1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
জিকে গাছ ও হারিয়ে যাওয়া দৃশ্য। - দৈনিক শ্যামল বাংলা
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
চকবাজার থানা কমিটি কর্তৃক সাইবার ইউজার দলের ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে গুজব/তথ্য সন্ত্রাস প্রতিরোধে সচেতনতামূলক আলোচনা ও দোয়া মাহফিল ডেমরায় জিপসাম কারখানা বন্ধে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কোম্পানীগঞ্জে চৌধুরীহাট ডিগ্রী কলেজের পুনর্গঠিত গভর্নিং বডির পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  ২৭ জুলাই হতে শুরু হচ্ছে হজের প্রাথমিক নিবন্ধন পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদকে ফ্যাসিস্ট মুক্ত করা হয়েছে; খাগড়াছড়িতে পিসিএনপি চেয়ারম্যান হামিদ রানা চন্দনাইশে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সিটি মেয়র ডা. শাহাদাতের ত্রাণ প্রতিবন্ধী যুবককে মারধরের অভিযোগ, ভাঙ্গুড়া থানায় লিখিত অভিযোগ নকলায় মোটরসাইকেল ও পিকআপ সংঘর্ষে ইলেকট্রিক মিস্ত্রী নিহত প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকট-পাঠদান ব্যাহত চন্দনাইশ ধোপাছড়িতে ৬ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বেহাল দশা   ক্যামব্রিজ ইসলামিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে কোরআন ক্লাসের মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

জিকে গাছ ও হারিয়ে যাওয়া দৃশ্য।

নেহাল আহমেদ।রাজবাড়ী।
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ২০৭৯ বার

ছোটবেলায় একধরনের কচি ফল দিয়ে সরু বাঁশের চোঙায় ঢুকিয়ে কাঠি দিয়ে চাপ দিয়ে বাজির মতো ফোটাতাম। সেটা ছিলো আমাদের দেশীয় আগ্নেয়াস্থ।আমাদের সময় প্লাস্টিকের এতো ব্যবহার ছিলো না।গুলটি বাশের বন্দুক খুব জনপ্রিয় ছিলো।জিকে গাছ কাটলে এর রস বের হয়ে আঠালো হয়ে যেত। সেই আঠা ঘুড়ি বানানো, বইয়ের মলাট, চিঠির খামের মুখ লাগানোসহ কত কাজেই না ব্যবহার করেছি। পুরোনো বাড়ির সেই গাছটির আঠা এখন আর নেই।এর ব্যবহারের বদলে জায়গা নিয়েছে বিভিন্ন গাম,আইকা সহ নানান আঠা।২০১০ সালে দিকেও দেশের বিভিন্ন পোষ্ট অফিসে এই আঠা কাগজ বা খাম আটার জন্য ব্যাপক ভাবে ব্যবহার করা হত। শুধু পোষ্ট অফিসেই নয়, কাগজ জোড়ার ক্ষেত্রে এক সময় এই আঠার কোন জুড়ি ছিল না। প্রবীনরা জানান, মানুষ সহজলভ্য জিনিসের মূল্যায়ন খুব কম করে থাকে। এত সহজে আর কোন গাছ হয় না।

লাগানো কোন জিয়ল গাছ কখনও মারা যায় না। গ্রামের বাড়ির বিশেষ কোন অংশকে পৃথক করার জন্য এই গাছের ডাল বেড়া হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এলাকা ভেদে এটা মানুষের কাছে জিগা, জিকা, জিয়ল, জিয়েল, বাধি, কাফিলা ও কচা গাছ নামে পরিচিত।বাচ্চাদের নিয়ে পাট কাঠির আগায় জিকের আঠা দিয়ে ফড়িং ধরার দৃশ্য এখন কল্পনা করা যায় না।স্থানীয় নাম: জিগা বা জিকা, ভাদি, জিয়াল, জিয়ালভাদি, জাটাভাদি, জিগর, কামিলা, কাফিলা। ভূমিকা: জিগা বা জিকা গাছ আমরা সচরাচর দেখে থাকি। অনেকে বাড়ির অঙ্গিনা বা জমির প্রান্তে লাগিয়ে থাকে। এই গাছের মূল, পাতায় আছে ঔষধি গুণাগুণ।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net