ঢাকা   ০৬:৪৩:৩৭ এএম, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
মাগুরায় শাকের হত্যা এবং স্বর্ণ ডাকাতি মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক গোলাম জাহিদ গ্রেফতার যুব উন্নয়ন থেকে সফল আত্মকর্মী’র সম্মাননা পেলেন সুবর্ণা চৌধুরী মিরপুরে সংঘর্ষের পর যান চলাচল স্বাভাবিক আশুলিয়ায় শতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা, আহত ৫০ পুলিশ সদস্য আব্দুল হাকিম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন মোঃ জুলহাস ইরানের কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা : ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল সোলার এক্সপোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জের রামপুরে নতুন গ্যাসকূপের সন্ধান, মজুদ প্রায় ৯৮ বিলিয়ন ঘনফুট পোশাক শ্রমিকদের মজুরি নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতীয় স্বার্থ সমুন্নত রাখতে কৌশলগত নেতৃত্ব তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির

ইদুরের ওষুধ খাইয়ে ছোটো ভাইকে জবাই করলো বড় ভাই

কে এম ইউসুফ ::

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৮ জুন, ২০২১
  • ৫৫৩ বার
  • ৫ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার ফরহাদাবাদ ইউনিয়নের মন্দাকিনী এলাকার আলোচিত বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান আজমের হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচিত হয়েছে। আটক বড় ভাই সরওয়ার স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়েছে আদালতে।

ঘরের যাবতীয় আর্থিক লেনদেন ছোট ভাই আজমের হাতে থাকা’ই কাল হল আজমের। হত্যাকাণ্ডের পরের দিন আকদ হওয়ার কথা ছিলো অবিবাহিত আজমের। ২ জুন রাতে দোকানে ঘুমায় আজম। রাত ৮টার দিকে পার্শ্ববতী নিজ ঘর থেকে মায়ের বেড়ে দেওয়া ভাত আনে ছোট ভাইয়ের জন্য। এসময় তরকারিতে মিশিয়ে দেয় ইদুরের ওষুধ।
তখন দোকানে লোকজন আর কাজে ব্যস্ত থাকায় যথাসময়ে ওই খাবার খাওয়া হয়নি আজমের তাই ঘরে চলে যায় বড় ভাই সরওয়ার। তারপর সাড়ে ১০টা কিংবা ১১টার দিকে ঘাতক বড় ভাই মোবাইলে ভাত খেয়েছে কি-না জিজ্ঞেস করে, সে বলে হ্যাঁ এখন খাইছি।

এরপর তার বড় ভাই সরওয়ার দোকানে এসে আজমকে ডাকতে থাকে। আজম ভেতর থেকে দোকান খোলে দেয়ার পর সে অজ্ঞান হয়ে পড়ে যায়। তাকে নাড়াচাড়া করে দেখলো, আজম সজাগ আছে কিনা। আওয়াজ না করলে সে বুঝে নেয়, ইদুরের ওষুধে কাজ হয়েছে।

এরপর রাত ১২টার দিকে মুরগী জবাইয়ের ছুরি দিয়ে তাকে জবাই করে দেয় বড় ভাই সরওয়ার। রক্ত মেখে পাশে একটি পুরনো কিরিছ্ রেখে দেয় সে, লোকজন যাতে বুঝে নেয়, আজম নিজেই নিজের গলা কেটেছে এরপর সে দোকানের ভেতর থেকে সাটারের দুইটা নাট খোলে রাখে। রাত ৩টায় বের হয়ে তালা ও নাট লাগিয়ে নিজ ঘরে চলে যায়।

সকালে আজম দোকান না খোলায় পাশের চায়ের দোকানদার তাদের ঘরে খবর দেয়। এমন খবর শুনে ঘাতক সরওয়ার, চাচাতো, ফুফাতো ভাইসহ এলাকার লোকজন এসে দোকানের উপরে টিন খুলে রিমন প্রবেশ করার পর আজমকে গলা কাটা দেখে সে চিৎকার করে। তারপর ঘাতক বড় ভাই সরওয়ার নিজ পরিকল্পনা মতো আগে গিয়ে লাশের পাশ থাকা কিরিচ টা স্পর্শ করে। কারন, সে জানতো যদি না ধরে তাহলে তার আঙ্গুলের চাপ ওখানে আছে। তাতেই আটকে যেতে পারেন। এত সুক্ষ্ম পরিকল্পনার পরেও শেষ রক্ষা হল না ঘাতক সরওয়ারের এমনটা জানিয়েছন পুলিশ।

অবশেষে ঘটনার ১৩দিনের মাথায় পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে এসেছে হত্যাকান্ডের রহস্য। বড় ভাই নিজ হাতে জবাই করে হত্যা করে ছোট ভাই আজমকে’ এমনটাই জানিয়েছেন হাটহাজারী মডেল থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৫ জুন) চট্টগ্রাম চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক শাহরিয়ার ইকবালের আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে ঘাতক সরোয়ার। জবানবন্দির বিষয়টি নিশ্চিত করে হাটহাজারী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) রাজিব শর্মা বলেন- একে আমরা প্রথম দিকেই সন্দেহ করেছিলাম।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি