1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
জিকে গাছ ও হারিয়ে যাওয়া দৃশ্য। - দৈনিক শ্যামল বাংলা
মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:২৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
মাগুরার শ্রীপুরে আধিপত্যেকে কেন্দ্র করে বাড়িঘরে ব্যাপক ভাঙচুর, লুটপাট!  আহত -৫ মানুষ মেরে পালাচ্ছিলো প্রাইভেটকার : ধাওয়া দিয়ে হাটহাজারীতে আটকালো জনগন নোয়াখালীতে চট্টগ্রাম অঞ্চল উপযোগী বিনা উদ্ভাবিত জাত ও প্রযুক্তি সম্প্রসারণে আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামের শিপইয়ার্ড যেন মৃত্যুকূপ ৯ বছরে ১৩৭ শ্রমিকের মৃত্যু, নিরাপত্তা তদারকিতে গাফিলতির অভিযোগ মাগুরার শ্রীপুরে কালবের উদ্যোগে মিউচ্যুয়াল এইড সার্ভিসেস ও লাইফ সেভিংসের বেনিফিট প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে নিখোঁজের একদিন পর বাড়ির সামনের পুকুর থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার  মাগুরার শ্রীপুরে কালবের উদ্যোগে মিউচ্যুয়াল এইড সার্ভিসেস ও লাইফ সেভিংসের বেনিফিট প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত নকলায় একাত্তরের মানবতাবিরোধী মিথ্যা মামলায় ৩ বিএনপি নেতার সাজা বাতিল ও মুক্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন  আনোয়ারায় একই চেয়ারে তিন বছরের বেশি মৎস্য কর্মকর্তা, ৭,৭৪৪ মৎস্যজীবীর তালিকা যাচাই ও প্রকাশের দাবি কুমিল্লায় প্রাডো গাড়িতে ৩ লাখ পিস ইয়াবা, আটক ২

জিকে গাছ ও হারিয়ে যাওয়া দৃশ্য।

নেহাল আহমেদ।রাজবাড়ী।
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ২১৪৩ বার

ছোটবেলায় একধরনের কচি ফল দিয়ে সরু বাঁশের চোঙায় ঢুকিয়ে কাঠি দিয়ে চাপ দিয়ে বাজির মতো ফোটাতাম। সেটা ছিলো আমাদের দেশীয় আগ্নেয়াস্থ।আমাদের সময় প্লাস্টিকের এতো ব্যবহার ছিলো না।গুলটি বাশের বন্দুক খুব জনপ্রিয় ছিলো।জিকে গাছ কাটলে এর রস বের হয়ে আঠালো হয়ে যেত। সেই আঠা ঘুড়ি বানানো, বইয়ের মলাট, চিঠির খামের মুখ লাগানোসহ কত কাজেই না ব্যবহার করেছি। পুরোনো বাড়ির সেই গাছটির আঠা এখন আর নেই।এর ব্যবহারের বদলে জায়গা নিয়েছে বিভিন্ন গাম,আইকা সহ নানান আঠা।২০১০ সালে দিকেও দেশের বিভিন্ন পোষ্ট অফিসে এই আঠা কাগজ বা খাম আটার জন্য ব্যাপক ভাবে ব্যবহার করা হত। শুধু পোষ্ট অফিসেই নয়, কাগজ জোড়ার ক্ষেত্রে এক সময় এই আঠার কোন জুড়ি ছিল না। প্রবীনরা জানান, মানুষ সহজলভ্য জিনিসের মূল্যায়ন খুব কম করে থাকে। এত সহজে আর কোন গাছ হয় না।

লাগানো কোন জিয়ল গাছ কখনও মারা যায় না। গ্রামের বাড়ির বিশেষ কোন অংশকে পৃথক করার জন্য এই গাছের ডাল বেড়া হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এলাকা ভেদে এটা মানুষের কাছে জিগা, জিকা, জিয়ল, জিয়েল, বাধি, কাফিলা ও কচা গাছ নামে পরিচিত।বাচ্চাদের নিয়ে পাট কাঠির আগায় জিকের আঠা দিয়ে ফড়িং ধরার দৃশ্য এখন কল্পনা করা যায় না।স্থানীয় নাম: জিগা বা জিকা, ভাদি, জিয়াল, জিয়ালভাদি, জাটাভাদি, জিগর, কামিলা, কাফিলা। ভূমিকা: জিগা বা জিকা গাছ আমরা সচরাচর দেখে থাকি। অনেকে বাড়ির অঙ্গিনা বা জমির প্রান্তে লাগিয়ে থাকে। এই গাছের মূল, পাতায় আছে ঔষধি গুণাগুণ।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net