1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
মাগুরায় কেঁচো সার উৎপাদন করে সফলতা অর্জন করছে রুমানা বেগম - দৈনিক শ্যামল বাংলা
সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ১০:২৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
সরকারের নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অধিক মূল্যের সার বিক্রি করায় ডিলারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়-কে ১০টি নতুন বাস উপহার দিচ্ছে জসিম উদ্দিন ফাউন্ডেশন নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভা ছাত্রদলের নবগঠিত  কমিটি নিয়ে অভিযোগ,পুনর্গঠনের দাবি দাবিতে মিছিল  মেয়েদের জন্য সর্বজনীন উপবৃত্তি পুনর্বহালের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর হাইকোর্টের রায়ে নুসরাতের মায়ের সন্তোষ, পরিবারের নিরাপত্তা দাবি ফেনী পরশুরামে মাদক দিয়ে রাকিব নামে এক যুবকে পাসানোর চেষ্টা ভারতের হাসপাতালে আগুন, প্রাণ গেল ৩ নবজাতকের মার্কিন নিষেধাজ্ঞার অপেক্ষায় বিশ্ববাজারে কমলো জ্বালানি তেলের দাম ইমরান খানের চিকিৎসার দাবিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে গাভাস্কার-কপিলদের চিঠি নোয়াখালীর সেনবাগে গরুর ঘাস কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু 

মাগুরায় কেঁচো সার উৎপাদন করে সফলতা অর্জন করছে রুমানা বেগম

মোঃ সাইফুল্লাহ ;
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৩৪৩ বার

মাগুরার শ্রীপুরে কেঁচাে সার (ভার্মি কম্পোস্ট) উৎপাদন করে সফলতা অর্জন করেছে রুমানা বেগম নামে এক কৃষাণী। এখন তিনি সম্পূর্ন স্বাবলম্বী। রুমানা বেগম শ্রীপুর উপজেলার সব্দালপুর ইউনিয়নের কাজলী গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক মোল্যার স্ত্রী।
২০০৮ সালে মুজিবনগর কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ নিয়ে সীমিত পরিসরে কেঁচো সার চাষ শুরু করেন রুমানা বেগম। প্রশিক্ষণ শেষে তাকে কৃষি উপকরণ সরবরাহ করেন কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প কতৃপক্ষ ।
সেসময় সীমিত পরিসরে শুরু করলেও বর্তমানে তাঁর প্রদর্শনীতে ২০ কেজির উপরে আফ্রিকান জাতের কেঁচো রয়েছে। অতি সম্প্রতি তিনি ২৫ কেজি কেঁচো বিক্রিও করেছেন। এখন প্রতি মাসে ২০ টন গোবর থেকে ২৪ টি হাউজে প্রায় ১৫ টন কেঁচো সার উৎপাদন হচ্ছে। যার প্রতি কেজি সার ১৫ টাকা মূল্যে বিক্রি হয়। এখন সে সার ও কেঁচো বিক্রি করে প্রতিমাসে ৩০থেকে ৩২হাজার টাকা উপার্জন করছে।
উৎপাদিত প্যাকেট জাত কেঁচো সার তাঁর বাড়ি থেকে উপজেলা কৃষি অফিস, সার ব্যবসায়ী ও কৃষকেরা প্রতিনিয়ত কিনতে আসছেন। তাঁর এই সফলতা দেখে আশে পাশের অনেক মহিলারা উদ্বুদ্ধ হয়ে কেঁচো সার উৎপাদন শুরু করেছেন। রুমানার সফলতায় উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে তাকে দিয়ে ৩০ জনের একটি দল গঠন করা হয়েছে।

কেঁচো সার উৎপাদনকারী রুমানা বলেন, কৃষি অফিস থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে ১’শ আফ্রিকান জাতের কেঁচো ও ৩ টি হাউজে স্বল্প পরিসরে কেঁচো সার (ভার্মি কম্পোস্ট) চাষ শুরু করি। এখন আমি প্রতিমাসে সার ও কেঁচো বিক্রি করে ৩০ থেকে ৩২ হাজার টাকা উপার্জন করছি। অন্যান্য রাসায়নিক সারের পাশাপাশি এই অর্গানিক সারটির বাজারে মোটামুটি ভাল চাহিদা রয়েছে।

কাজলি বাজারের সার ও কীটনাশক ব্যবসায়ী মুশফিকুর রহমান কানন বলেন, ভার্মি কম্পোস্ট সার পরিবেশ বান্ধব। এতে মাটির ক্ষতি হয় না। অন্যান্য সারের তুলনায় বাজারে এ সারের চাহিদা রয়েছে।স্থানীয়ভাবে আরো এধরনের উদ্দ্যোক্তা গড়ে তোলা প্রয়োজন বলে আমি মনে করি।

সংশ্লিষ্ট ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আশিষ কুমার সরকার বলেন, উপজেলা কৃষি অফিসের মাধ্যমে রুমানা বেগমকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এখন তিনি সম্পুর্ন স্বাবলম্বী। তাকে দেখে অনেক মহিলা উদ্বুদ্ধ হয়ে কেঁচো সার উৎপাদন শুরু করেছে। উপজেলা কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে আমরা তাদেরকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করছি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সালমা জাহান নিপা বলেন, কৃষাণী রুমানা মুজিবনগর কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। বর্তমানে যা বৃহত্তর যশোর-কুষ্টিয়া কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প নামে পরিচিত। তিনি বিভিন্ন সংস্থার ভার্মি কম্পোস্টের উপর টেইনার হিসেবে কাজ করছেন। প্রতিনিয়ত উপজেলা কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে তার সার উৎপাদনের বিষয়ে খেয়াল রাখা হচ্ছে। এ বিষয়ে তাকে বিভিন্ন প্রকার পরামর্শ দেওয়া হয়। তার উৎপাদিত সারের মান ভাল। এছাড়াও প্রতি শতক জমিতে ৩ কেজি করে কেঁচো সার প্রয়োগ করা হলে ফসলের জন্য তা খুবই উপকারী হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net