1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজে এক মতবিনিময় সভায় বক্তব্যে বলেন- বড়লোকের ছেলেমেয়েরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে না- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
জনগণকে দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী বিবাহ নিবন্ধন যুক্ত হবে এনআইডি ও পাসপোর্টে: আইনমন্ত্রী বিয়ে নিবন্ধন হবে অনলাইনে, সহজেই জানা যাবে আগের বিয়ের তথ্য: আইনমন্ত্রী মাগুরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পৌরসভার বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান মনোহরগঞ্জে শিশুর বাবা-মা ঋণের চাপে গ্রাম ছাড়া সেই শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বৃদ্ধ আটক পরিকল্পিত সন্ত্রাসের প্রতিবাদে বায়েজিদ বোস্তামী থানা মহিলা দলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত  আখতারুজ্জামানকে বিমানবন্দর থানায় হস্তান্তর করেছে ডিবি বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী মারা গেছেন কক্সবাজারে টঙ্গী রিপোর্টার্স ক্লাবের চার দিনের আনন্দ ভ্রমণ সম্পন্ন জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার

ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজে এক মতবিনিময় সভায় বক্তব্যে বলেন- বড়লোকের ছেলেমেয়েরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে না– জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৫
  • ৩৪৬ বার

মোঃ মজিবর রহমান শেখ

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি,,

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেছেন, ‘বড়লোকের ছেলেমেয়েরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে না।’ শনিবার (১২ এপ্রিল) ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজে এক মতবিনিময় সভায় উপাচার্য এ কথা বলেন। সভায় কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আখতারুল ইসলাম সহ শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, ‘প্রিলিমিনারি টু মাস্টার্স আমরা দেখব। আমাদের ছেলেমেয়েরা কীভাবে আউটসোর্সিং, কুকিং, কারিগরি ও অন্যান্য কোর্সে যুক্ত হতে পারে, সেই পরিকল্পনা করছি। আমরা সাংস্কৃতিক বিপ্লবের কথা ভাবছি—বিতর্ক, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সহ নানা কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণে অর্থায়ন করব।’উপাচার্য জানান, ‘গভর্নিং বডিগুলো অনেক কলেজে রাজনৈতিক কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে, যেন চর দখলের অবস্থা। এভাবে চলতে থাকলে গভর্নিং বডি রাখার যৌক্তিকতা নিয়েই প্রশ্ন উঠবে। স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও শিক্ষাব্যবস্থায় এমন অনিশ্চয়তা কাম্য নয়।’ শিক্ষকদের অবস্থা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে উপাচার্য বলেন, ‘একজন কলেজশিক্ষক সমাজে অত্যন্ত সম্মানজনক ব্যক্তি। অথচ তাঁদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা করুণ। আমি যে কলেজে পড়েছি, সেখানে এমন পরিস্থিতি যে জেলার গণ্যমান্যরাও প্রিন্সিপালের সঙ্গে দেখা করতে অনাগ্রহী।’
উপাচার্য আরও বলেন, ‘আজকের শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গড়ার জন্য আমাদের নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করতে হবে। পারস্পরিক দোষারোপ নয়, বরং শিক্ষার্থীদের মঙ্গলের জন্য রাজনৈতিক বিরোধ কমিয়ে আনা দরকার। একসঙ্গে কাজ করলে যে বাংলাদেশ আমরা দেখতে চাই, সেটাই বাস্তবে রূপ পাবে।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতিচারণা করে তিনি বলেন, ‘একসময় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা এখানে পড়তে আসত—ইরান, মালয়েশিয়া, সৌদি আরব থেকে আসত শিক্ষার্থীরা। এখন আমরা সেই দেশগুলোতে কাজের সন্ধানে যাই।’ উপাচার্য বলেন, ‘আমাদের অবনতির মূল কারণ ‘টু মাস পলিটিকস’ ও ‘গুড গভর্ন্যান্স’-এর অভাব। এই দুটি বিষয়ে পরিবর্তন আনতে পারলে দেশের ভাগ্য বদলে যাবে।’
শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে উপাচার্য বলেন, ‘আজকের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্রাইভেট চাকরি কিংবা আয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকে। শুধু শিক্ষকের ডাকে তারা ক্লাসে ফিরে আসবে না। কীভাবে অংশগ্রহণ বাড়ানো যায়, সে পদ্ধতি খুঁজে বের করতে হবে।’
ইনকোর্স এবং অ্যাসাইনমেন্ট নিয়ে উপাচার্য বলেন, ‘ইনকোর্স ও ভাইভা নিয়ে ভয়াবহ অবস্থা চলছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় চায় ইনকোর্স-সংক্রান্ত সবকিছু কেন্দ্রীয়ভাবে পাঠানো হোক। আমরা আলাদা ইনকোর্স ইউনিট গঠন করছি। কয়েক মাস পরীক্ষা করে দেখব, ইনকোর্স রাখা প্রয়োজন আছে কি না।’
সভায় তিনি শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানান, সবাই যেন একসঙ্গে কাজ করে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ভালো শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net