1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
জিকে গাছ ও হারিয়ে যাওয়া দৃশ্য। - দৈনিক শ্যামল বাংলা
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
সোনারগাঁয়ে তিন স্কুলছাত্রের মৃত্যু: অবৈধ ড্রেজিং বন্ধ ও দ্রুত বিচার দাবি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ঘোষনার পর পর নির্বাচনী হাওয়া চন্দনাইশে ভোটের মাঠে প্রস্তুত বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীরা আমি নির্বাচিত হলে ১ নং বাগান বাজার ইউনিয়নের ১,২ ও ৩ নং সংরক্ষিত মহিলা ওয়ার্ডকে একটি মডেল ওয়ার্ড উপহার দিব – মহিলা মেম্বার প্রার্থী জাহানারা আক্তার চৌধুরী ( বি,এ) মেঘনায় গোসলে নেমে তিন কিশোরের মৃত্যু, শোকাহত পরিবারের পাশে ড. আসগর আলী কোম্পানীগঞ্জে দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে মাছের পোনা অবমুক্ত করেছেন এমপি ফখরুল ইসলাম বাগান বাজার ১নং ওয়ার্ডকে মাদকমুক্ত ও উন্নত সমাজ গড়ে তুলতে চাই- মেম্বার প্রার্থী নিজাম উদ্দিন  মাগুরায় জেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত মাগুরা শ্রীপুরের খামারপাড়া বাজারে দূর্ধর্ষ চুরি সংগঠিত চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের কাবাডি টুর্নামেন্টের ফাইনাল : হাটহাজারীকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন বাঁশখালি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে নিষিদ্ধ নেতাদের নিয়ে ইউএনও’র ভূরিভোজ, এলাকায় তীব্র ক্ষোভ

জিকে গাছ ও হারিয়ে যাওয়া দৃশ্য।

নেহাল আহমেদ।রাজবাড়ী।
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ২২২৭ বার

ছোটবেলায় একধরনের কচি ফল দিয়ে সরু বাঁশের চোঙায় ঢুকিয়ে কাঠি দিয়ে চাপ দিয়ে বাজির মতো ফোটাতাম। সেটা ছিলো আমাদের দেশীয় আগ্নেয়াস্থ।আমাদের সময় প্লাস্টিকের এতো ব্যবহার ছিলো না।গুলটি বাশের বন্দুক খুব জনপ্রিয় ছিলো।জিকে গাছ কাটলে এর রস বের হয়ে আঠালো হয়ে যেত। সেই আঠা ঘুড়ি বানানো, বইয়ের মলাট, চিঠির খামের মুখ লাগানোসহ কত কাজেই না ব্যবহার করেছি। পুরোনো বাড়ির সেই গাছটির আঠা এখন আর নেই।এর ব্যবহারের বদলে জায়গা নিয়েছে বিভিন্ন গাম,আইকা সহ নানান আঠা।২০১০ সালে দিকেও দেশের বিভিন্ন পোষ্ট অফিসে এই আঠা কাগজ বা খাম আটার জন্য ব্যাপক ভাবে ব্যবহার করা হত। শুধু পোষ্ট অফিসেই নয়, কাগজ জোড়ার ক্ষেত্রে এক সময় এই আঠার কোন জুড়ি ছিল না। প্রবীনরা জানান, মানুষ সহজলভ্য জিনিসের মূল্যায়ন খুব কম করে থাকে। এত সহজে আর কোন গাছ হয় না।

লাগানো কোন জিয়ল গাছ কখনও মারা যায় না। গ্রামের বাড়ির বিশেষ কোন অংশকে পৃথক করার জন্য এই গাছের ডাল বেড়া হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এলাকা ভেদে এটা মানুষের কাছে জিগা, জিকা, জিয়ল, জিয়েল, বাধি, কাফিলা ও কচা গাছ নামে পরিচিত।বাচ্চাদের নিয়ে পাট কাঠির আগায় জিকের আঠা দিয়ে ফড়িং ধরার দৃশ্য এখন কল্পনা করা যায় না।স্থানীয় নাম: জিগা বা জিকা, ভাদি, জিয়াল, জিয়ালভাদি, জাটাভাদি, জিগর, কামিলা, কাফিলা। ভূমিকা: জিগা বা জিকা গাছ আমরা সচরাচর দেখে থাকি। অনেকে বাড়ির অঙ্গিনা বা জমির প্রান্তে লাগিয়ে থাকে। এই গাছের মূল, পাতায় আছে ঔষধি গুণাগুণ।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net