1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
ঠাকুরগাঁওয়ে বালিয়াডাঙ্গীতে পাপোশ কারখানায় ভাগ্য বদল দম্পতির ! - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
ভাষা সৈনিক অজিত গুহ মহাবিদ্যালয়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা:) উদযাপন আন্দালিব রহমান পার্থকে তথ্যমন্ত্রী করায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দকে মিষ্টিমুখ করালো বিজেপি জীবনের সর্বাবস্থায় রাসূলুল্লাহ (সা.) এঁর ‍সুন্নাহ অনুসরণ করতে হবে’ : মুফতি জসিমুদ্দীন তিন বছরেও আওয়ামীলীগের হামলার বিচার পাননি যুবদল নেতা ফিরোজ নবীনগরে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল লাকসামে ঈদে মিলাদুন্নবীর জুলুসে হাজারো মানুষের ঢল মাগুরায় ৭ ভুয়া সিআইডি সদস্য আটক, নারী অপহরণের চেষ্টা ব্যর্থ ঢাকায় ভুটানের রাজার যাত্রাবিরতি, সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি হরমুজ প্রণালী চালুর আলোচনা: তেলের দাম ২ শতাংশ কমেছে চট্টগ্রামে কিশোরীদের প্রজনন স্বাস্থ্য শিক্ষা বিষয়ক সেমিনার-২০২৬’ অনুষ্ঠিত

ঠাকুরগাঁওয়ে বালিয়াডাঙ্গীতে পাপোশ কারখানায় ভাগ্য বদল দম্পতির !

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১১ জুন, ২০২৪
  • ৩৫৯ বার

মোঃ মজিবর রহমান শেখ,

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি

একটি সময় নিজের সংসারে অভাব থাকলেও এখন কারখানায় ৪শ এর মতো মানুষের আয়ের উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছেন সামসাদ আকতার ও হযরত আলী দম্পতি। মাসে তাদের আয় প্রায় ২০ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা। একদিকে যেমন নিজে হয়েছেন কোটিপতি, অপরদিকে নিজ এলাকার মানুষদের জন্যও করেছেন কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও।
ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ভানোর ইউনিয়নের বিশ্রামপুর গ্রামের এই দম্পতি একটি সময় সংসার চালাতেই হিমশিম খেতেন। এরপরেও চেষ্টা চালিয়ে গেছেন পরিবারের অভাব দূর করে নিজেদের স্বাবলম্বী করে প্রতিষ্ঠিত করার। পরর্বীতে ঢাকার একটি গার্মেন্টস এ কাজ শুরু করেন হযরত আলী। সেখানে কিছুদিন কাজ করার পরে ২০০৫ সালে নিজের বাসায় স্থানীয় বেসরকারি সংস্থা থেকে ১০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে শুরু করেন পাপোশ বানানোর কাজ। প্রথম দিকে নিজ এলাকার ৭ জন নারী পুরুষকে কাজের প্রশিক্ষণ দিয়ে শুরু করেন পাপোশ বানানোর কাজ।
ধীরে ধীরে লাভবান হওয়ায় বাড়তে থাকে কাজের পরিধি। বর্তমানে তার কারখানায় কাজ করে স্থানীয় প্রায় ৪শ জন নারী পুরুষ। প্রতি মাসে দেয়া হয় তাদের পারিশ্রমিকও। এতে করে তাদের সংসারে ফিরেছে স্বচ্ছলতা। বর্তমানে ঐ দম্পত্তির ছোট বড় পাপোশ কারখানা রয়েছে ৫টি। যেখানে স্থানীয় এলাকার প্রায় ৪শ জন নারী পুরুষ কাজ করেন। দৈনিক তাদের কারখানা থেকে ৭শ থেকে ৮শ পিস পাপোস তৈরী হয়। যা স্থানীয়ভাবে বিক্রি করার পরেও দেশের বাহিরে বিক্রি করেন তারা। মাসে কারখানা থেকে ২০ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা পাপোশ বিক্রি করা হয়। হযরত আলী ও সামসাদ আকতার দম্পত্তি জানান, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে আরো মানুষের জন্য কর্মসংস্থান করতে পারবেন তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net