1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
'কৃষকদের কথা ভাবুন' - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
শহীদ ফরহাদ হোসেন স্মৃতি চাকসু আন্তঃহল ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন হলো চবিতে পোড়া তেলে সাঙ্গু নদী দূষণের অভিযোগ, কৃষি ও মৎস্য আহরণে ক্ষতির আশঙ্কা নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধে হামলা ভাঙচুরের অভিযোগ, হাসপাতালে ফের দুই পক্ষের সংঘর্ষ চন্দনাইশে মোবাইল কোর্টের অভিযানে অস্বাস্থ্যকর খাদ্য উৎপাদনে বেকারিকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা বাড়ল বাস ভাড়া, আজ থেকেই কার্যকর মাগুরার শ্রীপুরে এক পক্ষের খুন, অন্য পক্ষের বাড়িতে তাণ্ডব! আসামির তালিকায় নাম না থাকলেও ভাঙচুর-লুটপাটের শিকার দুই পরিবার সরকারি কাজে আবেগ নয় বিবেক দিয়ে কাজ করতে হবে- মাগুরায় পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম ১০০০ টাকার নোট বাতিলের দাবিতে আইনি নোটিশ জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী নোবিপ্রবিতে মশক নিধন কার্যক্রম উদ্বোধন ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

‘কৃষকদের কথা ভাবুন’

রবিউল ইসলাম
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২২
  • ১২৭৪ বার

আলু আমাদের খাবারের তালিকায় নিত্য সঙ্গী। স্বাদ কিংবা পরিমাণ বাড়াতে প্রায় সব রকমের তরকারিতে আলু একটি দরকারি শস্য। কিন্তু আলু চাষিদের খবর কি আমরা রেখেছি?

মাঠ পর্যায়ে কৃষকেরা ৫-৬ টাকা দরে আলু বিক্রি করছে। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বিঘা প্রতি উৎপাদন খরচ ২০ হাজার টাকা কিন্তু উৎপাদিত আলু বিক্রি করছে ১০-১১ হাজার টাকা্য। রোদ, বৃষ্টি, ঝড়ে হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়লে আমাদের কৃষক বাঁচবে কি করে?

শুধু আলুই নয়। ধান, গম,ভুট্টা, পেঁয়াজ থেকে শুরু করে প্রায় সব রকমের কৃষি পন্যের ন্যায্য মূল্য আমাদের কৃষকেরা পায় না।

‘কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ’ এই স্লোগান দিয়ে নিজেদের দায় এড়ানো যায় না।

এই সমস্যা সমাধানে দরকার সঠিক পরিকল্পনা। মূলত চাহিদার তুলনায় উৎপাদন বেশি হলে ফসলের দাম কমে য়ায। আমার মতে কতিপয় পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে।

প্রথমত আমাদেরকে প্রতিটি কৃষি পন্যের বাৎসরিক চাহিদা নির্ধারণ করতে হবে। চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদনের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করতে হবে। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে সারাদেশব্যপী নির্দিষ্ট কৃষি পন্য উৎপাদন অঞ্চলে ভাগ করতে হবে। যেমন, ঠাকুরগাঁও-দিনাজপুর অঞ্চল আলু চাষের জন্য উপযোগী। আবার পাবনা-কুষ্টিয়া অঞ্চল পেঁয়াজ চাষের জন্য উপযোগী। নির্ধারিত অঞ্চলে নির্ধারিত শস্য ছাড়া অন্য কোন শস্য যাতে কৃষকেরা উৎপাদন না করে সেজন্য কার্যকরী নীতিমালা গ্রহণ করতে হবে। এভাবে চাহিদা ও উৎপাদনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব হবে। ফলে আমাদের কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য পাবে।
এ বিষয়ে আরো কার্যকরী ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য সরকার, কৃষি মন্ত্রণালয়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও কৃষিবিদদের সদয় দৃষ্টি কামনা করছি।

লেখক, ডিকে মহাবিদ্যালয়
রানীসংকৈল, ঠাকুরগাঁও

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net