1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
[মধুপুর জঙ্গলে আমেরিকান মিশনে মানুষের বাচ্চা কিনতে পাওয়া যেতো ৪০০ টাকায় - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
দেনমোহর পরিশোধের শর্তে খোলা তালাকের আপোষনামা, চুক্তি অমান্যের অভিযোগ চলতি বছরে চবিতে ২৫ হাজার বৃক্ষরোপণ করা হবে : উপাচার্য প্রফেসর ড. আল ফোরকান পোকাযুক্ত আটা দিয়ে খাবার তৈরি, ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা মাগুরায় থিয়েটার ইউনিটের উদ্যোগে গাছের চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন  সমুদ্রবন্দরে ৩ ও নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত মাগুরার বিভিন্ন দেয়ালে জুলাই গণঅভ্যুত্থান গ্রাফিতি চিত্র জে.আই. চৌধুরী যুব ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে হাতের লেখা প্রশিক্ষণ কর্মশালা  ৩ ছেলে প্রবাসে, নিঃসঙ্গ চন্দনাইশের আবদুর রহমানের লাশ মিলল ঘরে বন্যার্তদের পাশে বিএনপি: সাতকানিয়ায় কৃষক দলের ত্রাণ ও গাছের চারা বিতরণ কর্মসূচিতে মাহবুবুর রহমান শামীম জননিরাপত্তা ও সেবার মানোন্নয়নে নবীনগরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা

[মধুপুর জঙ্গলে আমেরিকান মিশনে মানুষের বাচ্চা কিনতে পাওয়া যেতো ৪০০ টাকায়

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৫০৯ বার

সাবেক বিডি্আর বর্তমানের বিজিবি’র সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব) আ ল ম ফজলুর রহমানে ফেসবুক থেকে :

[মধুপুর জঙ্গলের অভ্যন্তরে একটি আমেরিকান মিশনে গিয়েছিলাম ১৯৮৯/৯০ সালে। ওখানে তখন মানুষের বাচ্চা কিনতে পাওয়া যেতো। মূল্য ছিল ৪০০ টাকা। আমাদের কোনো ছেলে সন্তান নাই তাই আমার স্ত্রী আগ্ৰহি ছিলেন একটি ছেলে বাচ্চা যদি পাওয়া যায়।
প্রথমবার ফাদার আমাদের বেশ কিছু গাছের চারা দিয়ে বিদায় করলেন। ওখানে তখন দেখলাম এভোকাডো ফলবতী গাছ। ফাদার বললেন গাছ দুটোর ফল হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল কিনে নিয়েছে ৪০০০০ টাকায়। দেখলাম ৪০ প্রকারের আমের চারাগাছ। এর মধ্যে আমেরিকান আমও আছে। কোকো ফলের গাছ আমাকে দিয়েছিলেন বেশ কয়েকটা।
আমরা ফিরে এসেছিলাম চারাগাছ নিয়ে। তখন আমার পোস্টিং ছিল ঘাটাইল সেনানিবাসে। পরে আবার আমরা গিয়েছিলাম মধুপুর জঙ্গলের আমেরিকান মিশনে। ফাদারকে মনে করিয়ে দিলাম ছেলে বাচ্চার কথা। এবারে ফাদার আমাদের হতাশ করে বললেন ছেলে বাচ্চা পাওয়া যাবে না। তাঁর বডি ল্যাঙ্গুয়েজ বলছিল তিনি আর্মির কাছে বাচ্চা বিক্রি করবেন না।
এখন এতো বর্ষ পরে খোঁজ নিয়ে দেখেন মধুপুরের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষদের কয়জন নিজ ধর্মে আছে? এরা এখন আমেরিকান ফাদার ও চার্চের সেবার ঠেলায় প্রায় সবাই খৃষ্ট ধর্ম গ্ৰহন করেছে।
আমি অধম এই সব সাদা চামড়ার সেবাঅন্ত প্রাণ ফাদার, ডাক্তার আর চার্চের প্রশংসা কি করে করি বলেন? যারা আমাদের দেশের সহজ সরল মানুষদের ভুল বুঝিয়ে ধর্ম হারা করছে! সমানে খৃষ্টান বানাচ্ছে।
দোষ আমাদের । ইহুদী, খৃষ্টানদের বুদ্ধিতে আজ আমাদের তবলীগ জামাত মুসলমানদের ইসলামে কনভার্ট করছে। এরা এখন আর অমুসলিমদের কাছে ইসলাম প্রচারের জন্য যায়না। এরা যাচ্ছে মুসলমানদের কাছে ইসলাম প্রচার করতে। হারাম হালাল, ফরজ, ওয়াজিব আর নফল শিক্ষা দিতে। ফাঁকা মাঠে তাই খৃষ্টানরা গোল দিচ্ছে। খৃষ্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত করছে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সরল মানুষদের। তবলীগীদের যুক্তি মুসলমানদের সংখ্যা বাড়িয়ে লাভ নাই । কোয়ালিটি মুসলমান বানাতে হবে।
আমি আর কি বলবো? যা বলবার আপনারাই বলেন।]

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net