1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
জিকে গাছ ও হারিয়ে যাওয়া দৃশ্য। - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
অপ্রতীম হত্যাকাণ্ড: সিসিটিভি ফুটেজ দেখে আটক ৩ নোয়াখালীতে ডিএনসি-এসআরবি এর যৌথ অভিযানে ৬০০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক চক্রের মূল হোতা গ্রেপ্তার  সংবাদ সংগ্রহে বাঁধা : হাটহাজারীতে স্বেচ্ছাসেবক দলের ইউনিয়ন কমিটির আহবায়ক বহিষ্কার নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬ অনুষ্ঠিত  নবীনগরে এতিমখানা পরিদর্শনে ইউএনও ও শিক্ষা কর্মকর্তা, শিশুদের মাঝে হাইজিন কিট বিতরণ সোনারগাঁয়ে তানযীমুল উম্মাহ হিফয মাদরাসার ১২৭তম শাখার শুভ সূচনা, ‘আল্লাহর রং গ্রহণ করো; আল্লাহর চেয়ে উত্তম রং আর কার?’—ড. ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়া ঢাকা যাত্রাবাড়ী থেকে নোয়াখালীর ৬৫ বছরের আবু নাঈম নিখোঁজ, সন্ধান চায় পুলিশ ও পরিবার নোয়াখালীর হাতিয়ায় জাগলার চরে বন উজাড় ও সরকারি জমি দখলের অভিযোগে গ্রেপ্তার ২  বাঙ্গরায় গ্রামীণ অবকাঠামো প্রকল্পে সড়ক উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন মাগুরা শ্রীপুরের আমলসার বাজার থেকে ১১ জুয়ারী আটক

জিকে গাছ ও হারিয়ে যাওয়া দৃশ্য।

নেহাল আহমেদ।রাজবাড়ী।
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ২২২৩ বার

ছোটবেলায় একধরনের কচি ফল দিয়ে সরু বাঁশের চোঙায় ঢুকিয়ে কাঠি দিয়ে চাপ দিয়ে বাজির মতো ফোটাতাম। সেটা ছিলো আমাদের দেশীয় আগ্নেয়াস্থ।আমাদের সময় প্লাস্টিকের এতো ব্যবহার ছিলো না।গুলটি বাশের বন্দুক খুব জনপ্রিয় ছিলো।জিকে গাছ কাটলে এর রস বের হয়ে আঠালো হয়ে যেত। সেই আঠা ঘুড়ি বানানো, বইয়ের মলাট, চিঠির খামের মুখ লাগানোসহ কত কাজেই না ব্যবহার করেছি। পুরোনো বাড়ির সেই গাছটির আঠা এখন আর নেই।এর ব্যবহারের বদলে জায়গা নিয়েছে বিভিন্ন গাম,আইকা সহ নানান আঠা।২০১০ সালে দিকেও দেশের বিভিন্ন পোষ্ট অফিসে এই আঠা কাগজ বা খাম আটার জন্য ব্যাপক ভাবে ব্যবহার করা হত। শুধু পোষ্ট অফিসেই নয়, কাগজ জোড়ার ক্ষেত্রে এক সময় এই আঠার কোন জুড়ি ছিল না। প্রবীনরা জানান, মানুষ সহজলভ্য জিনিসের মূল্যায়ন খুব কম করে থাকে। এত সহজে আর কোন গাছ হয় না।

লাগানো কোন জিয়ল গাছ কখনও মারা যায় না। গ্রামের বাড়ির বিশেষ কোন অংশকে পৃথক করার জন্য এই গাছের ডাল বেড়া হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এলাকা ভেদে এটা মানুষের কাছে জিগা, জিকা, জিয়ল, জিয়েল, বাধি, কাফিলা ও কচা গাছ নামে পরিচিত।বাচ্চাদের নিয়ে পাট কাঠির আগায় জিকের আঠা দিয়ে ফড়িং ধরার দৃশ্য এখন কল্পনা করা যায় না।স্থানীয় নাম: জিগা বা জিকা, ভাদি, জিয়াল, জিয়ালভাদি, জাটাভাদি, জিগর, কামিলা, কাফিলা। ভূমিকা: জিগা বা জিকা গাছ আমরা সচরাচর দেখে থাকি। অনেকে বাড়ির অঙ্গিনা বা জমির প্রান্তে লাগিয়ে থাকে। এই গাছের মূল, পাতায় আছে ঔষধি গুণাগুণ।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net