1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
ঠাকুরগাঁওয়ে হরিপুরে বাসঝাড় এখন বাবুই পাখির শেষ আশ্রয় । মোঃ মজিবর রহমান শেখ, ঠাকুরগাঁও জেলা - দৈনিক শ্যামল বাংলা
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
ঈদগাঁওয়ে পরিবেশ রক্ষায় থানা পুলিশের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত গ্রীনপয়েন্ট স্কুল এন্ড কলেজ এর আয়োজনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি -২০২৬ অনুষ্ঠিত রাস্তায় পড়ে থাকা অসুস্থ বাবাকে অবশেষে চিকিৎসায় নিলেন প্রবাসী ছেলে বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত: স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত কুমিল্লায় জমজম ট্রাভেলস্ বিডি’র প্রি-হজ্ব সেমিনার অনুষ্ঠিত মাগুরার শ্রীপুরে শিশু রাজিয়া খাতুন ধ’র্ষণ ও হ’ত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা  মাগুরায় জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বানারীপাড়ায় কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক সুমনের ওপর হামলার অভিযোগ, আশঙ্কাজনক অবস্থায় শেবাচিমে ভর্তি ঈদগাঁওয়ে ভোগান্তিতে ডজনাধিক পরিবার, ঘেরাবেড়া দিয়ে চলাচলের রাস্তা বন্ধের অভিযোগ ভাঙ্গুড়ায় উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

ঠাকুরগাঁওয়ে হরিপুরে বাসঝাড় এখন বাবুই পাখির শেষ আশ্রয় । মোঃ মজিবর রহমান শেখ, ঠাকুরগাঁও জেলা

মোঃ মজিবর রহমান শেখ ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৪
  • ৩৪১ বার

ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার টেংরিয়া প্রধান পাড়া গ্রামের দৃষ্টি নন্দিত একটি পুকুর, এক সময় যে পুকুরের পাড় ঘেষে ছিল অসম্ভব বনজঙ্গল। কত আগে এই পুকুর টি খনন করা হয় তা কেউ আদো বলতে পারছেনা তবে ধারণা করা হয় তৎকালীন জমিদার বংশের কেউ এই পুকুরটি খনন করেছিল সেচকপ্লের জন্য, তবে জানা যায় এক সময় এই পুকুরে বানর,সাপ,বেজি,শিয়াল,বিভিন্ন ধরনের পাখ পাখালি দেখা যেত কিন্তু বনজঙ্গল উজার করার ফলে বর্তমান এসব প্রানী বিলুপ্ত প্রায়। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এক সময়ের গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য তালগাছ, সুপারি গাছ, নারকেল গাছ গুলোতে এক সময় চির চেনা তাঁতি পাখি বাবুই শখের বসে বাসা তৈরি করতো, কিন্তু বিলুপ্ত প্রায় গাছ গুলোতে আশ্রয় না হওয়ায় শেষ আশ্রয় টুকু ও হয়েছে বান্ধা পুকুরের বাস ঝাাড়ে সুনিপুণ ভাবে তৈরি করছে তাদের শখের বাসা। তাদের সাথে প্রতিবেশীর মত মিলেমিশে একাকার হয়ে আছে ডাহুক, খনজনা,বক,বালিহাঁস, ঘুঘু,মাছরাঙা ইত্যাদি পাখপাখালি। ঘুরতে আসা অত্র উপজেলার মো: মিজানুর জানান, আসলে আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন এই পুকুর বনজঙ্গলে ঘেরা ছিল ছিল বড়বড় শিমুল, তেতুল,বট,পাকর, ইত্যাদি গাছগাছালির সমারোহ কিন্তু দিন দিন বনজঙ্গল উজার করার ফলে বর্তমানে এসব দৃশ্য চোখে আর নজরে আসেনা। তাই আমাদের বন্যপ্রাণী ও বন উজার রক্ষাতে আমাদের সবাই কে একসাথে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net