1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
ঠাকুরগাঁওয়ে বালিয়াডাঙ্গীতে পাপোশ কারখানায় ভাগ্য বদল দম্পতির ! - দৈনিক শ্যামল বাংলা
মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:০৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
মাগুরায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ পালনে প্রস্তুুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নবীনগরে অনাবাদি জমিতে আউশ আবাদে নতুন সম্ভাবনা চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান: মানবতাবিরোধী অপরাধে ১৬ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১১ জনের যাবজ্জীবন পাহাড়িদের জীবনমান উন্নয়নে বাস্তবভিত্তিক কার্যকর উদ্যোগ নেয়ার আহবান পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর খাগড়াছড়ির রামগড়ে পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে শ্বশুর আটক ভাঙ্গুড়ায় অষ্টমনিষা ইউনিয়ন বিএনপির দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল অনুষ্ঠিত, নির্বাচিতদের নাম ঘোষণা মাগুরায় গলায় ফাঁস এবং আগুনে দগ্ধ হয়ে শিবলু খান (৪৫) ১ জনের মৃত্যু  মাগুরায় ২৪-এর শহীদদের স্মরণে ‘গানে গানে জুলাই’ সংগীতানুষ্ঠান নবীনগরে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট (AIII)-জলসিঁড়ি’র উদ্বোধন করলেন সেনাপ্রধান

ঠাকুরগাঁওয়ে বালিয়াডাঙ্গীতে পাপোশ কারখানায় ভাগ্য বদল দম্পতির !

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১১ জুন, ২০২৪
  • ৩৪৫ বার

মোঃ মজিবর রহমান শেখ,

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি

একটি সময় নিজের সংসারে অভাব থাকলেও এখন কারখানায় ৪শ এর মতো মানুষের আয়ের উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছেন সামসাদ আকতার ও হযরত আলী দম্পতি। মাসে তাদের আয় প্রায় ২০ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা। একদিকে যেমন নিজে হয়েছেন কোটিপতি, অপরদিকে নিজ এলাকার মানুষদের জন্যও করেছেন কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও।
ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ভানোর ইউনিয়নের বিশ্রামপুর গ্রামের এই দম্পতি একটি সময় সংসার চালাতেই হিমশিম খেতেন। এরপরেও চেষ্টা চালিয়ে গেছেন পরিবারের অভাব দূর করে নিজেদের স্বাবলম্বী করে প্রতিষ্ঠিত করার। পরর্বীতে ঢাকার একটি গার্মেন্টস এ কাজ শুরু করেন হযরত আলী। সেখানে কিছুদিন কাজ করার পরে ২০০৫ সালে নিজের বাসায় স্থানীয় বেসরকারি সংস্থা থেকে ১০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে শুরু করেন পাপোশ বানানোর কাজ। প্রথম দিকে নিজ এলাকার ৭ জন নারী পুরুষকে কাজের প্রশিক্ষণ দিয়ে শুরু করেন পাপোশ বানানোর কাজ।
ধীরে ধীরে লাভবান হওয়ায় বাড়তে থাকে কাজের পরিধি। বর্তমানে তার কারখানায় কাজ করে স্থানীয় প্রায় ৪শ জন নারী পুরুষ। প্রতি মাসে দেয়া হয় তাদের পারিশ্রমিকও। এতে করে তাদের সংসারে ফিরেছে স্বচ্ছলতা। বর্তমানে ঐ দম্পত্তির ছোট বড় পাপোশ কারখানা রয়েছে ৫টি। যেখানে স্থানীয় এলাকার প্রায় ৪শ জন নারী পুরুষ কাজ করেন। দৈনিক তাদের কারখানা থেকে ৭শ থেকে ৮শ পিস পাপোস তৈরী হয়। যা স্থানীয়ভাবে বিক্রি করার পরেও দেশের বাহিরে বিক্রি করেন তারা। মাসে কারখানা থেকে ২০ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা পাপোশ বিক্রি করা হয়। হযরত আলী ও সামসাদ আকতার দম্পত্তি জানান, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে আরো মানুষের জন্য কর্মসংস্থান করতে পারবেন তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net