1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
কিশোরগঞ্জে ভাগ্য পরিবর্তন হচ্ছে রেশম চাষে - দৈনিক শ্যামল বাংলা
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:২৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
আওয়ামিলীগ নেতার ভূরিভোজে অংশ নেওয়ার অভিযোগে নোয়াখালীর সেনবাগ থানার ওসি প্রত্যাহার ঘটনার দিন তুহিনের গতিবিধি কেমন ছিল জানালেন মা অপ্রতীম হত্যাকাণ্ড: সিসিটিভি ফুটেজ দেখে আটক ৩ নোয়াখালীতে ডিএনসি-এসআরবি এর যৌথ অভিযানে ৬০০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক চক্রের মূল হোতা গ্রেপ্তার  সংবাদ সংগ্রহে বাঁধা : হাটহাজারীতে স্বেচ্ছাসেবক দলের ইউনিয়ন কমিটির আহবায়ক বহিষ্কার নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬ অনুষ্ঠিত  নবীনগরে এতিমখানা পরিদর্শনে ইউএনও ও শিক্ষা কর্মকর্তা, শিশুদের মাঝে হাইজিন কিট বিতরণ সোনারগাঁয়ে তানযীমুল উম্মাহ হিফয মাদরাসার ১২৭তম শাখার শুভ সূচনা, ‘আল্লাহর রং গ্রহণ করো; আল্লাহর চেয়ে উত্তম রং আর কার?’—ড. ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়া ঢাকা যাত্রাবাড়ী থেকে নোয়াখালীর ৬৫ বছরের আবু নাঈম নিখোঁজ, সন্ধান চায় পুলিশ ও পরিবার নোয়াখালীর হাতিয়ায় জাগলার চরে বন উজাড় ও সরকারি জমি দখলের অভিযোগে গ্রেপ্তার ২ 

কিশোরগঞ্জে ভাগ্য পরিবর্তন হচ্ছে রেশম চাষে

ইবনে সাঈদ অঙ্কুর, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৪৯২ বার

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর নারীদের ক্ষমতায়নে আত্ম-স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে কাজ করছে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড। বৃহত্তর নীলফামারী জেলায় দারিদ্র্য হ্রাসকরণ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় রেশমের গুটি উৎপাদনে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম বিনামূল্যে বিতরণের পাশাপাশি রাস্তার ধারে তুঁত গাছ রোপণ করছে প্রতিষ্ঠানটি। দেওয়া হচ্ছে প্রয়োজনীয় পরামর্শও। এতে করে উপজেলার বিভিন্ন ব্লকে প্রায় শতাধিক হতদরিদ্র পরিবারের নারীরা সচ্ছলতার মুখ দেখেছেন। বিনা খরচে অধিক লাভ হওয়ায় অন্য নারীরাও এগিয়ে আসছেন রেশম চাষে।
সৈয়দপুর রেশম সম্প্রসারণ কেন্দ্রের উদ্যোগে রেশম পোকার খাবারের জন্য পুঁটিমারী ইউপির কিশোরগঞ্জ-টেংগনমারী সড়কের দু’পাশে সারিদ্ধভাবে প্রায় ৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তুঁত গাছ রোপণ করা হয়েছে। বাড়ি বাড়ি তৈরি করে দেয়া হয়েছে ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা ব্যয়ে পলু ঘর। প্রতিটি বাড়িতে রেশম পোকা বিতরণ থেকে গুটি তৈরি পর্যন্ত সব কিছুই তদরকি করছেন রেশম বোর্ড। পরে উৎপাদিত গুটির মানভেদে সরকারি মূল্যে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি দরে কিনে নিচ্ছেন তারা।
সরেজমিনে জানা গেছে, শ্রমের ওপর নির্ভরশীল সংসারে অভাব-অনটন লেগেই থাকত পুঁটিমারী কালিকাপুর ড.পাড়া গ্রামের মর্জিনা, শাপলা ও বড়ভিটা চেয়ারম্যানপাড়ার মাহমুদা বেগমের পরিবারে। পরে রেশম বোর্ডর উদ্বুদ্ধকরণে কয়েক বছর আগে সরকারি প্রশিক্ষণ নিয়ে শুরু করেন এর চাষাবাদ। অল্প কিছু দিনের মধ্যেই তাদের সংসারে সচ্ছলতা ফিরে আসে। তারা জানান, তাদের মতো বাকি পরিবারগুলো বছরে ভাদুরী, অগ্রাহনী, চৈতা, জ্যৈষ্ঠা চারবার রেশমের গুটি উৎপাদন করে কম বেশি লক্ষাধিক টাকার মতো সংসারে জোগান দিচ্ছেন।
সৈয়দপুর রেশম সম্প্রসারণ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক রেজাউল করিম জানান, দরিদ্রতা হ্রাসকরণে কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সড়ক, পুকুর পাড়, পরিত্যক্ত জায়গায় রেশম চাষ করে গ্রামের হত দরিদ্র নারীরা স্বাবলম্বী হচ্ছেন। রেশম চাষের পরিধি আরো বাড়ানোর লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে রেশম উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net