1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
সরকারি খালে বিষ দিয়ে মাছ শিকার - দৈনিক শ্যামল বাংলা
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : মীর হেলাল চন্দনাইশে কারিতাস বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ১,২৮০ বন্যার্ত পরিবার পেল নগদ সহায়তা, হাইজিন কিট ও ত্রাণ” চন্দনাইশের বরমায় ৩ হাজার ৫০০ বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে আবদুর রহিম চৌধুরী ফাউন্ডেশনের ত্রাণ বিতরণ জুলাই-আগস্টের শহীদদের স্মরণে ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল আল-মুঈন ত্রাণ তহবিল কর্তৃক বন্যাদুর্গতদের নগদ অর্থ বিতরণ কিশোরগঞ্জে ৭ম শ্রেণীর স্কুলছাত্রী অপহরণ, সপ্তাহ পরেও হয়নি উদ্ধার মাগুরায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা  শুরু শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২২ কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক উধাও, থানায় অভিযোগ সোনারগাঁয়ে কুপিয়ে হত্যা: বিএনপি নেতাসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ চকবাজার থানা কমিটি কর্তৃক সাইবার ইউজার দলের ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে গুজব/তথ্য সন্ত্রাস প্রতিরোধে সচেতনতামূলক আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

সরকারি খালে বিষ দিয়ে মাছ শিকার

মাহমুদুল হাসান,রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৬ জুন, ২০২২
  • ৩৬৭ বার

রাঙ্গাবালীতে খালে বিষ দিয়ে মাছ ধরার অভিযোগ পাওয়া গেছে একটি অসাধু চক্রের বিরুদ্ধে। জোয়ার ভাটার সময় বুঝে দিনে কিংবা রাতের অন্ধকারে উপজেলার ছোট বড় খালে বিষ দিয়ে মাছ শিকার করে চক্রটি এবং তা স্থানীয় মৎস্য ব্যাবসায়ীদের কাছে এবং আশেপাশের হাট বাজারে বিক্রি করছে এই অসাধু চক্রটি। এ চক্রের সদস্যদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল সহ এলাকার বাসিন্দারা।
জানা যায়, উপজেলার কানকুনিপাড়া, মৌডুবী ফরেস্ট বিট এর আওতাধীন বনবিভাগের আশাবাড়িয়া ও চড়তুফানিয়ার কয়েকটি সরকারি খালে দিনে এবং বেশিরভাগ সময় রাতে ভাটার সময় বিষ দিয়ে মাছ ধরা হচ্ছে। আর এ বিষ দেয়ার ফলে জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হচ্ছে। একই সঙ্গে বিষাক্ত মাছ খাওয়ায় স্বাস্থ্যঝুঁকিতে এলাকার মানুষ।

ফরেস্ট অফিসের কর্মকর্তাদের একাদিক বার জানালেও তারা এ ব্যাপারে কোন পদক্ষপ নেয়নি অহর অহর চলছে খালে বিষ প্রয়োগের মাধ্যমে মাছ শিকার। কর্মকর্তারা অফিসে বসে কি? করছেন নাকি ওই সব অসাধু চক্রের সাথে তাদের হাত আছে এই প্রশ্ন তুললেন স্থানীয়রা।

তারা আরো জানান, ঘরে খাবারের কিছু না থাকলে একটি জাল নিয়ে খালে দুই-চারটা জাল মারলে খাবারের মাছ হয়ে যেতো কিন্তু এখন খালে গিয়ে সারা দিন জাল মারলে একটি মাছও পাওয়া যায়না। এর কারন হচ্ছে একটি খালে একবার বিষ দিলে বড় থেকে শুরু করে গুরা মাছ ও বিষাক্ত সাপটি পর্যন্ত মারা যায় এর পর ওই খালে ১৫-২০ দিন পর্যন্ত বিষের ঘ্রানে কোন প্রকার মাছ আসেনা। এখনই সময় এই চক্রের হাত থেকে সরকারি খাল উদ্দার করা। আমরা মনে করি বিষ পার্টির উপর আইনগত ব্যবস্তা নেয়া দরকার।

সচেতন মহলরা জানায়, খালে বিষ প্রয়োগ এর ফলে মাছ সহ সব জলজ প্রাণীর মৃত্যু হচ্ছে। পেশাদার জেলেদের পাশাপাশি স্থানীয় কিছু যুবক এ কাজের সঙ্গে জড়িত। উপজেলার মৌডুবী ইউনিয়ন এর ভুইয়াকান্দা গ্রামের কয়েক জন লোক বাইলাবুনিয়া গ্রামের কিছু লোক জন সহ রাঙ্গাবালী উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কিছু লোক এসব এলাকায় এসে খালে বিষ দিয়ে মাছ শিকার করে একটি চক্র মৌডুবীর বনবিভাগের খালে অহরহ বিষ দিয়ে মাছ ধরছে। বিষ প্রয়োগ কারিরা একাধিক বার বনবিভাগের কর্মকর্তাদের হাতে ধরা পরার পরও পার পেয়ে যাচ্ছেন। এই চক্রটিকে গ্রেফতারের দাবিও জানান তারা।

উপজেলার পশুরবুনিয়া কানকুনিপাড়ার বিট কর্মর্কতা সোহেব খান বলেন, আমাদের বন বিভাগের এরিয়া অনেক বড় আমরা যখন ডিউটিতে যাই তখন আমাদের সামনে বিষ প্রয়োগ কারিরা পরলে কোন প্রকার এরিয়ে যাইনা এবং এরিয়ে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই। কিছু দিন আগে মৌডুবীতে খালে বিষ দেয়ায় এলাকার লোকজন বিষ দেয়া পাটিৃকে ফরেস্ট স্টাফদের হাতে তুলে দেয় এবং তাদের নামে মামলা করে তাদেরকে চালান করে দেয়া হয়। যারা খালে বিষ দেয় এরাতো এলাকার হাট বাজার থেকে বিষ সংগ্রহ করে থাকে স্থানীয় জনপ্রশাসন মেম্বার চেয়ারম্যারন সহ সমাজের সচেতন ব্যাক্তিরা তাদের নিষেধ করেন। আর যারা সমাজে বিষ পার্টি নামে পরিচিত আছে আমাদেও সাথে আপনারাও সহযোগিতা করুন। যাতে করে অসাধু চক্রকে প্রতিহত করতে পারি।

এ বিষয়ে উপজেলার মৌডুবী ফরেস্ট ক্যাম্প এর বিট কর্মকর্তা জাহিদ প্রামানিক জানান, কিছু দিন আগে আমরা এলাকাবাসীর সহযোগিতায় বনবিভাগের খাল গুলোতে অভিযান চলাকালিন সময় খালে বিষ দেয়া অবস্থায় হাতে নাতে আটক করি এবং তাদেও বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেই। আমি জানতে পেয়েছি স্থানীয় একদল চক্র বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকার করে আমারা তাদেরকে হাতে নাতে ধরার অভিযান চলমান রয়েছে।

বন বিভাগিও কর্মকর্তা আব্দুলাহ আল মামুন বলেন, আমরা রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ,কানকুনির চর, মৌডুবী সহ সকল খাল ও চরে মাছ ধরা নিষেধ করছি। এবং ইতি মধ্যে আমরা তিন জনকে বিষ দেয়ার সময় ধরে কোটে চালান করছি। তবে আমরা কোন রাজ্বস্য আদায় অন্য কোন ভাবে বনবিভাগে মাছ ধরার কোন অনুমতি দিচ্ছি না এবং যারা খালে বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকার করে আর যে সমস্ত গদি মালিকরা এ ঘটনার সাথে জরিত থাকবে আমরা তাদেও উপর ও কঠোর আইনানুগত ব্যবস্থা নিবো।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net