ঢাকা   ০৮:২৫:৩৫ পিএম, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
মনোহরগঞ্জে টিনের বেড়া দিয়ে রাস্তা বন্ধ,অবরুদ্ধ চার পরিবার! সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগ মাগুরায় শাকের হত্যা ও স্বর্ণ ডাকাতি ঘটনায় ১১জন গ্রেপ্তার, প্রেস ব্রিফিং এ পুলিশ সুপার কুমিল্লায় নিখোঁজ ভারতীয় শিক্ষার্থীর মরদেহ মিলল পুকুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে বিশেষ স্মারক ডাক টিকেট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রীর মাগুরায় শাকের হত্যা এবং স্বর্ণ ডাকাতি মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক গোলাম জাহিদ গ্রেফতার যুব উন্নয়ন থেকে সফল আত্মকর্মী’র সম্মাননা পেলেন সুবর্ণা চৌধুরী মিরপুরে সংঘর্ষের পর যান চলাচল স্বাভাবিক আশুলিয়ায় শতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা, আহত ৫০ পুলিশ সদস্য আব্দুল হাকিম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন মোঃ জুলহাস ইরানের কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা : ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল

‘কৃষকদের কথা ভাবুন’

রবিউল ইসলাম
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২২
  • ১৩০৪ বার
  • ৪ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

আলু আমাদের খাবারের তালিকায় নিত্য সঙ্গী। স্বাদ কিংবা পরিমাণ বাড়াতে প্রায় সব রকমের তরকারিতে আলু একটি দরকারি শস্য। কিন্তু আলু চাষিদের খবর কি আমরা রেখেছি?

মাঠ পর্যায়ে কৃষকেরা ৫-৬ টাকা দরে আলু বিক্রি করছে। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বিঘা প্রতি উৎপাদন খরচ ২০ হাজার টাকা কিন্তু উৎপাদিত আলু বিক্রি করছে ১০-১১ হাজার টাকা্য। রোদ, বৃষ্টি, ঝড়ে হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়লে আমাদের কৃষক বাঁচবে কি করে?

শুধু আলুই নয়। ধান, গম,ভুট্টা, পেঁয়াজ থেকে শুরু করে প্রায় সব রকমের কৃষি পন্যের ন্যায্য মূল্য আমাদের কৃষকেরা পায় না।

‘কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ’ এই স্লোগান দিয়ে নিজেদের দায় এড়ানো যায় না।

এই সমস্যা সমাধানে দরকার সঠিক পরিকল্পনা। মূলত চাহিদার তুলনায় উৎপাদন বেশি হলে ফসলের দাম কমে য়ায। আমার মতে কতিপয় পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে।

প্রথমত আমাদেরকে প্রতিটি কৃষি পন্যের বাৎসরিক চাহিদা নির্ধারণ করতে হবে। চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদনের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করতে হবে। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে সারাদেশব্যপী নির্দিষ্ট কৃষি পন্য উৎপাদন অঞ্চলে ভাগ করতে হবে। যেমন, ঠাকুরগাঁও-দিনাজপুর অঞ্চল আলু চাষের জন্য উপযোগী। আবার পাবনা-কুষ্টিয়া অঞ্চল পেঁয়াজ চাষের জন্য উপযোগী। নির্ধারিত অঞ্চলে নির্ধারিত শস্য ছাড়া অন্য কোন শস্য যাতে কৃষকেরা উৎপাদন না করে সেজন্য কার্যকরী নীতিমালা গ্রহণ করতে হবে। এভাবে চাহিদা ও উৎপাদনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব হবে। ফলে আমাদের কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য পাবে।
এ বিষয়ে আরো কার্যকরী ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য সরকার, কৃষি মন্ত্রণালয়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও কৃষিবিদদের সদয় দৃষ্টি কামনা করছি।

লেখক, ডিকে মহাবিদ্যালয়
রানীসংকৈল, ঠাকুরগাঁও

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি