ঢাকা   ১২:৪৯:২৫ এএম, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
মোংলা বন্দরের আধুনিকায়নে ৪,০৬৮ কোটি টাকার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী মনোহরগঞ্জে টিনের বেড়া দিয়ে রাস্তা বন্ধ,অবরুদ্ধ চার পরিবার! সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগ মাগুরায় শাকের হত্যা ও স্বর্ণ ডাকাতি ঘটনায় ১১জন গ্রেপ্তার, প্রেস ব্রিফিং এ পুলিশ সুপার কুমিল্লায় নিখোঁজ ভারতীয় শিক্ষার্থীর মরদেহ মিলল পুকুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে বিশেষ স্মারক ডাক টিকেট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রীর মাগুরায় শাকের হত্যা এবং স্বর্ণ ডাকাতি মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক গোলাম জাহিদ গ্রেফতার যুব উন্নয়ন থেকে সফল আত্মকর্মী’র সম্মাননা পেলেন সুবর্ণা চৌধুরী মিরপুরে সংঘর্ষের পর যান চলাচল স্বাভাবিক আশুলিয়ায় শতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা, আহত ৫০ পুলিশ সদস্য আব্দুল হাকিম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন মোঃ জুলহাস

হাতিয়ায় সাজাপ্রাপ্ত মামলার আসামি মিরাজ ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী!

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৫ মে, ২০২২
  • ৩৫১ বার
  • ৫ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

নোয়াখালীর হাতিয়ার হরণী ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে ১নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য পদে প্রার্থী হওয়ার অভিযোগ উঠেছে ৪বছরের সাজাপ্রাপ্ত মো.মিরাজের। এ নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে।

এ ঘটনায় মিরাজের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. ইউছুফ ও মাহবুবুর রহমান জেলা জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

বুধবার (২৫ মে) অভিযোগের শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে ।

জানা যায়, মিরাজ দ্রুত বিচার আইনে হওয়া একটি মামলার চার বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি তিনি। ২০০৩ সালের ১১ আগস্ট নোয়াখালী দ্রুত বিচার আদালতের প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোস্তফা কামাল মজুমদার ওই মামলার রায় দেন। রায়ে মিরাজসহ ১৩ জন আসামিকে চার বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আগামী ১৫ জুন ওই ইউপিকে ভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা আছে।

লিখিত অভিযোগে দুই প্রার্থী বর্ণনা করেছেন, ২০০৩ সালের ৫ জুন হাতিয়ার হরণী ইউনিয়নের বয়াচরের মাঈনুদ্দিন বাজারে সশস্ত্র হামলা, বোমাবাজি ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় করা দ্রুত বিচার আইনের একটি মামলায় মিরাজসহ ১৩ জন আসামিকে চার বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত। সাজা দেওয়ার পর থেকে মিরাজ প্রকাশ্যে থাকলেও পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেনি। তিনি সাজার তথ্য গোপন করে অনুষ্ঠিতব্য ইউপি নির্বাচনে ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য পদে প্রার্থী হয়েছেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে হরণী ইউনিয়নের ১নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থী মো. মিরাজ বলেন, তিনি মামলা ও সাজার বিষয়ে কিছুই জানতেননা। শুনছেন, তাঁর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থী নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেছেন।

লিখিত অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে জেলার জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মেজবাহ উদ্দিন বলেন, ২টি আপিল পেয়েছি। আজ বিকেলের মধ্যে উপজেলা অফিসে আমি লিখিত আদেশ দিয়ে দেব। অভিযোগ সত্য কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা বিচারের বিষয় এটা এভাবে বলা যাবেনা বলে লাইন কেটে দেন।

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমির হোসেন জানান, ইউপি নির্বাচনের প্রার্থী মিরাজের বিরুদ্ধে এর আগে দুটি মামলার তথ্য তাঁরা নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছেন বলে আমি শুনেছি। স্থানীয়দের দাবী রহস্যজনক ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে এ বিষয়ে কমিশনের কর্মকর্তাদের। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নির্বাচন কমিশনের এক কর্মকর্তা আরো বলেন, কোনো মামলায় তাঁর সাজা হওয়ার পরও বিষয়টি জেনেও ব্যবস্থা নেয়নি তা অফিস তা আমার নিকট রহস্যময় মনে হলো।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি