1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
তথ্যমন্ত্রীর কথা ও কাজে মনে হয় উনি জিয়া পরিবারের সমালোচনা বিষয়ক মন্ত্রী -ঠাকুরগাঁওয়ে নজরুল ইসলাম খান - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
মাগুরায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে ২ টি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা  মাগুরায় নানা আয়োজনে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৬৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত রাঙ্গামাটির ব্রীজের যানজট নিরসনে মানবিক উদ্যোগ—গর্ত ভরাট করলেন আব্দুল আলিম মেম্বার কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে ৫ বাংলাদে‌শির মৃত্যু : পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গণমাধ্যম বাংলাদেশে এখন সর্বোচ্চ স্বাধীনতা ভোগ করছে : তথ্যমন্ত্রী কলকাতায় হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৯ জনের ৫ জন বাংলাদেশি: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে চরফকিরা ইউনিয়নে প্রবাসীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি: স্বর্ণালংকারসহ নগদ টাকা লুট সাতকানিয়ায় স্থানীয়দের উদ্যোগের পর পুলিশের মাদকবিরোধী র‌্যালি  হোপের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি: তিন শাখায় ফলজ গাছের চারা বিতরণ আনোয়ারায় তিন ফার্মেসিতে অভিযান ৬৫ হাজার টাকা অর্থদন্ড

তথ্যমন্ত্রীর কথা ও কাজে মনে হয় উনি জিয়া পরিবারের সমালোচনা বিষয়ক মন্ত্রী – -ঠাকুরগাঁওয়ে নজরুল ইসলাম খান

মোঃ মজিবর রহমান শেখ,,
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২৩
  • ৩২৯ বার

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মো: নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, তথ্যমন্ত্রীর কথা ও কাজে মনে হয় উনি আসলে হলেন জিয়া পরিবারের সমালোচনা বিষয়ক মন্ত্রী। কারণ সারাদিন-রাত উনি দেশের কথা না, বা তার তথ্য মন্ত্রণালয়ের কথা না, উনি সারাদিন-রাত হয় শহীদ জিয়ার বিরুদ্ধে, না হয় বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে, না হয় তারেক রহমানের বিরুদ্ধে, না হয় বিএনপির বিরুদ্ধে বলা। কাজেই তার কথার জবাব দেওয়াটা জরুরী বলে মনে করি না। জনগন তার কথার কোন গুরুত্ব দেয় না। তিনি গত ৩ জানুয়ারি মঙ্গলবার বিকেলে প্রেসকাব দ্বিতল ভবনের আধুনিক ভিআইপি হলরুমে জেলা বিএনপি আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে তো কোন নির্বাচন হয়নি। যেদিন ভোট হওয়ার কথা তার আগের রাতে সব ব্যালট বাক্স ভর্তি করে দেওয়া হয়েছে। ২/১ জায়গায় যেখানে ভোট হয়েছে সেখানে আমাদের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছে। যেটা ভোট হয় নাই, জোর করে আগেই ভোট চুরি করা হয়েছে; ডাকাতি করা হয়েছে সেই নির্বাচনের ব্যর্থতার অভিযোগ গ্রহনযোগ্য না। জনগন যদি ভোট দিতে পারতো আর আমরা তারপর যদি পরাজিত হতাম তাহলে আমরা অনুসন্ধান করতাম যে, আমাদের কি দুর্বলতা আছে। এর জন্য অভিযুক্ত সরকার, সরকারী দল। আমরা জনগনকে নিয়ে কাজ করছি। আমরা রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের কথা বলছি। এ সরকার বিভিন্ন সময়ে এটাকে ভেঙ্গে ফেলেছে।

বর্তমানে এটি এমনভাবে ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে যে, এটার সংস্কার হবে না। মেরামতের প্রয়োজন হয়ে পরেছে। সবাই জানি এটা কারা ভাঙ্গছে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরে প্রথম যে গণবিরোধী আইন, ৭৪ এর বিশেষ ক্ষমতা আইন, এটা তারা করেছে। বাংলাদেশে জরুরী অবস্থা জারির আইন সংবিধানে তারাই ঢুকিয়েছে এবং তারা জরুরী অবস্থা জারীও করেছে। বিশেষ ক্ষমতা আইন দিয়ে বিরোধী দলকে নির্যাতন, নীপিড়ন করেছে। তার পরও যখন জনগনের আন্দোলন ঠেকানো যায়নি। তখন জরুরী অবস্থা জারি করেছে। তার পরও যখন ঠেকানো যায়নি তখন কয়েক মিনিটের মধ্যে সংসদের বাংলাদেশের সংবিধান, বাংলাদেশের রাষ্ট্র কাঠামো, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা, বাংলাদেশের গণতন্ত্র সবকিছুকে ভেঙ্গে চুরে একটি নতুন ব্যবস্থা জারি করা হয়েছে। যার জন্য আজও আমরা সেটি সাফার করছি। গণতন্ত্র কেড়ে নেওয়া হলো, বাক স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হলো, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হলো, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হলো এবং সমস্ত ক্ষমতা এক ব্যক্তির হাতে কেন্দ্রীভুত করা হলো। আমরা বলবো যে রাষ্ট্রিয় কাঠামো সবচেয়ে পরিবর্তন হয়েছে তখন। নজরুল ইসলাম খান আরও বলেন, গত ১৪ বছরে যা হয়েছে রাষ্ট্রিয় যে প্রতিষ্ঠানগুলি সেই প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধ্বংস করা হয়েছে। প্রশাসন বলেন, আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী বলেন, বিচার বিভাগ বলেন সকল কিছুকে নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। সংসদ, স্থানীয় এবং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকেও দলীয় ভাবে করা হয়েছে। ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে দেওয়া হয় না। গেলেও ভোট দিতে দেওয় হয়নি। এতে করে নির্বাচন ব্যবস্থাকেই ধ্বংস করা হয়েছে। নির্বাচন সুষ্ঠু না হলে গণতন্ত্র হতে পারে না। দেশে যেহেতু নির্বাচন হয় না, সেখানে গনতন্ত্র আছে এই দাবি করাটা হাস্যকর। আমরা সকল রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের কাছে পরামর্শ চেয়েছি। সেটার উপরে আমরা দেশ ও জাতির স্বার্থে মানতে রাজি আছি। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাজনৈতিক ও ব্যক্তি হিসেবে সর্বজন শ্রদ্ধেয় এবং দেশে বিদেশে তার যে সুনাম তাতে তার সম্পর্কে এরকম কিছু করা হলে সরকারের ক্ষতি ছাড়া লাভ হবে না।

জেলা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা তৈমুর রহমানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বক্তব্য দেন, জেলা বিএনপির সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নূর করিম, ওবায়দুল্লাহ মাসুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক মো: জাফরুল্লাহ, মজিদুল ইসলাম, দেলোয়ার হোসেন, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হামিদ, জেলা যুবদলের সভাপতি চৌধুরী মাহেবুল্লাহ আবু নুর, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব হোসেন তুহিন, জেলা মহিলা দলের সভাপতি ফোরাতুন নাহার প্যারিস, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সভাপতি সরকার মো: নুরুজ্জামান নুরু, সাধারণ সম্পাদক মো: সোহেল রানা, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো: কায়েস প্রমুখ। এ সময় বিএনপির বিভিন্ন সহযোগি অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net