরে নানা আয়োজনে জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন,আলোচনা, পুরস্কার বিতরণ ও মাছের পোনা অবমুক্তকরণ নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে যৌতুকের দাবিতে হত্যার অভিযোগে পলাতক থাকা স্বামী ইসমাইল হোসেনকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব  শাহ আনোয়ার রহ. ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে হাটহাজারীতে ফ্রী চিকিৎসা ক্যাম্প নোয়াখালীর চৌমুহনীতে হোটেল ম্যানেজারকে কুপিয়ে জখম, ক্যাশ থেকে ৫ লাখ টাকা লুটের অভিযোগ 

মহান সৃষ্টিকর্তা মানবজাতিকে সমূহ বিপদ ও কষ্ট থেকে রক্ষা করু-মীর আমির হোসেন আমু

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২০
  • ৪৩৪ বার

মীর আমির হোসেন আমুঃ নভেল করোনাভাইরাস কভিড-১৯ থমকে দিয়েছে প্রাণচঞ্চল জনপদ, রাত না জাগা শহর, পর্যটন কেন্দ্র, ব্যস্ত বন্দর শপিংমল বাজার সড়ক মহাসড়ক, ধনী মধ্যবিত্ত দরিদ্র দেশের চালচিত্র। হঠাত বদলে গেছে মানুষের দৈনন্দিন জীবন ধারা, অর্থনৈতিক কর্মকান্ড। থেমে গেছে কর্মচঞ্চলতা, উৎপাদন, মন্দায় পড়েছে স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক অর্থনীতি। এ যেন এক অজানা পৃথিবী, গৃহবন্ধিত্ব হয়ে উঠেছে মানুষের নতুন অভিজ্ঞতার বিষয়।
নতুন করোনা ভাইরাসটি ইতিমধ্যেই ছাড়িয়েছে ১৭দেশ ও অঞ্চলে। চীনের উহানকে কেন্দ্র করে সংক্রমণ শুরু হয়ে ভাইরাসটি বর্তমানে বেশ কয়েকটি উপকেন্দ্র তৈরি করেছে ইটালি ইরান স্পেইন দক্ষিণ কোরিয়া ফ্রান্স জার্মানি নেদারল্যান্ডস যুক্তরাজ্য এবং আমেরিকার আটলান্টিক উপকূলকে কেন্দ্র করে। তাপমাত্রার বৈষম্যকে পাশ কাটিয়ে ভাইরাসটির বিস্তৃতি ঘটেছে শীত প্রধান দেশের সাথে সাথে উষ্ণতর দেশেও।
লকডাউনের ইউকোনোমিক ম্যাট্রিক্স এমতাবস্থায় আমার মনে হয়, ট্রান্সপোর্ট ও অফিস কোন্টা আগে পরে শাটডাউন করলে কি কি ইকোনমিক এবং হেলথ সেইফটি লস হবে তার এক্টা সম্ভাব্য ম্যাট্রিক্স তৈরি করে, সরকারি সিদ্ধান্তের সিকুয়েন্স তৈরি করা উচিৎ। যেভাবে করলে কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক ক্ষতি কম হয়, সেভাবে।
অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রক সবার সাথে মিলে এগুলা ঠিক করে রাখা উচিৎ যে, পরিস্থিতি আরো অবনতি হলে কি করা হবে তার একটা একশন প্ল্যান। কিভাবে সংকটাপন্ন নাগরকিকে ফুড ও মেডিসিন সাপ্লাই দেয়া হবে তার একটা একশন প্ল্যান এখনই তৈরি করা চাই।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধে আমাদের স্বস্তি ফিরেছে, তবে তৈরি পোশাক শিল্পের কি হবে? সেখানেও গাদাগাদি করে মেশিনারি বসিয়ে স্বল্প স্থানে বহু লোকের কাজের ব্যবস্থা করা হয়। গার্মেন্টসে কি কি প্রটেকশন ব্যবস্থা করা চাই, কিভাবে কর্মীদের শিফট বাই শিফট ছুটির ব্যবস্থা নেয়া যায় তার বিশদ পরিকল্পনার দরকার আছে। এমনকি ভাসমান শ্রমিকদের জন্য কিছু সামাজিক সুরক্ষা ভাতার ও ব্যবস্থা করা দরকার। কেননা বহু দিন এনে দিন খাওয়া শ্রমিকরা কাজ হারাবেন।
সবচেয়ে বড় কাজ হচ্ছে, সরকারকে সঠিক তথ্য সরবারাহের জন্য আন্তরিক হতে হবে, তথ্য লুকাতে গিয়ে চেইন রিয়েকশন শুরু হবার চান্স আছে। রাষ্ট্রের উপরে যদি আস্থা না থাকে তবে এই ধরনের একটা ক্রাইসিস জনগণের উপরে ব্যাপক দুর্ভোগ নিয়ে আসতে পারে,তাই সরকারের সেন্সিবল হতে হবে তাহলে নাগরিক, স্থানীয় নেতৃত্ব, সেবা কর্মী চিকিৎসক গণ সেন্সিবল ব্যবস্থা, অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নিতে পারবেন।
সংক্রমণ এড়াতে ঘন ঘন সাবান দিয়ে হাত ধোয়া উচিত আর সাবান না থাকলে স্যানিটাইজারও ব্যবহার করতে হবে।
প্রতিবেশী, নিকট ও দুর আত্মীয়দের খোঁজ নেয়া সব নাগরিক তথ্য প্রযুক্তির আওতায় নেই। এছাড়া আত্মীয় বা বন্ধুদের যারা চারিত্রিক বা স্বভাবগত ভাবে অসচেতন মনে করেন, তাঁদের কিছুটা সময় দিন। আর নাগরিকদের উচিৎ সেবাকর্মী ও চিকিৎসকদের উপদেশ মেনে চলা। বর্ধিত পরিবারের, গ্রামে ও শহরের আত্মীয়দের সবার খোজ খবর নেয়া, সবাইকে সংক্রমণের ব্যাপারে এডুকেইট করার কাজ করুন।
সম্ভাব্য সংক্রমণে কি করতে হবে, তানিয়ে চিকিৎসক দের কথা শুনুন, বিশ্বসাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ শুনুন, নিজেরা কোন নতুন কথা চালু করে দিবেননা প্লিজ।
আত্মীয়দের যাঁদের সাথে যোগাযোগ নেই,তাঁদেরও খোঁজ নিন, পরামর্শ দিন, আলোচনা করুন।অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে এই কাজ করলে ব্যাপারটা সরকার ও নাগরিক সবারই কাজে আসবে।
প্লিজ অপ্রয়োজনীয় সমালোচনা থেকে সবাই নিজেদের কয়েক্টা দিন বিরত রাখি। কেউ গালি দিলেও ভাই হিসেবে তাকে ক্ষমা করে দেন। বিপদের সময় কলহ না করে, ঠান্ডা মাথায় নিজেকে এবং আশেপাশের সবাইকে নিয়ে ভাবুন। সরকার কি করবে না করবে, তার হিসেব নিকেশ ফেলে নিজেদের প্রস্তুতিও নিন। সবাই সবার জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেই। সবাই সংযত থাকি।
উন্নয়ন, সরকার পরিচালনা, নাগরিক সচেতনতা, মহান সৃষ্টিকর্তা মানবজাতিকে সমূহ বিপদ ও কষ্ট থেকে রক্ষা করুন। ভালো থাকুক বিশ্ববাসী, ভাল থাকুক বাংলার মানুষ ও বাংলাদেশ।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net