1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
খেতাব-বঞ্চিত সেক্টর কমাণ্ডার মেজর জলিল ও মেজর জয়নুলকে স্বীকৃতিদানের জন্য অধ্যাপক বার্ণিকের আহ্বান - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৩০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
সাতকানিয়ায় স্থানীয়দের উদ্যোগের পর পুলিশের মাদকবিরোধী র‌্যালি  হোপের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি: তিন শাখায় ফলজ গাছের চারা বিতরণ আনোয়ারায় তিন ফার্মেসিতে অভিযান ৬৫ হাজার টাকা অর্থদন্ড মাগুরার শ্রীপুরে আধিপত্যেকে কেন্দ্র করে বাড়িঘরে ব্যাপক ভাঙচুর, লুটপাট!  আহত -৫ মানুষ মেরে পালাচ্ছিলো প্রাইভেটকার : ধাওয়া দিয়ে হাটহাজারীতে আটকালো জনগন নোয়াখালীতে চট্টগ্রাম অঞ্চল উপযোগী বিনা উদ্ভাবিত জাত ও প্রযুক্তি সম্প্রসারণে আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামের শিপইয়ার্ড যেন মৃত্যুকূপ ৯ বছরে ১৩৭ শ্রমিকের মৃত্যু, নিরাপত্তা তদারকিতে গাফিলতির অভিযোগ মাগুরার শ্রীপুরে কালবের উদ্যোগে মিউচ্যুয়াল এইড সার্ভিসেস ও লাইফ সেভিংসের বেনিফিট প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে নিখোঁজের একদিন পর বাড়ির সামনের পুকুর থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার  মাগুরার শ্রীপুরে কালবের উদ্যোগে মিউচ্যুয়াল এইড সার্ভিসেস ও লাইফ সেভিংসের বেনিফিট প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

খেতাব-বঞ্চিত সেক্টর কমাণ্ডার মেজর জলিল ও মেজর জয়নুলকে স্বীকৃতিদানের জন্য অধ্যাপক বার্ণিকের আহ্বান

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ৩২৭ বার

১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন ভারতীয় সেনাবাহিনীর কিছু কাজের বিরোধিতা করার কারণে ২ জন সেক্টর কমাণ্ডারকে শেখ মুজিবুর রহমান খেতাব-বঞ্চিত করেন। তাঁরা হলেন মহান মুক্তিযুদ্ধের খাঁটি বীর মেজর এমএ জলিল এবং মেজর জয়নুল আবেদীন খান। তাঁরা দুজনেই ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ভিন্ন ভিন্ন মেয়াদে ৯ম সেক্টর কমাণ্ডার ছিলেন।

অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এই যে, এই দেশপ্রেমিক দুজন সেক্টর কমাণ্ডারই তাদের সমক্ষে ঘটে যাওয়া ভারতীয় মিত্রবাহিনীর কিছু কাজের প্রতিবাদ করেছিলেন। সে কারণে ১৯৭২ সালে মুক্তিযোদ্ধাদের রাষ্ট্রীয় খেতাবে ভূষিত করে গেজেট প্রকাশের সময় শেখ মুজিবুর রহমান ভারতকে খুশি কারার জন্য তাঁদেরকে মুক্তিযুদ্ধের খেতাব দেননি। এমনকি ভারতীয় বাহিনী এক পর্যায়ে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন মেজর এম এ জলিলকে বন্দি করেও রেখেছিলো। এজন্যেই মেজর জলিলকে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাজবন্দি বলা হয়।
আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে, স্বাধীনতার ৫৩ বছর পর্যন্ত এই দুই বীর মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দানের বিষয়টি কেউ উচ্চারণ করেননি। এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির সরকার সমান ভূমিকা পালন করতে দেখা যায়।
২০২৪ সালের জাতীয় গণ-অভ্যুত্থানের পর এই মহাসত্যটির মীমাংসা হওয়া বাঞ্ছনীয় বলে মনে করি । বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন এবং জাতীয় নাগরিক কমিটি-সহ ড. মুহম্মদ ইউনুস সরকারের নিকট দেশবাসীর পক্ষে দাবি করছি, খেতাব-বঞ্চিত উক্ত দুজন সেক্টর কমাণ্ডারকে খতাব দিয়ে অবিলম্বে গেজেট প্রকাশ করা হোক।
এ কাজটি করা হলে, একদিকে শেখ মুজিবের মুখোশ উন্মোচিত হবে, এবং, অন্যদিকে মুক্তিযুদ্ধাদের সম্মানিত করে আপনারাও সম্মানিত হবেন
—-অধ্যাপক এমএ বার্ণিক
সভাপতি , জ্ঞানভিত্তিক সামাজিক আন্দোলন

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net