1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
চন্দনাইশে আগুনে পুড়ছে পাহাড়ের সম্পদ। - দৈনিক শ্যামল বাংলা
সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৫০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
মাগুরার শ্রীপুরে কালবের উদ্যোগে মিউচ্যুয়াল এইড সার্ভিসেস ও লাইফ সেভিংসের বেনিফিট প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে নিখোঁজের একদিন পর বাড়ির সামনের পুকুর থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার  মাগুরার শ্রীপুরে কালবের উদ্যোগে মিউচ্যুয়াল এইড সার্ভিসেস ও লাইফ সেভিংসের বেনিফিট প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত নকলায় একাত্তরের মানবতাবিরোধী মিথ্যা মামলায় ৩ বিএনপি নেতার সাজা বাতিল ও মুক্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন  আনোয়ারায় একই চেয়ারে তিন বছরের বেশি মৎস্য কর্মকর্তা, ৭,৭৪৪ মৎস্যজীবীর তালিকা যাচাই ও প্রকাশের দাবি কুমিল্লায় প্রাডো গাড়িতে ৩ লাখ পিস ইয়াবা, আটক ২ বাংলাদেশে ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য অর্জনে সহায়তার আশ্বাস এডিবির গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অন্তহীন পথ চলছে সরকার : মাহদী আমিন নবীনগরে কিশোর গ্যাংয়ের হামলা-ভাঙচুরের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান ভাঙ্গুড়ায় ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে ১ যুবক আটক

চন্দনাইশে আগুনে পুড়ছে পাহাড়ের সম্পদ।

চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম)প্রতিনিধিঃ এস.এম.জাকির।
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৫ মার্চ, ২০২২
  • ৪৬৬ বার

চট্টগ্রাম চন্দনাইশের দোহাজারী মাস্টারঘোনা-চিরিংঘাটা-ধোপাছড়ি-কেয়ারখোলা এলাকার
পাহাড়ে বিগত কয়েকদিন ধরে আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বন। আগুনে
পুড়ছে বনজ ও ফলদ বাগান, ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে বনজ ও প্রাণিসম্পদ। পাশাপাশি
বন্যপ্রাণির আবাসস্থল পুড়ে যাওয়ায় প্রাণি শুণ্য হচ্ছে বন।

গতকাল শনিবার বিকেলে ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায়, প্রতি শুকনো মৌসুমে
পাহাড়ে আগুন লেগে থাকে। এতে বিস্তীর্ণ পাহাড় পুড়ে অনেকটা ন্যাড়া পাহাড়ে
পরিণত হয়। তেমনি চলতি মৌসুমেও গত কয়েকদিন আগে হঠাৎ করে কেয়ারখোলা-
মাস্টারঘোনা-চিরিংঘাটা-ধোপাছড়ি নামক স্থানে পাহাড়ে আগুনের সূত্রপাত হয়ে
পাহাড়ের বেশ অংশ পুড়ে কয়লা হয়ে যায়। চৈত্র-বৈশাখ মাসের আগে পাহাড়ের
মাটিতে শুকনো পাতা ও কাঠ পড়ে থাকায় একবার আগুন লাগলে তা পাহাড়ের পর পাহাড়
গ্রাস করে নেয়। কিন্তু কি এক অজানা কারণে পাহাড়ে আগুন লাগে বনবিভাগের
দায়িত্ব প্রাপ্তরা বলতে পারেনি। গত ৩ মার্চ পর্যন্ত পাহাড়ের চূড়া থেকে নিচু
পর্যন্ত দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছিল। আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বিস্তীর্ণ
বনজ ও ফলজ বাগান। ধ্বংস হচ্ছে পশু খাদ্য ও বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে অসংখ্য বন্যপ্রাণি,
পাখি ও কীট পতঙ্গ। স্থানীয়রা জানায়, শুকনো এ সময়ে পাহাড়ে বিভিন্ন পাক-
পাখালী ও বন্যপ্রাণিরা বাচ্চা দেয়। আগুনে অধিকাংশ পাক-পাখালী ও বন্যপ্রাণির
আবাসস্থল পুড়ে ধ্বংস হয়ে যায় এবং মারা পড়ে। পুড়ে ছাই হয়ে যায় বিভিন্ন ফলজ
বাগানও। এতে মারাত্মকভাবে ক্ষতি হয় জীব-বৈচিত্রের। সৌন্দযর্য হারাচ্ছে সবুজ
পাহাড়। বনবিভাগ দোহাজারী রেঞ্জের রেঞ্জার সিকদার আতিকুর রহমান বলেছেন, কি
কারণে পাহাড়ে আগুন লেগেছে তারা সঠিকভাবে জানেন না। তবে আগুন লাগার
বিষয়টি জানতে পেরে একদিনের প্রচ্ষ্ঠোয় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।
তিনি বলেন, পাহাড়ে প্রতিদিন আসে অসংখ্য মানুষ
আসা যাওয়া করে।

কেউ আসে পাহাড়ি ছন কাটতে, কেউ আসে লাকড়ি আহরণ করতে, আবার কেউ কেউ
আসে ঘুরতে। এদের মধ্য থেকে ছুড়ে ফেলা বিড়ি সিগারেটের আগুন থেকেই
পাহাড়ে আগুন লাগতে পারে বলে তিনি ধারণা করছেন। বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ে
বিগত কয়েকদিন ধরে আগুন জ্বলেছে। এতে বিভিন্ন প্রজাতির বনজ ও ফলদ বাগান
নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি বন্যপ্রাণি আবাসস্থল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net